বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

কারিতাস কর্তৃক বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপন

চন্দনাইশ উপজেলার ৪ নং বরকল ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে রবিবার সকাল “Universal Health Coverage (UHC) for Primary Health Care (PHC) with focus on equity and Solidarity” সমতা সংহতি নির্ভর সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা” মূলভাব আলোকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০১৯ উদযাপন করা হয়। বরকল ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণ হতে শান্তির পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেআবার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে র‌্যালি শেষ হয়। র‌্যালির পর কারিতাস প্রজনন ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারি মাঠ কর্মকর্তা, মিসেস জসিন্তা দাশ-র সার্বজনীন প্রার্থনা মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠান শুরু হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কারিতাস প্রজনন ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্পের বরকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি আয়েশা আক্তার আজাদী এবং প্রধান অতিথি ছিলেন ৪ নং বরকল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  মো: হাবিবুর রহমান, উপস্থিত ছিলেন  মো: সোলাইমান খাঁন, বরমা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল, ডা: অর্চনা ভট্টাচার্য্য, কানাইমাদারী ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম উচ্চ বিদ্যালয়-র প্রধান শিক্ষক মিন্টু কুমার দাশ শুচিয়া রামকৃষ্ণ উচ্চ বিদ্যালয়-র সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মো: হাবিব, ইউপি সদস্য দিলীপ ভট্টাচার্য্য।
বক্তাগণ বলেন এবারে প্রতিপাদ্য বিষয় “সমতা সংহতি নির্ভর সর্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা” “Universal Health Coverage (UHC) for Primary Health Care (PHC) with focus on equity and Solidarity” মূলভাব আলোকে আলাকপাঠ করেন যারা স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত তাদের সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কে অবগত করা এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য অর্জনে তাদের করণীয় নির্ধারণ করা। ঊন্নত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাই হলো সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূলভিত্তি। স্বাস্থ্য অধিকার মানবাধিকার সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনের মাধ্যমে এ অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব যেখানে বলা হয়েছে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ তার প্রয়োজন অনুসারে যে কোন অবস্থায়, যে কোন স্থানে বসে আর্থিক ঝুঁকি ছাড়া মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পাবেন। মানুষের সারা জীবন বেশীরভাগ স্বাস্থ্যসেবা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় পড়ে।
বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা সুবিধা পেয়ে থাকে ৬২.৫%, শিশুদের টিকাদানের অর্জন ৯৭%, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে ৬৫%, মাতৃ মৃত্যুর হার ২০১৭ সালে প্রতি এক লাখে ১৭২ জন যা ২০১৫ সালে ছিল ১৭৬ জন, প্রতি ১ হাজার জনে নবজাতকের মৃত্যু ২০১৫ সালে ছিল ২০ যা ২০১৭ সালে কমে ১৮.৪ জন। পাঁচ বছরের নিচে শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১ হাজার জনে ২০০০ সালে ছিল ৮৮ জন যা ২০১৭ সালে ৩১ জনে নেমে এসেছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ