মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মেয়াদোত্তীর্ণ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার: তিন দফা প্রস্তাবনা অনুযায়ী ছাত্রদলের কমিটি গঠনের দাবিতে বিক্ষোভসহ অনশন কর্মসূচি পালন করেছে ভেঙ্গে দেয়া মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতাকর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার দিনভর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিস ঘিরে তাদের এই কর্মসূচি চলে। গতকাল সকালে বেশ কিছুৃ নেতাকর্মী বিক্ষোভ শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। এরপর তাদের একটি অংশ নীচ তলায় অনশনে বসে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেয়ার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। ছাত্রদল যে তিনটি প্রস্তাবনা দিয়েছিলো সেই অনুযায়ী নতুন কেন্দ্রীয় সংসদ করতে হবে। বেলা ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ছাত্রদলের দিনভর এই আন্দোলনকে ‘মান অভিমান’ আখ্যা দিয়ে সহসাই এর সমাধান হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
সূত্র মতে, গত ৩ জুন ঈদের আগের দিন ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেয় বিএনপি। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন রাজীব আহসান ও আকরামুল হাসান। এই কমিটির নেতাকর্মীরাই গতকাল দিনভর নয়াপল্টনে তান্ডব চালিয়েছে। সকালে বিএনপির নয়া পল্টনের  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়েছে ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ এসব নেতা-কর্মী। সকাল সোয়া ১১টার দিকে বিক্ষুব্ধরা তালা দিয়ে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। কার্যালয়ের নিচ তলায় তাদের একটি অংশ অনশন কর্মসূচিতেও বসে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, ছাত্র দলের কমিটি ভেঙে দেয়ার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। ছাত্র দল যে তিনটি প্রস্তাবনা দিয়েছিলো সেই অনুযায়ী নতুন  কেন্দ্রীয় সংসদ করতে হবে। সকাল ১০টা থেকে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। তারা ‘সরকারের দালালরা হুশিয়ার, সাবধান’, ‘আমাদের অধিকার দিতে হবে দিতে হবে’সহ উত্তেজনাপূর্ণ শ্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষুব্ধরা কারাবন্দী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষেও শ্লোগান দেয়।
ছাত্র দলের সাবেক নেতা শামসুজ্জামান দুদু, আমানউল্লাহ আমান, আসাদুজ্জামান রিপন, ফজলুল হক মিলন, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এবিএম মোশাররফ হোসেন, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, হাবিবুর রশীদ হাবিব প্রমুখ নেতৃবৃন্দ কার্যালয়ের সামনে এলে তাদের অফিসে প্রবেশ করতে দেয়নি বিক্ষুব্ধরা। পরে নেতারা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ‘হোটেল ভিক্টরিয়া’র সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে সকাল ১০টার আগেই সাবেক ছাত্র দল নেতা খায়রুল কবির ও আজিজুল বারী হেলাল কার্যালয়ে ঢুকে যান। এই কার্যালয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব্ রুহুল কবির রিজভী অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পরে তারা সাড়ে ১২টার দিকে অফিস থেকে বেরিয়ে আসলে বিক্ষুব্ধরা ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে শ্লোগান দেয়।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, বিশেষ সম্পাদক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস আদালতে হাজিরা দিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কার্যালয়ের সামনে আসলে বিক্ষুব্ধদের সামনে পড়েন। বিক্ষুব্ধদের কাছ থেকে দাবির বিষয়ে শুনে তারা চলে যান।
 ভেঙে দেয়া কমিটির সহসভাপতি এজমল হোসেন পাইলট সাংবাদিকদের কাছে বলেন, এটা আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি। হঠাৎ করে ঈদের আগে এই কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছে। আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, আমরা লিখিত আকারে ঢাকা শহরের ১২টা ইউনিট ও আমাদের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রূীয় সংসদ ঐক্যবদ্ধভাবে একটা আবেদননামা দেশনায়ক তারেক রহমারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। সেখানে তিনটা বিষয় উ্ল্েলখ ছিলো। একটা দাবি ছিলো বয়সের সুনির্দিষ্ট সীমা রেখা থাকবে না। ধারাবাহিক কমিটি হতে হবে এবং একটা কমিটি ৬ মাসের আগামী জানুয়ারির ১ তারিখ পর্যন্ত। পরবর্তিতে একবছর পর্যন্ত কমিটি দেয়া হলে যে আঙিকে ছাত্রদল সাজানো যায়, সেই আঙিকে তো হয়েছেই।। ১০ বছরের মধ্যে ছাত্র দলকে সুন্দর গুছানো সংগঠনে নিয়ে আসা যায়।
তিনি বলেন, এখানে ভুল বুঝার কোনো অবকাশ নেই। আমাদের দাবি একটা, আমাদের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি একটা- আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। আমরা এখানে এসেছি, ঈদ পরবর্তী সময়ে আমরা যারা বাড়িতে ছিলাম আমরা সবাই কোলাকুলি করবো। কিন্তু ঈদের আগের দিন আমরা দেখতে পেলাম রাতের বেলা একটা প্রেস রিলিজের মাধ্যমে আমাদের  কেন্দ্রীয় সংসদের যে কমিটিটা তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এতে আহতবোধ করছি। আমরা মনে করছি, এই প্রেস রিলিজটা আমাদের আগামীদিনের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমানকে ভুল বুঝানো হয়েছে অথবা উনার নলেজে এটা নেই। এই কারণে আমরা ওই প্রেস রিলিজটা বিলুপ্তি বা প্রত্যাহার দাবি করছি।
আগের কমিটি বহাল চাচ্ছেন কিনা প্রশ্ন করা হলে পাইলট বলেন, আমরা আগের কমিটি বহাল চাচ্ছি না। আমরা লিখিত আকারে তিনটা প্রস্তাব দিয়েছি। যা আমি বলেছি সেটার বাস্তবায়ন চাই।
সাবেক কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিক্ষুব্ধ নেতা কাজী ইফখাইরুজ্জামান শিমুল সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের যে দাবি বা প্রস্তাব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে দ্েিয়ছি তার বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
নির্দিষ্ট দাবি কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছাত্র দলের কমিটির ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমারেখা থাকবে না। আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পর্যন্ত একটা স্বল্প মেয়াদী কমিটি দিয়ে, পরবর্তিতে আরেকটা কমিটি ২০২১ এর জানুয়ারি পর্যন্ত আরেক কমিটি দেয়া। এই দুইটা কমিটি হওয়ার পরে আলটিমেটলি আমাদের নেতৃত্ব একটা পর্যায়ে চলে আসবে। কিন্তু আমাদেরকে যেভাবে আমাদের নেতা-কর্মীরা ত্যাগ, শ্রম, নির্যাতন, গুম, খুন হওয়ার পরে আমরা কেউ ঘরে ঘুমাতে পারি না, বাড়িতে যেতে পারি না। এমতাবস্থায় যদি আমাদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়, আমাদেরকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখা না হয় তাহলে আমরা রাজনৈতিক অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়বো। আমরা রাজনৈতিক নিশ্চিয়তা চাই, আমরা ধারাবাহিক কমিটি চাই।
পার্টি অফিসের সামনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্র দল সভাপতি ফজলুল হক মিলন সাংবাদিকদের কাছে বলেন, বিক্ষোভ থাকতেই পারে-এটা অস্বাভাবিক কিছু না। তাদের দাবি থাকতে পারে, আমাদের যৌক্তিকতাও থাকতে পারে। এটা সমন্বয় করে বাস্তবায়নের দিকে আমরা যাচ্ছি। তাদের বেদনা-ক্ষোভ আমরা শুনবো। সকলের সাথে আলোচনা করে আমরা কাজ করবো। এখানে এখন যেটা হচ্ছে এটাতে আমরা ওরিড না।
পার্টি অফিসের সামনে এসে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন এ্যানি বলেন, আমরা মনে করি যারা আজকে এখানে বিক্ষোভ করছেন তারা আমাদের ছোট ভাই। ওদের যদি সুন্দরভাবে মূল্যায়ন করতে পারে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনে অথবা তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতে পারি তাহলে সমাধানে আমরা আসতে পারবো। আমরা সেই কাজটি অবশ্যই করব। অবশ্যই তাদের সাথে ধীরে ধীরে আলোচনা করব। বিক্ষুব্ধরা বয়সসীমার বিরুদ্ধে এরকম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা তো আমার একার বিবেচনার বিষয় নয়, এটা তাদের সাথে আলোচনা করেই সমাধান ও সমন্বয় হতে পারে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বাইরে থাকা সাবেক ছাত্র নেতারা চলে যেতে দেখা যায়।
বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে তালা দেয়া কার্যালয়ের ভেতর থেকে ১০জন টেনে হিঁচড়ে বের করে নিয়ে আসা হয়। এরমধ্যে ভেতরে থাকা ছাত্রদল পূর্ব শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে বিক্ষুব্ধরা বেধড়ক মারধর করে তৃতীয় তলা থেকে নামিয়ে সিএনজিতে উঠিয়ে দেয়। বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে কার্যালয়ের তালা খুলে ভেতরে ঢুকেন বিক্ষুব্ধ নেতারা। এদের মধ্যে ছিলেন বিলুপ্ত কমিটির আজমল হোসেন পাইলট, আসাদুজ্জামান, ওমর ফারুক মুন্না, মফিজুর রহমান আশিক, আবুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, বাইজিদ আরেফিন প্রমুখ । এই সময়ে বিএনপির দপ্তরের দলিল উদ্দিনও কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
তালা খোলার পর বিক্ষুব্ধরা ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করে। বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে দেয় বিক্ষুব্ধরা। বিক্ষুব্ধ নেতারা বলেন, আমরা ৯/১০ জনকে বের করে দিয়েছি। আমরা দীর্ঘদিন ছাত্র দল করি, কোনো পদবী নাই। এতো দিন থেকেছি কিন্তু যাদেরকে বের করে দেয়া হয়েছে তাদেরকে আমরা চিনি না। তারা টোকাই ও বহিরাগত।
এদিকে বিএনপি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে দলের স্থায়ী কমিটির দুই নেতা সাংবাদিকদের বলেছেন, এটা মান-অভিমান, সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। বিকাল ৫টার দিকে প্রথমে মির্জা আব্বাস এবং সাড়ে ৫টার পর গয়েশ্বর চন্দ রায় নয়া পল্টনের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্র দলের নেতা-কর্মীরা তাদেরকে তালা খুলে দিয়ে প্রবেশ করতে দেয়। দুই নেতাই তৃতীয় তলায় অসুস্থ দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব্ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে যান এবং চিকিৎসকের সাথে তার স্বাস্থ্যের খোঁজন-খবর নেন। সোমবার সকাল থেকে রিজভী অনবরত বমি করতে থাকেন। পরে দলের চিকিৎসকরা তাকে স্যালাইন দিয়ে সেখানেই চিকিৎসা শুরু করে।
মির্জা আব্বাস ৫টার দিকে বিএনপি অফিসে প্রবেশ করেন। তার সাথে দলের নেতা আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরফত আলী সপু, রফিকুল ইসলাম মজনুও যান। ২৬ মিনিট পর বেরিয়ে এসে মির্জা আব্বাস সাংবাদিকদের বলেন, এটা (বিক্ষুব্ধ ছাত্র দলের নেতা-কর্মীদের কর্মসূচি) কিছু না। ওরা মান-অভিমান করেছে, এটা ঠিক হয়ে যাবে।
আপনি দলের নীতিনির্ধারকদের একজন, বিক্ষুব্ধরা কি দাবি জানাচ্ছে প্রশ্ন কর্ াহলে মির্জা আব্বাস বলেন, বিষয়টা সাংবাদিকরা যেভাবে সিরিয়াসলি নিয়েছে বা উপস্থাপন করেছে আসলে বিষয়টি সেরকম সিরিয়াস না। এটা পোলা-পানের কাজ-কর্ম, মান-অভিমানের কাজ। কয়েকদিন আগে ঈদ গেছে। মান-অভিমান হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে। কারো কিছু করতে হবে না। কোনো সালিশ, আলাচনা কিছুই করতে হবে না। ওরা রাগ করেছে, সব ঠিক হয়ে যাবে।
এরপরই কার্যালয়ে প্রবেশ করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি ১৫ মিনিট পর বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, এটা কোনো পরিস্থিতি না যদি আপনারা ফলাও করে প্রচার না করেন। কেউ ব্যথা পেলে চিৎকার দেয়-এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দীর্ঘদিন দলের কতগুলো পদ্ধতিগত কারণে অথবা নিয়মিত কাউন্সিল না হওয়ার কারণে যোগ্য ছেলেরা তাদের আরাধ্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে নাই। সেই বিষয়টা আমাদের বিবেচনা করতে হবে, এরা দলের জন্য পরিশ্রম করে, এরা বাইরের নয়, এরা দলের মঙ্গল চায়। দলের মঙ্গল এবং ওদেরও যতটুকু প্রাপ্যটা আছে তা সমাধান করার পখ আমাদের খুঁজতে হবে। এটা অনেক বড় দল, অনেক কর্মী, অনেক নেতা। আমরা বিরোধী দলে আছি, আমাদের সীমাবদ্ধতাও আছে। এই সীমাবদ্ধতার মূল কারণটা হলো আমাদের নিয়মিত কাউন্সিল হয় নাই। মামলা-হামলা-নির্যাতনের কারণে নিয়মিত এই সাংগঠনিক কাজগুলো হয়নি। এই নিয়মিত সাংগঠনিক কাজগুলো হলে ওরাও ছাত্র দল করার জন্য এতো আগ্রহী হতো না। ওরাও বুঝে এটা।
সমাধান কী দেখছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সমস্যা যেমন আছে, সমাধানও আছে। আলোচনার মাধ্যমে এ্টার সমাধান হবে। রিজভী কেমন আছেন জানতে চাইলে গয়েশ্বর বলেন, তিনি (রজভী) অসুস্থ। তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছে। ডাক্তার সেখানে আছে। তিনি কী হাসপাতালে যাবেন কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা চিকিৎসকরা ঠিক করবেন। কিন্তু কোনো পরিস্থিতি বা এই ঘটনার জন্য তাকে বাইওে (হাসপাতাল) যেতে হবে-এটা যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন না। বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির দুই নেতা অফিস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও বিক্ষুব্ধরা অফিসের সামনেই অবস্থান নিয়ে ছিলো। কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগানো ছিলো। তারা বলছে, দাবি  আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ