শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

শিমুলিয়া ঘাটে এখনো যাত্রীদের চাপ ॥ পরিবহন নৌরাজ্যে জনদুর্ভোগ

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশ দ্বার বলে পরিচিত শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী ও মাঝিকান্দি নৌ-রুটের শিমুলিয়া ঘাট হয়ে ঈদের ছুটিতে যাওয়া ঘরমুখো যাত্রীরা বেশকদিন থেকেই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। আর এতে করে অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপ পরেছে লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে। আর এ কর্মস্থলে ফেরা এসব হাজার হাজার যাত্রীদের জিম্মি করে এক শ্রেণীর বাস মালিক ও লঞ্চ মালিকরা পরিবহন সংকট ও খালি চালিয়ে আসার অজুহাতে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী ও বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে প্রশাষন কঠোর হওয়া সত্ত্বেও কিছুতেই যেন দমছেনা এক শ্রেণীর অসাধু লঞ্চ মালিক ও বাস মালিকরা। সরেজমিনে শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটে গিয়ে দেখাযায় মাদারীপুরের শিবচরের কাঠালবাড়ী ও শরিয়তপুরের জাজিরার মাঝিকান্দি ঘাট থেকে পদ্মা নদী পাড়ী দিয়ে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্তযাত্রী ও ভাড়া আদায় করে লঞ্চগুলো শিমুলিয়া ঘাটে এসে ভিড়ছে। আর এসব লঞ্চ থেকে যাত্রীরা নেমে শিমুলিয়া বাস টার্মিনালে এসে বাসের জন্য লাইনে দাড়িয়ে রয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা। আর এ সুযোগে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের গাংচিল পরিবহন ,ডিএম পরিবহন সহ বেশকটি পরিবহন জনপ্রতি নির্ধারিত ৭০ টাকা ভাড়ার স্থলে ২০০ থেকে ৩০০টাকা করে ভাড়া আদায় করছে। তবে এ রুটের অনেক পরিবহনি চলন্ত পথের রাস্থায় গিয়ে এ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। সরেজমিনে কথা হয় যাত্রী ইমন হেসেনের সঙ্গে তিনি বলেন আমি গাবতলী যাবো বসুমতি পরিবহনে ২০০টাকা করে ভাড়া চাচ্ছে দেখি বাস বেশি আসলে টিকিট কাটুম। এরকম অভিযোগ এ রুটে চলাচলরত একাধীক যাত্রীর। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের  ব্যাপারে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন কাউন্টার সার্ভিস বাসগুলোতে ১০০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছে। আমি সকাল থেকেই ঘাটে রয়েছি যেসমস্ত বাসে যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে সে বাসগুলোর কন্টাকটারের মাধ্যমে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঐ সমস্ত বাস মালিক ও চালকদের সর্তক করা হয়েছে। তবে রাস্তায় গিয়ে কেই যদি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে সে ব্যাপারটি দেখার জন্য শ্রীনগর ও সিরাজদিখানে মোবাইলকোর্ট কাজ করবে বলে তিনি বলেন। এদিকে ফেরী ঘাটে কোন প্রকার যানজট না থাকায় ও এ নৌ-রুটের ১৮ টি ফেরী বিরামহীন ভাবে চলাচল করায় দূর পাল্লার যাত্রীরা কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই শিমুলিয়া ঘাট হয়ে কর্মস্থলে ফিরছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ