মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মির্জা ফখরুলের শপথ আবশ্যক ছিল -কাদের

স্টাফ রিপোর্টার: বিরোধী দলের যে পারপাস, সেটা তুলে ধরতে মির্জা ফখরুলের শপথ নেয়াটা আবশ্যক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তাদের দাবি সংসদে তুলে ধরে সারা বিশ্বকে জানাতে হবে।
গতকাল সোমবার দুপুরে বনানীর সেতু ভবনে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ না নেয়া সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদে যোগ দিয়েছেন। গণফোরামের দুজনও সংসদে এসেছেন। এই অংশগ্রহণ সংখ্যার দিক থেকে নয়, সংসদে যোগদান তাদের বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির পারপাস সার্ভ করার জন্য।
 যোগদানই যেহেতু করেছেন, সেহেতু ইফেক্টিভ, সবচেয়ে মিনিংফুল বক্তব্য রেখে তাদের বার্তাটা দেশে-বিদেশে সর্বস্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্য মির্জা ফখরুলের যোগদানটা একেবারেই আবশ্যক ছিল। অন্যরা হয়তো তাদের ভয়েস সংসদে উত্থাপন করবেন, সোচ্চার হতে চেষ্টা করবেন। কিন্তু ভারভারিত্বের দিক থেকে আমার মনে হয় মির্জা ফখরুল পারপাসটা ভালোভাবে সার্ভ করতে পারতেন। শক্তিশালী বিরোধী দলের শক্তিশালী বার্তা তিনি দিতে পারতেন।
বিএনপির সংসদে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম, বিএনপির যেসব সদস্য জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, স্থানীয় জনগণ যাদের ভোট দিয়েছেন, দিন যতই যাবে জনগণের পক্ষ থেকে একটা চাপ অনুভব করবেন। এই চাপটা বৃদ্ধি পাবে এবং শেষ পর্যন্ত তারা সংসদে যাবেন। যেতে হবে তাদের।
বিরোধীদের শক্তিশালী ভূমিকা, শক্তিশালী ভয়েস সরকারের জন্য ভালো বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এখন তারা সংসদেও কথা বলবেন, সংসদের বাইরেও কথা বলবেন। এতে করে তাদের ভয়েস আরও লাউডে আসবে। এতে সরকারি দলও উপকৃত হবে। সরকারি দল কোনও ভুল করলে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারবে। তারা যদি রাজপথে কোনও আন্দোলন করে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবো।
 এসময় মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, কাজের সুবিধার জন্য পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন হয়। সময়ের চাহিদা মেটাতে প্রধানমন্ত্রী এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কাজের সুসমন্বয়, গতি, কোয়ালিটি নিশ্চিত করতেই তিনি এটি করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ