বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

হাজ্জে অজ্ঞতাবশত ভুল-ত্রুটি

শাইখ আব্দুল্লাহ আল মামুন : সম্মানিত পাঠক! আমাদের দেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতি বছর হাজ্জব্রত পালনে লক্ষ লক্ষ লোক ছুটে যায় বায়তুল্লাহয় মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে, জান্নাত পাবার আশায়, যেহেতু আল্লাহ তা’আলা সমর্থবানদের জন্য হাজ্জকে ফরয করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, অর্থাৎ- কবুল হাজ্জের বিনিময় হলো জান্নাত। সহীহুল বুখারী- হা: ১৭৭৩...]
তাই আমরা যারা হাজ্জ করতে যাচ্ছি আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এত অর্থ, শ্রম ব্যয় করে হাজ্জে যাচ্ছি। তাই সম্ভব্য চেষ্টা করতে হবে যেন এতে কোন ভুলত্রুটি না হয়। আমরা বিভিন্নভাবে হাজ্জের নিয়ম-কানুন হয়ত বা জানি তারপরেও অনেকে স্বাভাবিকভাবেই অতি সাধারণ মনে করে কিছু ভুল করেই বসেন। তাই আমাদের সতর্ক হওয়া জরুরি যেন আমরা যথাযথ হজ্জ সম্পন্ন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হই। নিচে উল্লেখযোগ্য কিছু ভুল-ত্রুটি উল্লেখ করা:
ক. মীকাত ও ইহরাম সম্পর্কিত ভুল-ত্রুটি : ১. হাজ্জ কিংবা ‘উমরার নিয়্যাত থাকা সত্ত্বেও ইহরাম না বেঁধেই মীকাত অতিক্রম করা।
২. ইহরামের কাপড় পরিধান করার পর থেকে ইযতিবা করা ও তাওয়াফ শেষে ইযতিবা অবস্থাতেই দু’রাকা’আত সালাত আদায় করা। ইযতিবা অর্থ চাদরের দু’প্রান্ত বাম কাঁধের ওপর রেখে দিয়ে ডান কাঁধ উন্মুক্ত রাখা। ইযতিবা করাতে হয় তাওয়াফ করার সময়।
৩. ‘উমরার নিয়্যাতের সময় : হাজ্জের নিয়্যাত বলা ছাড়া অন্য কোন শব্দে নিয়্যাত পাঠ করা। খ. তালবিয়া পাঠ সম্পর্কিত ভুল-ত্রুটি : ১. অনেকে দলবদ্ধভাবে একই স্বরে তালবিয়া পাঠ করে থাকেন। পূর্বে একজন বলেন পরে সবাই সমস্বরে বলেন। এরূপ করা ভুল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও সাহাবাগণ। এভাবে তালবিয়া পাঠ করেননি। তারা প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্নভাবে উচ্চস্বরে তালবিয়া পড়তেন। তবে যদি কেউ না জানে শিক্ষার জন্য অন্যের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। গুরুত্ব দিয়ে তালবিয়া মুখস্থ করতে হবে ও বিশুদ্ধভাবে পাঠ করতে হবে।
গ. হারামে প্রবেশের সময় ভুল-ত্রুটি: ১. পবিত্র হারামে প্রবেশের সময় অনেক হাজী এমন কিছু দুআ পাঠ করে থাকেন যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হয়নি। অথচ সংগত হলো মাসনূন দু’আ পাঠ করা। ২. মাসজিদুল হারামের নির্দিষ্ট একটি দরজা দিয়ে প্রবেশ জরুরি মনে করা। বরং যে কোন দরজা দিয়েই মাসজিদুল হারামে প্রবেশ করা সঙ্গত।
ঘ. তাওয়াফের সময় ভুল-ত্রুটি : ১. তাওয়াফের প্রত্যেক চক্করের জন্য বিশেষ কোন দু’আ নির্দিষ্ট করা ও তা পড়া।
২. তাওয়াফের সময় একজন নেতৃত্ব দিয়ে উচ্চস্বরে দুআ পড়া ও অন্যরা সমস্বরে তার অনুকরণ করা।
৩. অনেকেই মনে করেন, হাজরে আসওয়াদ চুম্বন না করলে হাজ্জ শুদ্ধ হবে না, এ ধারণা ঠিক নয়। বরং সম্ভব হলে হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন-স্পর্শ করা সুন্নত। পক্ষান্তরে সম্ভব না হলে কেবল ইশারা করাই সুন্নত।
৪. কেউ কেউ রুকনে ইয়ামেনিকে চুম্বন করে থাকে। এটা ঠিক নয়, বরং সম্ভব হলে কাউকে কষ্ট না দিয়ে ডান হাত দিয়ে রুকনে ইয়ামেনিকে স্পর্শ করা ও। স্পর্শের পর হাতে চুম্বন না করা। স্পর্শ করা সম্ভব না। হলে, এ ক্ষেত্রে হাতে ইশারা করার কোন বিধান নেই।
৫. তাওয়াফের সময় কেউ কেউ কাবার দেয়াল স্পর্শ করেন, অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামেনি ছাড়া আর কিছু স্পর্শ করেননি। তাই তা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬. তাওয়াফের সময় কেউ কেউ হাতীমের ভিতর দিয়ে প্রবেশ করে থাকে। এরূপ করলে তাওয়াফ হবে না। কেননা হাতীম পবিত্র কাবার অংশ হিসেবে বিবেচিত।
৭. অনেকই তাওয়াফের সময় সাত চক্করেই রামল করেন, এরূপ করা উচিত নয়। নিয়ম হলো, কেবল প্রথম তিন চক্করে রামল করা, আর বাকি চক্করগুলোতে স্বাভাবিকভাবে চলা। উল্লেখ্য যে, রামল অর্থ-দ্রুত চলা।
৮. তাওয়াফের সময় অনেকেই মাকামে ইবরাহীমকে হাত অথবা রুমাল-টুপি দিয়ে স্পর্শ করে থাকে, এরূপ করা মারাত্মক ভুল।
৯. বিদায়ী তাওয়াফের পর পবিত্র কাবার সম্মানার্থে উল্টো হেঁটে বের হওয়া সংগত নয়। বরং সাভাবিকভাবেই ফিরে আসতে হবে।
১০. অনেকের ধারণা-মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে। ছাড়া মাসজিদের অন্য কোথাও তাওয়াফের। দু’রাকা’আত সালাত আদায় করা যাবে না। এ ধারণাও সঠিক নয়। বরং সম্ভব হলে মাকামে ইবরাহীমে সালাত আদায় করবে সম্ভব না হলে হারামের যে কোন স্থানে পড়ে নিবে। সাঈ করার সময় ভুল-ত্রুটি : ১. সা’ঈর নিয়্যাত মুখে উচ্চারণ করে পড়া। বরং মনে মনে নিয়্যাত করতে হবে।
২. মারওয়া পাহাড় থেকে সাঈ শুরু করা। বরং সাফা পাহাড় থেকে সাঈ শুরু করতে হবে। ৩. সাফা পাহাড়ে উঠে সালাতের তাকবিরের ন্যায় দু’হাত উঠিয়ে ইশারা করা। শুদ্ধ হল দু’হাত তুলে শুধু দুআ করা।
৪. কেউ কেউ মনে করেন, সাফা থেকে মারওয়া এবং মারওয়া থেকে সাফায় ফিরে এলে সাঈর এক চক্কর সম্পূর্ণ হয়। এ ধারণা ভুল। বরং সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত গেলেই এক চক্কর সম্পূর্ণ হয়ে যায়।
৫. সাফা থেকে মারওয়া এবং মারওয়া থেকে সাফা পর্যন্ত সাঈ করার পুরো সময়টাতে দ্রুত চলা ভুল। সাঈর সময় কেবল সবুজ দুই চিহ্নের মধ্যবর্তী স্থানে দ্রুত চলতে হবে।
৬. কেউ কেউ সাঈ করার সময়ও ইযতিবা করে থাকে। এটা ভুল। ইযতিবা কেবল তাওয়াফে কুদুমের সময় করতে হয়।
৭. পুরুষদের জন্য সবুজ চিহ্নের মাঝে সাঈ তথা দৌড়ে না চলা। বরং দৌড়ে চলতে হবে।
৮. সাঈর প্রত্যেক চক্করের জন্য আলাদা দুআ পাঠ করা। বরং প্রতি চক্কর শেষেই চাহিদামত দু’আ করবে।
ঙ. হলক কিংবা কসরের সময় ভুল-ত্রুটি : ১. মাথা মু-ন বা চুল ছোট করার সময় সম্পূর্ণ মাথা পরিব্যাপ্ত না করা। কেউ কেউ একাধিক ‘উমরাহ আদায়ের লক্ষ্যে এরূপ করে থাকে যা সুন্নাতের খিলাফ ও ভুল। কারণ একটি সফরে একাধিক ‘উমরাহ করা ঠিক নয়।
২. সাঈর পর বাসায় গিয়ে স্বাভাবিক কাপড়-চোপড় পরে হলক-কসর করা। অথচ নিয়ম হলো ইহরামের কাপড় গায়ে থাকা অবস্থায় হলক-কসর করা।
চ. ৮ যিলহাজ্জ-এ ভুল-ত্রুটি : ১. ৮ তারিখে মিনাতে না এসে সরাসরি আরাফায় চলে যাওয়া।
২. পুরুষের ক্ষেত্রে উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ না করা।
৩. মিনাতে জায়গা থাকা সত্ত্বেও মিনার বাইরে অবস্থান করা।
 ছ. আরাফা দিবসের ভুল-ত্রুটি :  ১. আরাফার সীমানায় প্রবেশ না করেই উকুফ করা এবং সূর্যাস্তের পর মুযদালিফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া।
২. আরাফা মনে করে মাসজিদে নামিরার সম্মুখভাগে উকুফ করা। অথচ এ অংশটি আরাফার সীমানার বাইরে।
৩. জাবালে আরাফাকে জাবালে রহমত বলা। তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় মনে করা এবং সেখান থেকে বরকতের আশায় পাথর সংগ্রহ করা।
৪. কিবলাকে পিছনে রেখে জাবালে আরাফার দিকে মুখ করে দুআ করা।
৫. সূর্যাস্তের পূর্বেই মুযদালিফার উদ্দেশ্যে আরাফাহ থেকে বের হয়ে যাওয়া।
জ. উকুফে মুযদালিফার ভুল-ত্রুটি : ১. ধীর-স্থির ও শান্ত ভাব বজায় না রেখে হুলস্থুল করে মুযদালিফার পথে রওয়ানা হওয়া।
২. মুযদালিফায় পৌঁছার পূর্বে পথেই মাগরিব-ইশা আদায় করে নেয়া।
৩. সালাত, কুরআন তিলাওয়াত, যিকর-আযকারের মাধ্যমে মুযদালিফায় রাত্রিযাপন করা।
৪. মুযদালিফায় উকুফ না করে তা অতিক্রম করে মিনায় চলে যাওয়া।
৫. সূর্যোদয় কিংবা তারও পর পর্যন্ত মুযদালিফার উকুফকে প্রলম্বিত করা। কেননা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সূর্যোদয়ের পূর্বেই মিনার উদ্দেশ্যে। যাত্রা করেছিলেন।
ঝ. কঙ্কর নিক্ষেপের ভুল-ত্রুটি : মুযদালিফা থেকে কঙ্কর কুড়িয়ে না নিলে কঙ্কর নিক্ষেপ শুদ্ধ হবে না বলে ধারণা করা। জামরাতে শয়তান রয়েছে মনে করে। কঙ্কর নিক্ষেপের সময় উত্তেজিত হয়ে নিক্ষেপ করা। স্তম্ভের গায়ে কঙ্কর না লাগলে কঙ্কর নিক্ষেপ শুদ্ধ হবে বলে ধারণা করা। বরং হাউজের মধ্যে যেকোন জায়গায় পড়লেই কঙ্কর নিক্ষেপ শুদ্ধ হবে। মুস্তাহাব মনে করে কঙ্কর ধুয়ে পরিষ্কার করা। নিজে সক্ষম। হওয়া সত্ত্বেও ভিড়ের ভয়ে অন্যকে দিয়ে কঙ্কর নিক্ষেপ করানো। ১১ ও ১২ তারিখে সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বে কঙ্কর মারা। প্রতি জামারাতে ৭টির বেশি কঙ্কর মারা এবং প্রতিদিন দুই কিংবা তিনবার করে কঙ্কর মারা। প্রথম ও মধ্যম জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপের পর দু’আ করার জন্য না দাঁড়ানো। ৭টি কঙ্কর একবার মুষ্টিবদ্ধ করে নিক্ষেপ করা।
অন্যান্য ভুল-ত্রুটি: আইয়ামে তাশরীকে মিনায় অবস্থান না করা।
১. হারাম সীমানার বাইরে ‘হাদী জবেহ করা। কুরবানির জন্য উপযুক্ত কিনা তা যাচাই না করে। কুরবানি করা।
২. কুরবানি করার পর নিজে না খেয়ে এবং ফকিরমিসকিনকে না দিয়ে ফেলে দেয়া। ঈদের দিনের আগে কুরবানি করা।
৩. কঙ্কর নিক্ষেপের কাজ শেষ করার পূর্বেই বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করা এবং কঙ্কর নিক্ষেপ করে সরাসরি নিজ দেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাওয়া। বিদায়ী। তাওয়াফের পর যাত্রার ব্যস্ততা ব্যতীত বিনা প্রয়ােজনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা। বিদায়ী তাওয়াফের পর। কাবার দিকে তাকিয়ে হাত নেড়ে বিদায় জানানো। কিংবা কাবাকে সামনে রেখে উল্টো হেঁটে মাসজিদ থেকে বের হওয়া।
মাদীনাহ্ মুনাওয়ারা যিয়ারতকালে ভুল-ত্রুটি : ১. মাদীনাহ্ যিয়ারত হাজ্জের অংশ বলে মনে করা।
২. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কবর। যিয়ারতকালে কবরের চারপাশের দেয়াল বা লোহার জানালাগুলো স্পর্শ করা, চুম্বন করা এবং বরকত লাভের উদ্দেশ্যে জানালায় সূতা বা অনুরূপ কিছু বাঁধা।
৩. অভাব পূরণের জন্য কিংবা বিপদ থেকে পরিত্রাণের জন্য রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে দু’আ করা। কোন কিছুর জন্য দুআ কেবল মহান আল্লাহর কাছেই করার বিধান রয়েছে।
৪. মাসজিদে নববীর ভিতর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি। ওয়াসাল্লাম)-এর মিহরাব ও উসমানী মিহরাবে দু’রাকাআত সালাত আদায় করা ও একে বরকতময় মনে করা।
৫. মাসজিদে নববীর দেয়াল, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মিহরাব ও মিম্বার বরকতের উদ্দেশে স্পর্শ করা, কিংবা এতে চুম্বন করা।
৬. উহুদ পাহাড়ের বিভিন্ন গুহায় যাওয়া এবং বরকত লাভের আশায় ছেঁড়া কাপড় বা নেকরা বাঁধা এবং । সেখানে এমন-সব কাজ করা যাতে মহান আল্লাহর ও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অনুমতি নেই।
৭. এ ধারণা পোষণ করে কিছু স্থানের যিয়ারত করা যে, এগুলো রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিদর্শন। যেমন- উষ্ট্রীর বসার স্থান, আংটি কূপ (যে কূপে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আংটি পড়ে গিয়েছিল] অথবা উসমান (আলাইহিস্ সালাম)-এর কূপ। অথবা বরকত লাভের আশায় এ সমস্ত স্থান হতে। মাটি সংগ্রহ করা।
৮. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কবরের পাশে গিয়ে উচ্চস্বরে দুআ পাঠ করা এবং এ ধারণা করে সেখানে দীর্ঘক্ষণ দু’আ করতে থাকা যে, এ স্থান দুআ কবুলের বিশেষ স্থান। মাসজিদে নববীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ রাকআত সালাত আদায় ওয়াজিব মনে করা। বাকি কবরস্থান ও উহুদের শহীদদের কবরস্থানে গিয়ে তাদের কবর যিয়ারতকালে কবরে শায়িত ব্যক্তিদের আহ্বান করা এবং কল্যাণ-বরকত লাভের আশায় যেখানে টাকা-পয়সা নিক্ষেপ করা।
সাত মাসজিদ নামক স্থানে গিয়ে ফযীলাত লাভের উদ্দেশে প্রত্যেকটি মাসজিদে দু’রাকআত করে সালাত আদায় করা। মাদীনায় থাকাকালীন সময়ে খালি পায়ে চলা এ বিশ্বাসে যে মাদীনায় জুতা পরিধান করা উচিত নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল হাজীদের নির্ভুলভাবে হাজ্জের কার্যাবলী সম্পন্ন করার তাওফীক দান করুন -আমীন।
লেখক : অফিস সেক্রেটারী, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ