রবিবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে গুলীবিদ্ধ

কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা: আবার মিঠামইনের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী খাইরুল (২৮) কে ইয়াবাসহ আটকের পর স্বজনেরা পুলিশকে মারপিটে আহত করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে দীর্ঘ সাত ঘন্টার অভিযানে খাইরুল পুনরায় পুলিশের হাতে আটক হলে আবারও তাকে ছিনিয়ে নিতে হামলা চালায় স্বজনেরা। এ সময় দুইপক্ষের মধ্যে গুলী বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে মাদক ব্যবসায়ী খাইরুল পায়ে গুলীবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাতে উপজেলার ঘাগড়া বাজারের পশ্চিম পাশের কবরস্থান এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে গুলীবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়া মাদক ব্যবসায়ী খাইরুলকে শুক্রবার আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে সে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মাদক ব্যবসায়ী খাইরুল ঘাগড়া গ্রামের মৃত কনু মিয়ার ছেলে। সে এর আগেও ইয়াবাসহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিল। আসামী ছিনতাইয়ের খবর থানায় পৌঁছলে মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রব্বানী বিপুল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘ ৭ ঘন্টা অবিরাম অভিযান চালিয়ে একই ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রাম থেকে খাইরুলকে পুনরায় আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রব্বানী জানান, খাইরুলকে পুনরায় আটকের পর থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ঘাগড়া বাজারের পশ্চিম পাশে কবরস্থানের কাছে পৌঁছলে খাইরুলের লোকজন ও আত্মীয়স্বজন পুনরায় তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে খাইরুলের লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলী ছুঁড়ে। উভয়পক্ষে গুলী বিনিময়ের খাইরুলের পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া পুলিশের দুই সদস্যও গুরুতর আহত হন। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশ ৯ রাউন্ড গুলী ব্যবহার করে বলেও ওসি মো. জাকির রব্বানী জানান। এদিকে পায়ে গুলীবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়া মাদক ব্যবসায়ী খাইরুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ