শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

ভ্রমণ যে কত আনন্দের 

এস, এম, মনির : আমি ভ্রমণ পিপাসায় কাতর, নিতান্ত ভ্রমণ পিয়াসী, তাই অবসর পেলেই ছুটে যাই। কখনও সবুজের দেশে বা পাথরের দেশে আবার কখনও বা পানির সা¤্রাজ্যে। সে এক স্তব্ধ অরণ্য ঘেরা, যেখানে কথা হবে নিরবতার সাথে, সবুজের প্রান্তর।

যেখানে কোমল মাদুর বিছায়ে অপেক্ষার প্রহর গুণে ঝরাপাতা। কচি পাতার রূপ। যে অরণ্য মাঝে হরেক রকম গানের সুর বাজে, নিরবে শুনি সে মধুর গান। এমন মধুর সে গান যা শুনলেই পাগল হতে চাওয়া যায়। হয়ত মনের অজান্তেই গেয়ে ওঠতে হয় তাদের সাথে। 

হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছিয়েছি দূর পাহাড়ের দেশে। দৃষ্টি জুড়ানো কারুকার্যে গড়া। যেখানে পাহাড়ের বুকচিরে সূর্য উঠে, অস্ত যায় মুখ লুকিয়ে অন্য পাহাড়ের বুকে। যেখানে মাথা উঁচু করে হাত তুলে দাঁড়িয়ে থাকে পাহাড়। যার নিচ দিয়ে ঝর্ণার প্রবাহিনী বয়ে গেছে। যে ঝর্ণা প্রবাহিনী পগলের মতো ছুটে চলেছে নদীর টানে। ঝর্ণা পেরিয়ে গেলেই আবার উঁচু পাহাড় আর নির্মল বন। ইচ্ছে করে ঝর্ণার বুকে গা ভাসাতে, এ এক অন্য অনুভূতি। পারলে একটি রাত যাপন করবে পাহাড়ি মানুষের সাথে। কাঁপা কাঁপা পায়ে উঠবে পাহাড়ের চূড়ায়, একটি রাত যাপন করো নীলগিরি হিল রিসোর্টে, সকাল হলে সূর্য ঘুম ভাঙাবে। উত্তপ্ত বালুতে হেঁটে যেও অনেক দূরে, যেখান থেকে দাঁড়িয়ে দেখবে অথৈই জল আর জলরাশির পাগল করা নৃত্য। যেখান থেকে দাঁড়িয়ে দেখা মিলবে বিরল এক প্রমের দৃশ্য, যেখানে জল খেলা করে।

আকাশ নামে জলের বুকে, যেখানে সহ¯্র ঢেঁউ এসে আঁছড়ে পড়ে কিনারায়। ভ্রমণ যে কত আনন্দের, কত সুখের তা মর্মে মর্মে অনুভব করেছি। ভ্রমণ এক অন্য অনুভূতির, প্রথম শিকারির প্রথম রোমাঞ্চকর শিকার। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ