মঙ্গলবার ০৯ মার্চ ২০২১
Online Edition

সাংবাদিকদের সুরক্ষায় আইন হচ্ছে -তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: সাংবাদিকদের সুরক্ষায় গণমাধ্যমকর্মী আইন ও সম্প্রচার আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য  সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তিনি বলেন, মতামতের জন্য আইন দুটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, আইন মন্ত্রণালয় দ্রত সময়ের মধ্যে মতামত দিয়ে দেবে। এরপরই আইন দুটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। আজ বুধবার শুরু হওয়া সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে না হলেও এর পরের অধিবেশনে (বাজেট অধিবেশন) আইন দুটি উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইউটিউব, ফেসবুক ও গুগলে দেশের অনেক পণ্যের বিজ্ঞাপন চলে যাচ্ছে। এগুলো থেকে কোনও রাজস্ব পাওয়া যায় না। তাই এগুলোর বিজ্ঞাপনকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
অনলাইনে শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ইউটিউব, ফেসবুক ও গুগলকে শৃঙ্খলায় আনতে যেসব জায়গায় আলোচনা করা প্রয়োজন, সেসব জায়গায় করেছি। এছাড়া শৃঙ্খলায় আনতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য আইসিটি মন্ত্রী এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
রাজস্বের ব্যাপারে মন্ত্রী আরও বলেন, ভারতে এরকম বিশৃঙ্খল অবস্থা নেই। সেখানে ইউটিউব, ফেসবুককে নিবন্ধন করতে হয়। তাই আমরাও যেন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত না হই এবং সব বিজ্ঞাপন যেন ওসব মাধ্যমে না চলে যায়, সেজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
বিদেশী চ্যানেলের প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিদেশী টিভি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশে সম্প্রচারের জন্য যে ডাউনলিংক ফি রয়েছে, এটা খুবই কম। বাংলাদেশী চ্যানেল অন্যান্য দেশে সম্প্রচারের জন্য ডাউনলিংক ফি দেয়া লাগে পাঁচ কোটি টাকা। আর বাংলাদেশে বিদেশী চ্যানেলের ডাউনলিংক ফি মাত্র পাঁচ লাখ টাকা। তাই দেশে ডাউনলিংক ফি বাড়িয়ে সমতা আনাটা অত্যন্ত যৌক্তিক। এ নিয়ে আলোচনা করে পরে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ