সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

হামলাকারীরা সবাই দেশের  ----শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

 ২২ এপ্রিল, বিবিসি/রয়টার্স : দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় রোববার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে চলাকালে গির্জা এবং বিলাসবহুল হোটেল ও অন্যান্য স্থাপনায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০ জনে। তবে হামলায় জড়িত সন্দেহে আটক ৮ জনের সবাই শ্রীলঙ্কান নাগরিক বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলছেন, তার দেশে যে বোমা হামলায় ২১৫ জন নিহত হয়েছেন, তার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আট ব্যক্তিকে আটক করেছে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আটক আট ব্যক্তির পরিচয় থেকে জানা গেছে তারা সবাই শ্রীলঙ্কান নাগরিক। তবে তাদের সঙ্গে বিদেশের কারও যোগাযোগ আছে কি-না এখন সেটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

দেশজুড়ে কারফিউ জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। সেনবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কার এই নারকীয় হত্যাযজজ্ঞের নিন্দা করে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব নেতারা। তারা শ্রীলঙ্কাকে যেকোনো সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

ইস্টার সানডের সকালে তিনটি গির্জা ও তিনটি অভিজাত হোটেলে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুপুরের পর কলম্বোর আরও দুটি স্থানে বোমা হামলা হয়েছে। যার চারটি রাজধানী কলম্বোতে। বাকি দুটির একটি রাজধানীর অদূরে অন্যটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে বাত্তিকোলায়।

গত সোমবার মধ্যরাত থেকে পুরো শ্রীলঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের মিডিয়া ইউনিট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তেই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল জরুরি অবস্থা জারির এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না।

এদিকে রোববারের ওই হামলায় জড়িতরা বিদেশি কোনো সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সহযোগিতা পেয়েছে বলে মনে করছে শ্রীলঙ্কা সরকার। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ