শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন ওবায়দুল কাদের

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেই নিজের শারীরিক সুস্থতা ফিরে পাওয়ায় জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানালেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
 গতকাল বুধবার সিঙ্গাপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রওনা দিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন ওবায়দুল কাদের। সেখানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফসহ দলীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানান।
এরপর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত সংবাদিক সম্মেলনে তিনি আবেগ ভরা কণ্ঠে তার চিকিৎসার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, তাকে (প্রধানমন্ত্রী) বলা হয় মাদার অব হিউম্যানিটি। সেই তার কাছে আমি অশেষ ঋণে বাঁধা পড়ে গেলাম।
তার খোঁজ-খবর রাখায় এবং সুস্থতা কামনায় কোরআন শরিফ পড়ে মোনাজাত করায় বঙ্গবন্ধুর অপর কন্যা শেখ রেহানার কাছেও অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।
এছাড়াও দলের সব নেতাকর্মীসহ যারা তার খোঁজ-খবর রেখেছেন, সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেছেন, সবার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানান সেতুমন্ত্রী। চিকিৎসা শেষে ২ মাস ১০ দিন পর দেশে ফিরেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সন্ধ্যা ছয়টার কিছু আগে তাকে বহনকারী বিজি ০৮৫ ফ্লাইটটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। অভ্যর্থনা জানাতে আগে থেকেই বিমানবন্দরে ভিড় করতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা।
এর আগে বুধবার মন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ জানান, দুপুর ২টায় সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্ট থেকে তাকে নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয় বিমানটি। ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তার স্ত্রী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পরিচালক ডা. আবু নাসার রিজভী এবং কিছুসংখ্যক দলীয় নেতাকর্মী রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ হার্ট অ্যাটাকের পর ওবায়দুল কাদেরকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ৪ মে মুমূর্ষু অবস্থায় ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ২০ মার্চ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি হয়। ৫ এপ্রিল তিনি হাসপাতাল ছাড়লেও সেখানে একটি ভাড়া বাসায় ওঠেন। সেখানে থেকে তিনি ফলোআপ চিকিৎসায় ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ