মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

দৈনিক পূর্বাঞ্চলের রিপোর্টারকে ওজোপাডিকোর হয়রানির নিন্দা

খুলনা অফিস : মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার, টিআইবির অনুসন্ধানী পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক এইচ  আলাউদ্দিনের বাড়িতে ওজোপাডিকো কর্মকর্তা কর্তৃক হয়রানির নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রিপেইড মিটারে বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যখন সকলের দুয়ারে দুয়ারে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কাজ করছে, সেইসময় ওজোপাডিকোর কিছু অসাধু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা নিজ স্বার্থকে হাসিল করতে মাঠে নেমেছেন। দুইশ’ কোটি টাকার রিবেট অর্থাৎ দুই কোটি টাকা ফেরত দেয়া, সফটওয়ার জটিলতা দূর করা, মিটার ভাড়া না নেয়া, ভ্যাট জটিলতা দূর করা, মিটার লক হয়ে গেলে বিনা পয়সায় সচল করে দেয়া, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রি-পেইড গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধ করা, ‘নো ট্রেস’ বিলের নামে পুরনো অন্যের বিল বর্তমান গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে না দেয়া, দুর্নীতির মাধ্যমে কোম্পানি সচিবের চাকরির মেয়াদ ৫ বছর বৃদ্ধি এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের একাধিক গাড়ি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা করা, প্রকল্পের নামে হাজার কোটি টাকা খরচ করা হলেও এর সুফল গ্রাহকরা কেন পাচ্ছে না সে বিষয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, সংশি¬ষ্ট নন এমন ব্যক্তিদের বিদেশ সফরের নামে কোম্পানি ও ঠিকাদারদের টাকা নষ্ট করার বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উঠেছে তখনই তারা এই আন্দোলনকে অন্যখাতে নেয়ার জন্য চক্রান্ত করছেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গ্রাহকদের ন্যায্য দাবি থেকে কোন প্রকার হয়রানি করে পিছু হটানো যাবে না। সাংবাদিক এইচএম আলাউদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির বাইরে অবস্থান করাকালীন ওজোপাডিকোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের সংশ্লিষ্ট ফিডারের ইনচার্জ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাথে নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে সাংবাদিক আলাউদ্দিন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে চান। বাড়ির হোল্ডিং নম্বর চাওয়া ছাড়াও বিভিন্ন প্রশ্নে বাড়ির নারীদের অহেতুক হয়রানি করেন। এসময় ওজোপাডিকোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আলাউদ্দিনের ব্যবহৃত মিটারের ছবি তুলে নিয়ে যান। সাংবাদিক আলাউদ্দিন বাড়িতে ফিরলে সার্বিক বিষয় শুনে সংশ্লিষ্ট বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সুপারভাইজারের সাথে কথা বললে তাদের কথায়ও অসংলগ্নতা পাওয়া যায়। এভাবে একজন সাংবাদিকের বাড়িতে অহেতুক হয়রানির মধ্যদিয়ে গোটা সাংবাদিক সমাজকে তাদের লেখনী থেকে হঠানোর চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিদাতারা হলেন-প্রিপেইড মিটারে বিদ্যমান দুর্নীতি প্রতিরোধ সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ডা. শেখ বাহারুল আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল নুর মোহাম্মদ, এডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু, সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন, সহকারী সদস্য সচিব গ্লোবাল খুলনার আহ্বায়ক শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতা মহিউদ্দিন আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান পারভেজ, পোল্ট্রি ফিস ফিড মালিক সমিতির নেতা এসএম সোহরাব হোসেন, নিরাপদ সড়ক চাই-নিসচা’র জেলা সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, নাগরিক নেতা সৈয়দ ইমাম হোসেন বাচ্চু, জেসমিন জামান, কামরুল কাজল, আশরাফ হোসেন, মানবাধিকার কর্মী জি এম রাসেল ইসলাম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ