বুধবার ২৭ মে ২০২০
Online Edition

জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২০ শতাংশ

স্টাফ রিপোর্টার: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০১২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন। প্রস্তাবিত বাজেট মোট ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার। আর নতুন অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ২০ ধরা হয়েছে। এদিকে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে আটকে রাখার লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’ শিরোনামে করা এবারের এই বাজেট।

জিডিপির প্রবৃদ্ধির ৮ দশমিক ২০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগ ও বৈদেশিক সাহায্য বৃদ্ধি, রফতানি আয় ও প্রবাসী আয়ের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেরও আশাবাদ করা হয়েছে।

নতুন বাজেটে জিডিপি ধরা হয়েছে ২৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের মূল বাজেটে জিডিপির আকার ২৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ২২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ছিল ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

নতুন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এই হিসাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৩৮ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা।

এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান এই সূচক ৫ দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন তখনকার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মার্চ মাস শেষে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ