মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

সৈয়দপুরে যত্রতত্র সেমাই কারখানা ভেজাল সেমাইয়ে উত্তরের বাজার সয়লাব

নীলফামারী সংবাদদাতা : ভেজাল সেমাইয়ে ছেয়ে গেছে উত্তরাঞ্চলের হাট-বাজার। ঈদকে সামনে রেখে নি¤œমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি এসমস্ত সেমাই বিভিন্ন হাত গলিয়ে পৌচ্ছে যাচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। মজুদ করা হচ্ছে বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ীর গুদামে। নীলফামারী জেলার ব্যবসা প্রসিদ্ধ গিঞ্জি শহর সৈয়দপুরের যত্রতত্র গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন শতাধিক সেমাই কারখানা। কারখানাগুলির অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে মানহীন উপকরণ দিয়ে সেমাই তৈরির হিড়িক পড়েছে। সৈয়দপুর শহরের অলিগলি, পাড়া মহল্লার বিভিন্ন বাসাবাড়িতেও বিভিন্ন নামীদামি কোম্পানির মোড়কে তৈরি হচ্ছে ভেজাল লাচ্ছা ও সেমাই। স্থানীয় কতিপয় প্রেসে ছাপানো অবিকল নকল মোড়কে ভড়িয়ে এসমস্ত সেমাই রাতের আধারে নীলফামারী জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে পৌচ্ছে দেয়া হচ্ছে নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে। সূত্র জানায়, শুধু নীলফামারী জেলাতেই নয় পাশ্ববর্তী জেলা দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারেও পৌচ্ছে দেয়া হচ্ছে এসমস্ত ভেজাল সেমাই। আর অধিক মুনাফা লাভের আশায় স্থানীয় খুচরা ব্যবসাযীরাও মানহীন এসব সেমাই বিক্রির জন্য দোকানে মজুদ করছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুরের তৈরি সেমাইয়ের খ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে কতিপয় মৌসুমী অসাধু ব্যবসায়ী ঈদ এলেই লাচ্ছা সেমাই তৈরিতে ঝুঁকে পড়েন। সৈয়দপুর শহর ছাড়াও শহরতলীর দেবীগঞ্জ, ঢেলাপীরহাট, কামারপুকুর, চিকলীবাজার, চৌমুহনীবাজার, পোড়ারহাট, গোলাহাট, সৈয়দপুর বাইপাস সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় এ সব লাচ্ছা সেমাই তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে। এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন বেকারিতেও তৈরি হচ্ছে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে বিভিন্ন প্রকার সেমাই। বেকারি ছাড়াও বিভিন্ন বাসাবাড়িতে ও ঝুঁপড়িঘড়েও তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার লাচ্ছা সেমাই, বিস্কুট, টোষ্ট, পাউরুটি, বনরুটি, কেক, পেটিক্স, ভেজিটেবলরোল, চানাচুর, কুড়মুড়, হজমি, চকলেট, মরিচগুড়া, হলুদগুড়াসহ নানা পদের খাদ্য সামগ্রী। যার অধিকাংশই নিম্নমানের ভেজাল। কিন্তু দেখার বা বলার যেন কেউ নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ