সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মোবাইলে ইন্টারনেট প্যাকেজ নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা চরমে

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল : ইন্টারনেট প্যাকেজ নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা চরম স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছে। কতটুকু ইন্টারনেট ব্যবহার হলো, কখন শেষ হলো কিছুই জানতে পারছেন না গ্রাহক। অপারেটরগুলো তাদের দেয়া সময়ের আগেই ইন্টারনেট লাইন বন্ধ করে দিচ্ছে। যেখানে তারা সাত দিনের কথা বলছে সেখানে এমবি থাকা সত্ত্বেও আগের দিনই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। অথচ দেখা যাচ্ছে এমবি এবং সময় দুটিই আছে। এদিকে দিনে-রাতে বিরক্তিকর মেসেজ তো আছেই। অনেক সময় কথা না বললেও টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) গণশুনানিতে অংশ নিয়ে গ্রাহকরা বারবার এসব অভিযোগ করেছেন। কিন্তু অভিযোগের কোনো সমাধানই হচ্ছেনা। বরং সমস্যা বেড়েই চলেছে। মোবাইল ফোন অপারেটর গুলো ‘কারিগরি ত্রুটির’ কথা বলে তাদের দায় শেষ করছে। 
নাবিল নামের এক ব্যাংকার মোবাইল ইন্টারনেটে গ্রামীণফোনের একটি মাসিক (২৮ দিন মেয়াদ) প্যাকেজ ব্যবহার করেন। নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই দু’বার (একবার ১৫ দিনে, আরেকবার ২০ দিনে) ডাটা (ইন্টারনেট) প্যাকেজ অটো-রিনিউ হয়েছে, কোনও ধরনের নোটিফিকেশন এসএমএস পাঠানো ছাড়াই। তিনি জানান, একবার ভোর চারটার সময় প্যাকেজ অটো-রিনিউ হয়েছে। কিন্তু অটো-রিনিউ করার আগে আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়নি আমি নতুন করে প্যাকেজটি নিতে রাজি কিনা। তিনি অভিযোগ করেন,  ওইদিনই বেলা ১১টায় মেসেজ এসেছে ডাটা শেষ, পে অ্যাজ ইউ গো মোড ব্যবহার হচ্ছে। এটা কিভাবে সম্ভব, তা জানতে নাবিল গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগাযোগ করেন। এর তিনদিন পর গ্রামীণফোনের কাস্টমার কেয়ার থেকে ফোনে তার কাছে বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। তিনি  পুরো বিষয়টি অবহিত করেন। তখন কাস্টমার কেয়ারের ওই প্রতিনিধি তাকে জানান, এটা সিস্টেমের ভুলে হয়েছে। সিস্টেম থেকে গ্রাহকের কাছে ভুল ইনফরমেশন যাচ্ছে।
নাবিলের মতো অসংখ্য গ্রাক অভিযোগ করে বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটি’ সবাই এই একই কথা বলে  পার পেয়ে যাচ্ছে। মাঝখান দিয়ে গচ্চা যাচ্ছে গ্রাহকের। এটা দেখবে কে?’ তারা জানান, গ্রাহক যে ইন্টারনেট প্যাকেজ কেনেন তার ৫০ এবং ৮০ শতাংশ ডাটা ভলিউম শেষ হলে অপারেটর থেকে গ্রাহককে মেসেজ পাঠানোর কথা। তারা কোনও মেসেজ পাননা। কেবল ‘পে অ্যাজ ইউ গো’ এর বেলায় মেসেজ পাওয়া যাচ্ছে। এই সমস্যাটি গ্রামীণফোনেরই বেশী বলে জানা গেছে। বারবার অভিযোগ করেও তারা সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না বলে জানান। 
জামিল হোসেন নামে একজন গ্রাহক বলেন, ইন্টারনেটের এত বান্ডেলের ক্ষেত্রে কোনো পলিসি আছে কি? এই বান্ডেলের খপ্পরে পড়ে মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। রাহাত নামে একজন বলেন, আমার নম্বর কেন অপারেটররা অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে দিয়ে দেবে। আমার কাছে গ্রামীণফোন নম্বরে ডায়াপারের ম্যাসেজও আসছে। লতিফুল বারী নামে একজন বলেন, গ্রামীণফোনের ভয়েস কলের উপর ১৭টি প্যাকেজ। বিভিন্ন অপারেটরের অফার আসে। পুরনো অফারগুলো কী বাতিল হয়ে যায়। তা না হলে এই যে নৈরাজ্য, ৮০ পয়সা মিনিট, কেটে নিচ্ছে ২ টাকা। শাহীন নামে একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমার টাকা দিয়ে ইন্টারনেটের মেগাবাইট কেনার পরও মেয়াদ শেষে কেন সেটা একাউন্টে থাকছে না। আবুল বারকাত নামে একজন বলেন, আমি জিপির গ্রাহক। কাস্টমার কেয়ারের সেবা কত নিচে নেমেছে। টেকনিক্যাল কাজ চলছে। ১৫ মাসে সিম রিসাইকেল করলে তার দায়ভার কে নেবে? বাস্তবচিত্র দেখতে হলে গ্রাহক সেজে আপনাকে যেতে হবে। প্রচলিত মূল্যে যেন সিম বিক্রি করতে পারে। ভাল ভাল নম্বরগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে। সাংবাদিক রেজাউল করিম বলেন, বাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াইফাই দেয়ার কথা, কবে দিবে?
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মোবাইল অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহকের এন্তার অভিযোগ। বিভিন্ন কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে দেখা যায় অনেকেই ঘন্টা সময় বসেও অভিযোগ করছেন। কাস্টমার কেয়ারে অভিযোগ করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমাধান না পেয়ে গ্রাহক অভিযোগ করে থাকেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে। সংস্থাটিতে মোবাইল অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। এর বেশির ভাগই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি, দাম, নেটওয়ার্ক সমস্যা, ডাটা ভলিউম নিয়ে। দ্রুত ডাটা শেষ হয়ে যাওয়া, টাকা কেটে নেওয়া, আগের চেয়ে কম সময় ব্যবহার, লো পাওয়ার মোড ব্যবহার এবং ভিডিও না দেখার পরও ডাটা শেষ হয়ে যাওয়ার মতো অসংখ্য অভিযোগ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের। গ্রাহকের অভিযোগ কাস্টমার কেয়ারে বা অপারেটরের শর্টকোডে ফোন করে কোনও সমাধান পাওয়া যায় না। 
বিটিআরসি জানিয়েছে, অপারেটর থেকে গ্রাহক কোনও সমাধান না পেলে কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারেন। কমিশনের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত অভিযোগ ফরম আছে। সেখানে অভিযোগ করলে কমিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখে। এ বিষয়ে কমিশনের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, গ্রাহক যদি তার কেনা প্যাকেজের প্রাপ্য ডাটা বা ভলিউম সঠিকভাবে না পান, তাহলে তিনি প্রথমে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাছে অভিযোগ করবেন। প্রতিকার না পেলে কমিশনে নির্ধারিত ফরম্যাটে অভিযোগ করবেন। কমিশন গ্রাহকের অভিযোগ যাচাই পূর্বক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি জানান, গ্রাহকের অভিযোগ কমিশন সিরিয়াসলি নিয়ে থাকে। অতীতে গ্রাহকদের  ইন্টারনেটসহ অন্য অনেক অভিযোগের  সমাধান দিয়েছে কমিশন। তবে ভিকটিমরা বলছেন, বিচিআরসিও তেমন ব্যবস্থা নেয়না। কারণ তারাও মোবাইল ফোন অপরারেটরদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে।
বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটর্স গ্রুপের (বিডিনগ) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির বলেন, কারিগরি ত্রুটি যেকোনও অপারেটরেরই হতে পারে, বিশ্বের সব অপারেটরেরই হয়। কিন্তু তা যদি দিনের পর দিন চলতে থাকে, তাহলে সেটা একটা বড় সমস্যা। দিনের পর দিন এসব সমস্যা হলে বুঝতে হবে অপারেটরগুলোর সিস্টেমের সফটওয়্যারে কোনও বাগ রয়েছে। সেই বাগ যদি ফিক্স করা না হয়, তাহলে গ্রাহক এই ধরনের সমস্যায় পড়তে পারেন। জানার পরও যদি বাগ ফিক্স করা না হয়, তাহলে বুঝতে হবে সিস্টেমের ‘কারিগরি ত্রুটি’ অপারেটরগুলোর ইনটেনশনাল। কারিগরি ত্রুটি সবচেয়ে সহজ একটা কৌশল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কৌশল অবলম্বন করে অপারেটরগুলো লাভবান হতে পারে। তিনি বলেন, অনেক সময় গ্রাহকের অজ্ঞতার কারণে তার জানার ভুলেও আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। গ্রাহককে জানানোর দায়িত্বটা অপারেটরের। অপারেটরকে এ দায় নিতে হবে।কিন্তু এখন যেভাবে ঘুরিয়ে পেছিয়ে জানানো হচ্ছে, তাতে শিক্ষিত লোকেরাও ক্ষতির সম্মুখীণ হবে।     
জানা গেছে, ইন্টারনেটের ন্যূনতম প্যাকেজের মেয়াদ এখন তিন দিন। গ্রাহকের ডাটা ভলিউম (ইন্টারনেট) শেষ হয়ে গেলে কোনও অপারেটর তার ইচ্ছামতো গ্রাহকের ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নিয়ে ইন্টারনেট সেবা চালু রাখতে পারে না। এটা চালুর আগে গ্রাহকের কাছে অপারেটরদের মেসেজ পাঠাতে হয়। তারপর সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে (পে অ্যাজ ইউ গো, পে পার ইউজ নামে)। অর্থাৎ কোনও প্যাকেজ নয় বা ভলিউম নয় গ্রাহক যতক্ষণ ব্যবহার করবেন ততক্ষণের টাকা দিতে হবে।  উল্লেখ্য,বর্তমানে দেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আট কোটি ৬২ লাখ ৬৮ হাজার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্মার্টফোনে অত্যধিক অ্যাপসের ব্যবহার, ইউটিউবে রিকমেন্ডেড ভিডিও দেখা, জায়গা ভেদে থ্রিজি ও ফোরজির ব্যবহার, উচ্চ রেজুলেশনের ভিডিও দেখা, ফেসবুকের ভিডিও অটো-প্লে অপশন চালু থাকার কারণে ইন্টারনেট প্যাকেজের ভলিউম দ্রুত শেষ হতে পারে। এসব বিষয়ে খেয়াল রাখলে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ডাটা সেভ করতে পারবেন।
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে কমিশনে মোবাইলফোনের গ্রাহকদের অভিযোগ জমা পড়ে ৩৫২২টি। এরমধ্যে বেশি অভিযোগ ছিল গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে। একবছরে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে ১৯৭৩টি অভিযোগ জমা পড়ে।  জানা যায়, বাংলালিংকের বিরুদ্ধে ৬১২, রবির বিরুদ্ধে ৬০৪, এয়ারটেলের বিরুদ্ধে ২২১ ও টেলিটকের বিরুদ্ধে ছিল ১০৪টি অভিযোগ। অভিযোগগুলো জমা হয়েছে ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অভিযোগগুলো ছিল সামাজিক গণমাধ্যম ও সাইবার, মোবাইল সিম ব্লক, মোবাইল ইন্টারনেটের গতি, ট্যারিফ, মূল্য সংযোজিত সেবা, নেটওয়ার্ক সমস্যা, এসএমএস, অনলাইন গেম, কুইজ, ডাটা ভলিউম, মোবাইল আর্থিক সেবা, কলড্রপ, প্যাকেজ মাইগ্রেশন, প্রতারণা ও জালিয়াতি সংক্রান্ত।
গ্রাহকের এসব অভিযোগের ভিত্তিতে অপারেটরগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিশন। ব্যবস্থা গ্রহণের আগে গ্রাহকের অভিযোগ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে থাকে বিটিআরসি। কমিশনের এই উদ্যোগের ফলে গ্রাহক ও অপারেটরের মধ্যে সমঝোতা হয়। অপারেটরের ভুল বা কোনও ধরনের গাফিলতি থাকলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল কোম্পানি থেকে গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিটিআরসি।
জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রামীণফোনের আটটি শর্টকোড বাতিল করে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণ আদায় করে দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে, বাংলালিংকের একজন গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে অটো অ্যাক্টিভেটেড সাবস্ক্রিপশনের বিষয়ে অপারেটরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তীতে বাংলালিংকের সক্ষমতা বাড়ানো হবে এবং এ ধরনের সব সমস্যা দূর করা হবে। সক্ষমতা বাড়ানোর আগ পর্যন্ত এ ধরনের সাবস্ক্রিপশনের (কোনও সেবা গ্রহণ করে গ্রাহক হওয়া) ক্ষেত্রে অপারেটরের পক্ষ থেকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। জানা যায়, কমিশনের মধ্যস্থতায় ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে আসা ৭৪৫টি অভিযোগের মধ্যে ৭৩২টি সমাধান করা হয়। রবির বিরুদ্ধে করা ৩০৮টি অভিযোগের মধ্যে ৩০৫টি, বাংলালিংকের ৩০৪টির মধ্যে ৩০০টি, টেলিটকের ৭২টির মধ্যে ৬৬টি এবং সিটিসেলের দুটির মধ্যে দুটি অভিযোগেরই সমাধান করা হয়েছে।
জানতে চাইলে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কিছু অভিযোগ রয়েছে। সেগুলো আমলে নেওয়া হচ্ছে। আমরা এরইমধ্যে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করেছি। এতে নীতিমালা,আইন ইত্যাদি আছে। ফলে কেউ যদি ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে প্রাপ্য সেবা না পেয়ে অভিযোগ করেন, তাহলে তার প্রতিকারের ব্যবস্থা আছে। মন্ত্রী আরও  হলেন, মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তুলনায় অপারেটরগুলোর সক্ষমতা কম। নেটওয়ার্কও দুর্বল। ফলে তারা ঠিক মতো সেবা দিতে পারছে না। তিনি জানান, কোনও ভুক্তভোগীর যদি কোনও অপারেটরের ইন্টারনেট সেবা পছন্দ না হয়, তাহলে তিনি এমএনপি (নম্বর না বদলে অপারেটর পরিবর্তন) সেবা নিতে পারেন। গ্রাহক চলে গেলে অপারেটর সতর্ক হবে। ক্ষমতা তো এখন গ্রাহকের হাতে। তিনি আরও  জানান, মোবাইল অপারেটরের একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধে এসএমপি ও মানসম্মত সেবার জন্য কোয়ালিটি অব সার্ভিস নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এগুলো সব গ্রাহকের জন্য। মোস্তাফা জব্বার বলেন, শুধু ইন্টারনেট নয়, ভয়েস কলের বেলায় কোনও অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখা হবে। কোনও অবহেলা পেলে, অনিয়ম পেলে সেই অপারেটরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ