বুধবার ১৫ জুলাই ২০২০
Online Edition

মানিকগঞ্জে নদী থেকে স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা : নিখোঁজের একদিন পর মানিকগঞ্জের শারমিন আক্তার নামের ৩য় শ্রেণি এক স্কুল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর তিল্লি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শারমিন উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের  গোপালপুর গ্রামের মো.সোহাগ আলীর মেয়ে এবং গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

উল্লেখ্য,গত বুধবার বাড়ি পাশের ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে গিয়ে নদীতে নিখোঁজ হয় শারমিন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লোকজনকে জানান হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দীর্ঘ সময় খোঁজাখুজি করেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরে বৃহস্পতিবার সাড়ে ১০টার দিকে তিল্লি এলাকার আড়াই কিলোমিটার ভাটিতে শারমিনের লাশ  দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন তার মলাশ উদ্ধার করে।

লাশ উদ্ধারের স্বীকার করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো.হারুন-অর-রশিদ বলেন, শারমিনের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মানিকগঞ্জে ধর্ষণ চেষ্টায় ৫বছরের কারাদণ্ড

শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় মানিকগঞ্জে মো.এমদাদুল নামে একজনের ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো দুই মাসের কারাদন্ডের রায় দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানালের বিচারক মোহাম্মদ আলী হোসাইন এই রায় প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী এমদাদুল জামিনে ছাড়া পেয়ে সে পলাতক রয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত মো.এমদাদুল পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার ভাটিয়াখড়া গ্রামের মোঃ ইদ্রিস আলী শেখের ছেলে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানাযায়,২০১০ সালের ২৯ আগস্ট ঘিওর উপজেলার শ্রীধামনগর বাজার এলাকায় একশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা করেন এমদাদুল। পরে মেয়ের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঘিওর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পরবর্তীতে পুলিশ তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামীর বিরুদ্ধে এই রায় প্রদান করেন বিচারক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ