মঙ্গলবার ২৪ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

‘ফণী’ বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে আজ সন্ধ্যায় 

 

# ৭ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা # সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ 

# আজ বিকাল ৫টার মধ্যে মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হবে

স্টাফ রিপোর্টার : ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব পড়েছে সারাদেশে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে না গিয়ে সরাসরি বাংলাদেশের খুলনা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। ফণী মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। প্রস্তুত রাখা হয়েছে সেনাবাহিনীকেও।

ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও মেঘাচ্ছন্ন এবং হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এটি হবে ফণীর অগ্রভাগের প্রভাবে। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৭ ফুট বেশি জলোচ্ছ্বাস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব এলাকায় সেসময় ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ বেগে দমকা বা ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য সমুদ্রে চলাচল করা নৌযান ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচলের জন্য বলা হয়েছে। সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। 

এদিকে ফণীর সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বসবাসকারী লোকজনকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আগেভাগেই বন্ধ রাখা হয়েছে যান চলাচল। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে নৌযানসহ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে। 

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আজ শুক্রবার বিকেল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। পরবর্তীতে উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদফতরে এক ব্রিফিংয়ে আবহাওয়াবিদ সামছুদ্দিন আহমদ জানান, ফণীর গতি বেড়ে এটি আরও শক্তিশালী হয়েছে। শুক্রবার বিকেল কিংবা সন্ধ্যা নাগাদ ফণী সরাসরি কিংবা ভারত হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

এই আবহাওয়াবিদ বলেন, আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল ৪ মের পর এটি আঘাত হানতে পারে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তার আগেই শুক্রবার বিকেল কিংবা সন্ধ্যা নাগাদ এটি সরাসরি কিংবা ভারত হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে। তবে যদি এটি বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত হানে তাহলে সুপার সাইক্লোনের মত রূপ নিতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের ৪৩ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘূর্ণিঝড় হলেও বাংলাদেশের জন্য তেমন কোনো রেকর্ড নেই। কারণ এর আগে ১৯৯১ ও ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় হয়। সেসময়ও বাতাসের গতিবেগ ছিল ২২০ থেকে ২২৫ এর মত। সে তুলনায় ফণীর গতিবেগ সর্বোচ্চ ১৮০ থেকে ২০০ পর্যন্ত হতে পারে। যা বর্তমানে ঘন্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ গতিবেগে চলছে।

এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও মেঘাচ্ছন্ন এবং হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এটি হবে ফণীর অগ্রভাগের প্রভাবে। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ৪ থেকে ৫ ফুট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় সেসময় ঘন্টায় ৯০ থেকে ১০০ বেগে দমকা বা ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য সমুদ্রে চলাচল করা নৌযান ও ট্রলারসগুলোকে সাবধানে চলাচলের জন্য বলা হয়েছে। 

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ যত শক্তিশালীই হোক, তা মোকাবিলা করতে প্রশাসন পুরোপুরি সক্ষম বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ফণী মোকাবিলায় দেশের উপকূলীয় ১৯ জেলাকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’ গতকাল ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এই তথ্য জানান।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় অর্থ, বাণিজ্য, কৃষি, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, নৌপরিবহণ, পানিসম্পদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মহাবিপদ সংকেত দেয়ার সময় এখনও আসেনি। আবহাওয়া অধিদফতরের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ সারারাত ফণীকে পর্যবেক্ষণ করে, সকাল আটটার দিকে প্রয়োজন হলে মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা করা হতে পারে। আমরা এই মুহূর্তে বিপদের মধ্যে আছি, তবে মহাবিপদমুক্ত।’

আজ সন্ধ্যায় ছয়টায় ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ঘূর্ণিঝড়ে মানুষের হতাহতের সম্ভাবনা নাই। তবে, খুলনা অঞ্চলের ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় প্রবল হলে সুন্দরবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেয়া প্রতিবন্ধীদের জন্য অতিরিক্ত যতœশীল হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ফণীর প্রভাবে আক্রান্ত হতে পারে এমন ১৯ জেলার প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়েছে, তাদের প্রস্তুতি ভালো। সাইক্লোন শেল্টারগুলোয় নিরাপত্তার স্বার্থে র‌্যাব ও পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ‘সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নেয়া মানুষের বাড়িঘরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বলা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গবাদি পশুর খাদ্য সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে। শেল্টারগুলোতে বিদ্যুৎ না থাকলে সোলার সিস্টেম থাকতে হবে। সোলার সিস্টেম না থাকলে হ্যাজাকলাইটের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনোভাবেই মোমবাতি ও কূপি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এতে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘ফণীর কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় পুরোপুরি খোলা থাকবে। সচিবালয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একটি করে ইউনিট খোলা রাখতে কেবিনেট ডিভিশনকে বলা হয়েছে। সভায় দুর্যোগ সচিব শাহ কামাল বলেন, ডিসিদের সঙ্গে ভিডিও করফারেন্স হয়েছে। পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামস উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আজ সন্ধ্য্যা ছয়টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়টি মোংলা থেকে ৮৫০ কিলোমিটারের মধ্যে আছে। ঘণ্টায় এর গতিবেগ ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। তবে, যখন বাংলাদেশের খুলনা সীমান্তে প্রবেশ করবে, তখন এর গতিবেগ হতে পারে ১২০ কিলোমিটার। আঘাত হানার আগপর্যন্ত অন্তত আবহাওয়া অফিসে এক সেকেন্ডের জন্যও বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। ১০৯০ নম্বরে কল দিয়ে আবহাওয়ার বিদ্যমান পরিস্থিতি জানা যাবে। এই নম্বরে একসঙ্গে ৬০০ জন ঢুকতে পারবেন।’

শামস উদ্দিন বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের বিকাল ৫টার মধ্যে শেল্টারে আনতে হবে। এজন্য সকাল দশটা থেকে তাদের শেল্টারে নেয়ার কাজ শুরু করতে হবে। কক্সবাজারে এই আশঙ্কা নেই। সাতক্ষীরা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ফিরোজপুর, চট্টগ্রামের নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সন্দ্বীপ, হাতিয়ায় ৫ থেকে ৭ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতে রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, খুলনা অঞ্চলের ১১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, আক্রান্ত জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। জরুরি ওষুধ মজুদসহ উপজেলা পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্স রেডি রাখার কথা বলা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) ড. শামসুল আরেফিন জানান, ডিসিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ডিসি অফিস ও বিভাগীয় কমিশনারের অফিস খোলা রাখতে বলা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এলাকার জন্য ৪৩ টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানান, জেলা পুলিশ ও উপজেলায় থানা পুলিশকে ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়ছে। এজন্য এসব এলাকার পুলিশ, আনসার, বিজিপির সদস্যদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার নদীবন্দরে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়েও কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সদরঘাট ও বরিশাল নদীবন্দর থেকে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বলেন, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ ১৯ জেলার খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের স্টেশনে থাকতে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি বলেন, কেন্দ্রে কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা হয়েছে। উপদ্রুত অঞ্চলে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা প্রস্তুত আছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি বলেন, স্কুলগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সব স্কুলের চাবি দফতরির কাছ থেকে নিয়ে রাখার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিনিধি বলেন, কন্ট্রোল রুম খুলেছি। প্রাণিসম্পদ বিভাগকে বন্যাপরবর্তী সময়ের জন্য গবাদি পশুর স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিত করতে বলেছি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান বলেন, ‘বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে আগেভাগে দুর্যোগ বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে রওনা দেয়ার আগেই এই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। ১৯টি জেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেছি। তারা প্রস্তুত। নজিবুর রহমান আরও বলেন, দুর্যোগে চারটি করণীয়। ঝুঁকি অনুমান, ঝুঁকি পরিমাণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও ক্ষয়ক্ষতির উত্তরণ। এই চারটি কাজ ঠিকমতো করতে পারলে যেকোনো দুর্যোগ সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এমপিরা যেন নিজ নিজ এলাকায় থাকেন, সেজন প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকদের নেতৃত্বে টিম গঠন করে জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী।

সর্বোচ্চ সতর্ক সেনাবাহিনী : সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সর্তকবস্থায় রাখা হয়েছে। সেনাপ্রধান বৃহস্পতিবার সাভার সেনানিবাসের ক্ষুদ্রাস্ত্র ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনী ফায়ারিং প্রতিযোগিতা ২০১৯ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী আগাম কোন নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করে না। কারণ এ বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে সেনাবাহিনীকে স্থায়ী নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর সকল ডিভিশন ও এরিয়া হেডকোয়ার্টারকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট ডিভিশনগুলোর পক্ষ থেকে বেসামরিক প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছে।

দুর্যোগের পূর্বে, দুর্যোগ চলাকালে বা দুর্যোগ পরবর্তী যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাবাহিনী পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ কিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ