সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলার হতে পারেনি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তদের অনেকেই

স্পোর্টস রিপোর্টার: আসন্ন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচনে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক তারকা অ্যাথলেট কয়েকজনের জায়গা হয়নি কাউন্সিলার তালিকায়। ইতিমধ্যেই কাউন্সিলরশিপের তালিকা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে জমা দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। ঈদের পরেই এই ফেডারেশনটির নির্বাচন কমিশণ গঠন করবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। দেশের আট বিভাগ এবং বিভিন্ন সংস্থার ১১৫ জন কাউন্সিলরশিপ পেয়েছেন। কিন্তু সেখানে জায়গা হয়নি সুফিয়া খাতুন, শামীমা সুলতানা মিমু, রাজিয়া সুলতানা অনু, নজির আহমেদ মল্লিক, মিলজার হোসেন, নজরুল ইসলাম রুমিদের। ১৯৯৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন সুফিয়া খাতুন, মিমু ও অনু পেয়েছেন ২০০০ সালে, ২০০৪ সালে মিলজার হোসেন এবং নজরুল ইসলাম রুমি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন ২০০৫ সালে। অথচ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলরই হতে পারেননি এই সাবেকরা। খেলোয়াড়ী জীবন যেমন বর্ণাঢ্য, তেমনি সাংগঠনিক জীবনও রঙিন এসএ গেমসে সোনাজয়ী মুজিবুর রহমান মল্লিকের ছোট ভাই আরেক অ্যাথলেট নজির আহেমদ মল্লিকের। বাংলাদেশ অ্যাথলেট অ্যসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মাস্টার্স অ্যাথলেটিক অ্যসোসিয়েশনের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে মাস্টার্স অ্যাথলেটদের খেলাধূলাতেও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। গত পাঁচ মেয়াদেও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন ফেডারেশনে। কিন্তু এবার তার নাম প্রস্তাব করা হয়নি ফেডারেশন থেকেই। এবার ফেডারেশন থেকে প্রস্তাবিত পাঁচজনের নাম হলো- তোফাজ্জল হোসেন, কিতাব আলী, মো. ইয়াহিয়া, সরাফত এবং মাহবুবা ইকবাল বেলি। যদিও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস জাজেস অ্যাসোসিয়েশন থেকেও কাউন্সিলরশিপ পেয়েছেন বেলি। তবে ক্রীড়া পরিষদের পাঁচ প্রতিনিধি চূড়ান্ত করার ক্ষমতা কেবল চেয়ারম্যান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপিরই রয়েছে। এছাড়া ক্রীড়া পরিষদের কোটা পেতে ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন শামীমা সাত্তার মিমু, ডলি রানী সাহা ও কে এম জাহিদ সারোয়ার।অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলরশিপ নিয়েও। অভিযোগে সাবেক অ্যাথলেট খুরশিদা খুশী বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে আমি বাংলাদেশ বেসরকারী শারীরিক শিক্ষা কলেজ সমিতি থেকে কাউন্সিলরশিপ এনেছিলাম। কিন্তু আমারটা বাদ দিয়ে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কুষ্টিয়ার আখতারুজ্জামান মৃধা পলাশকে কাউন্সিলরশিপ দেয়া হয়েছে।’ নির্বাচন এলেই অসহায় পড়ে পড়েন কৃতি ক্রীড়াবিদরা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন পরিষদের সদস্য না হলে ফেডারেশনে নির্বাচন করা যাবে না- ক্রীড়া পরিষদের এমন আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়েন সব ডিসিপ্লিনের কৃতি ক্রীড়াবিদরাই। কারণ জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকেও আসে না তাদের নাম। জেলার সংগঠকরাই ভীড় করেন এসব নির্বাচনে। তাই বাদ পড়েন বর্ষীয়ান ক্রীড়াবিদরা। তাদের জায়গা না হয় জেলাতে, না হয় অন্য কোথাও। আবার ক্রীড়া পরিষদের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হয়। কখনো সফল হলেও ব্যর্থ হতে হয় অনেক সময়েই।এদিকে সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন।তিনি বলেন,‘আমি অ্যাথলেটিকস, ফুটবল, হকি, বাস্কেটবল খেলেছি। খেলোয়াড় থেকেই আজ সংগঠক। আমি মাঠের মানুষ। তাই আবারো সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই কাউন্সিলর হয়েছেন চেঙ্গিস। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ