বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তির সিদ্ধান্ত খালেদা জিয়া দেননি

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : চিকিৎসার জন্য প্যারোলে মুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত খালেদা জিয়া দেননি বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গণমাধ্যমে নানা খবরের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুপুরে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব স্পষ্টভাবে বলেন, গত দুই-একদিন ধরে একেকটা পত্রিকায় একরম হেড লাইন ছাপা হচ্ছে, একেক পত্রিকায় একেক রকম করে বলছে। আমি নিষেধ করা সত্ত্বেও কিছু মিডিয়া নিজেদের মতো করে বক্তব্য প্রচার করে যাচ্ছে। আমি খুব পরিস্কার করে বলতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য প্যারোলো যাওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে) এর বার্ষিক সাধারণ সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দ্বিতীয় পর্বে কর্ম অধিবেশনে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হয়।
ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও ডিইউজের নেতা শাহীন হাসনাত, এরফানুল হক নাহিদ, দিদারুল আলম ও শাহজাহান সাজুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক, সাপ্তাহিক সোনার বাংলা সম্পাদক ও দৈনিক আমার দেশ এর পরিচালক অধ্যাপক তাসনীম আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজে মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে এম এ আজিজ, কামাল উদ্দিন সবুজ, আবদুস শহিদ, আবদুল হাই শিকদার, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, বাকের হোসাইন, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, মুন্সি আবদুল মান্নানসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
গত পহেলা বৈশাখ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিসাধীন খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাতের বিষয়টি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী খুব অসুস্থ। তিনি এখন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা তার সঙ্গে নববর্ষের দিন গিয়ে দেখা করেছি। নববর্ষের দিন, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর, ঈদের দিন বন্ধু-বান্ধব, আত্বীয়-স্বজনের দেখা করার একটা সুযোগ আছে। আমরা সেই সুযোগটা নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। এখানে নতুন কোনো কিছু আবিস্কার করার কিছু নেই।
একটি ইংরেজী পত্রিকার ইয়েলো জার্ণালিজম করছে অভিযোগ করে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ রেখে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমার আরেকটা অনুরোধ আছে যে, এরকম বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলে নেয়া হলে বোধহয় একটা সঠিক সংবাদ পরিবেশন করা যায়। কোনো একটা ইংরেজী দৈনিকে আজকে আপনার নাম ও তারিখ- সময় দিয়ে দেয়া হচ্ছে কবে যাচ্ছেন তিনি (খালেদা জিয়া)। কোন দেশে যাচ্ছেন। ইটস এ বেরী আন ফেয়ার- বলে আমার কাছে মনে হয়। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, তারা (ইংরেজী দৈনিক ডেইলি স্টার) আমাকে জিজ্ঞাসাও করেছিলেন। আমি ফোনে বলেছি যে, বেইসলেস, এটা একেবারেই বেইসলেস, এর মধ্যে কোনো সত্যতা নেই। তারপরেও খুব বড় করে সেটাকে ছাপানো হয়েছে। আমরা অনুরোধ করবো, এই ধরনের ইয়েলো সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকার জন্য। না হলে জনগন বিভ্রান্ত হয়, জনগন বিভ্রান্ত হলে সেটা আপনার ফল খুব ভালো হয়ে দেখা যায় না।
সোশ্যাল মিডিয়ার খবর প্রচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের নিয়ন্ত্রনে নেই। এই সোশ্যাল মিডিয়া আপনার চরিত্রহননের জন্য একেবারে সবরকমের সাফল্য। এই বিষয়গুলো সংকট। তবে প্রযুক্তির যে বিপ্লব, এ বিপ্লব মানবসভ্যতা পরিবর্তন করে দিচ্ছে। আসলে তাই দিচ্ছে- চিন্তা-ভাবনা, দর্শন, ধ্যান-ধারনা- সবই পাল্টাচ্ছে। এসব কিছুকে নিয়ে আপনাদের যেতে হবে। এটাকে অনেকে বলছেন বৈপ্লবিক পরিবর্তন। আমি মনে করি, এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের (গণমাধ্যম) ভাবা দরকার।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিকে কুলষমুক্ত করতে হবে। এটা ক্লেদাক্ত হয়ে গেছে, এতো নোংরা রাজনীতি হয়ে গেছে যে, এখন ভালো মানুষরা টিকতে পারছে না। সব দলের মানুষের কথা বলছি। আরেক দল সচেষ্টভাবে সেই রাজনীতিকে কুলষিত করে তারা তাদের ফয়দা হাসিল করতে চাচ্ছে, তারা তাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে চাচ্ছে। আমি বলতে চাই, ক্ষমতা কখনো চিরস্থায়ী নয়, চিরদিন থাকে না। পাল্টায়, পাল্টাচ্ছে, সমাজ পাল্টাচ্ছে, মানুষ পাল্টাচ্ছে কিন্তু সত্য কোনো দিন পাল্টায় না। সেই সত্যকে সামনে নিয়ে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে, ন্যায় বিচারকে প্রতিষ্ঠিত করতে আসুন আমরা একসাথে কাজ করি, বিজয়কে ছিনিয়ে নিয়ে আসি। আমাদের গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করি, গণতন্ত্রকে মুক্ত করি।
গণমাধ্যমের অবস্থা তুলে ধরে সাবেক মন্ত্রী বলেন, আমরা জানি, এখন গণমাধ্যমকে পুরোপুরিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। জেনেও অসহায়ত্ব আমাদের সকলকে পেয়ে বসেছে। যখনই এধরনের কর্তৃত্বাবাদী  ও ফ্যাসিবাদী শাসকগোষ্ঠী সমাজের মধ্যে একটা ভীতি-ত্রাস সঞ্চার করে। যে ব্যক্তি এবং সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি যিনি আগে টেলিভিশনে টকসোতে কথা বলতেন, দেখবেন আজ-কাল তাদের অনেককেই দেখা যাচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে যে, তারা কী নিজেরাই আসছেন না, তাদেরকে আসতে দেয়া হচ্ছে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাবে এমন একটা ভীতির সৃষ্টি করা হয়েছে তারা যাতে আসতে না পারেন তার জন্য তার পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কী করতে পারি? আমরা যারা গণতন্ত্রের বিশ্বাস করি, আমরা যারা গণমাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, আমরা যারা জনগনের মৌলিক অধিকারগুলোকে রক্ষা করা বিশ্বাস করি তখন আমাদের কী করণীয় আছে। আমরা জনগনকে সম্পৃক্ত করতে পারি, জনগনের বিকল্প নেই। কেউ আমাদের এই অবস্থার পরিবর্তন করে দিয়ে যাবে না। আমাদেরকে আমাদের চেয়ার দখল করতে হবে। সেজন্য সত্য কথা নিয়ে জনগনের কাছে আমাদের যেতে হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পরে পরেই দেখলাম আমাদের অনেক সাংবাদিকদের চাকুরি চলে গেলো। তারা একটু চেষ্টা করেছিলো যে, খবর গুলো দেয়া যায় কিনা। দিতে পারেনি, চাকুরি চলে গেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন অত্যন্ত প্রবীন সাংবাদিক আছেন যারা অত্যন্ত অভিজ্ঞ, তারা তাদের চাকুরি ফিরে পাচ্ছেন না বা অন্য জায়গায় চাকুরি পাচ্ছেন না- এটাই বাস্তবতা। তিনি বলেন, আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, আজকের গণমাধ্যম অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে একটি শ্রেনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। সেই শ্রেনী শুধুমাত্র শাসকগোষ্ঠীর তোষামদি করে এবং তারা শাসকগোষ্ঠীর চাহিদা মতো একটি রাষ্ট্র নির্মান করতে, সমাজ নির্মান করতে তারা সাহায্য করে। এখানে অনেকে বলেছেন, সাংবাদিকতার মধ্যে একটা শ্রেনী তারা অনেক ভালো আছেন। আর বেশিরভাগ সাংবাদিকদের চাকুরি নেই যারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করেন, যারা দেশপ্রেমিক, যারা উপনিবেশবাদের, যারা আধিপাত্যবাদের বিরোধিতা করেন, যারা সত্যকে সত্য বলতে চান, যারা ন্যায় বিচারের কথা বলেন তাদেরকে পরাজিত করে অবলীলায় এই শ্রেনীটি দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। চাকুরি থাকবে না যদি আপনি এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। চাকুরি হবে না যদি আপনার এই স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সাংবাদিক হন। এটাই বাস্তবতা। এটার সঙ্গে দেশের অর্থনীতি, দেশের রাজনীতি সব কিছুই আজকে পুরোপুরিভাবে এমন একটা শ্রেনীর দখলে চলে গেছে যারা আমাদের দেশের জনগনের যে আকাংখা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তাকে  ধুলিসাত করে দিয়েছে।
দেশের গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত অভিযোগ করে রুহুল আমিন গাজী বলেন, এই সরকার দেশের জনগণের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ আজ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত। সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় গণতন্ত্রেন নেত্রী খালেদা জিয়া আজ কারাগারে। সাংবাদিকদের অধিকার আন্দোলনের এই নেতা বলেন, আমরা যদি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে না পারি তাহলে সাংবাদপত্রের স্বাধীনতা, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব কিছুই থাকবে না। তিনি বলেন, অবস্থা এখন এমন হয়েছে যে, পুরো দেশ গুম-খুনের একটি অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আমরা নিরব দর্শক হয়ে থাকবো কিনা সেটি আজকে প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। তিনি অবিলম্বে বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়াসহ সাংবাদিকদের বিুরদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
শওকত মাহমুদ বলেন, এই সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকতেই গনতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আবদ্ধ করে রেখেছে। আজ যদি আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরে পেতে হয় তাহলে সবার আগে দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শর্টকার্ট কোনো রাস্তা নেই। এইজন্য আমাদের রাজপথে নামতে হবে। সাংবাদিকদের এই নেতা বলেন, একটি মহল মিডিয়াকে নিকৃষ্টভাবে সরকারের দালালীতে ব্যবহার করছে। এদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রকাশ করতে হবে।
এম আবদুল্লাহ বলেন, গত দশ বছরে ৩৫ জন সাংবাদিক খুন হয়েছে। এছাড়া বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হয়েছে ৪৪ জন। বেশ কয়েকজন জেলে আছেন। তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে সাংবাদিকরা দুর্বিসহ অবস্থায় দিনাতিপাত করছে। অনেক মিডিয়া বন্ধ। দিনদিন বেকার সাংবাদিকের সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের একমাত্র পথ গণতন্ত্র। সেই গণতন্ত্র আজ বন্দি। মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান তিনি।
কামাল উদ্দিন সবুজ বলেন, পুরো জাতি আজ এক অন্ধকারে নিমজ্জিত। মানুষ যেভাবে তাদের মত প্রকাশে অভ্যস্ত ছিল আজ সেটি তারা করতে পারছেনা। দেশের গণতন্ত্র আজ নিয়ন্ত্রিত। স্ব্ধাীনভাবে কেউ লিখতে পারছেনা। তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে উত্তোরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আজবান জানান তিনি।
এম এ আজিজ বলেন, দেশে আজ বাক স্বাধীণতা নেই বললেই চলে। কর্তৃত্ববাদী শাসনের নিষ্ঠুরতায় পুরো জাতি আজ নিষ্পেষিত। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট এই সরকারকে এ কাজে সহযোগিতা করছে কিছু মিডিয়া। এদের বিরুদ্ধে আমাদের স্বোচ্চার হতে হবে। 
ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের কর্তব্য হচ্ছে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিৎ করা, বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা, পেশার মর্যাদা সমুন্নত রাখা। কিন্তু আজ দেশে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠিত, যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। বাক স্বাধীনতা নেই বললেই চলে। মিডিয়াগুলো স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারছেনা। তিনি বলেন, গণমাধ্যমে আজ এক ধরণের অস্থিরতা বিরাজ করছে। কথায় কথায় চাকরীচ্যুতি, গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের নামে চলছে প্রতারণা। গণমাধ্যম বন্ধের পক্ষে এক পক্ষ রাস্তাঢ নামলেও সরকার দলিল বলে পরিচিতরা নির্বিকার। সাংবাদিক এ নেতা বলেন,গণমাধ্যম আজ এক কঠিন সময়ের মুখোমুখী। ভিন্নমতের গণমাধ্যমগুলো বন্ধ। অবশিষ্ট যে কয়টি আছে সেগুলোও সরকারি নজরদারি, বিভিন্ন সংস্থার চাপ এবং বিজ্ঞাপন বৈষম্য মোকাবেলা করে কোনো রকমে অস্তিত্ব টিেিকয় রেখেছে মাত্র। তিনি সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নির্বাসিত। এই সভা থেকে আমরা এই অনির্বাচিত সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি। শুধু তাই নয়, এই সভা থেকে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়া, দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়া এবং সকল বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ