বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভ

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে ফেরার পথে বাঘাইছড়ির নয় মাইল এলাকায় উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ৮ জন নিহত এবং ১৬ জন আহত হওয়ার ঘটনায় যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া এবং পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহাদাৎ ফরাজি সাকিব। আজ বুধবার সকাল ১১টায় তিন জেলায় বিক্ষোভ মিছিলের পর পরবতী কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে বলে ও বিবৃতিতে জাননো হয়।
এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক ভাবে  খাগড়াছড়ি শহরে পিবিসিপির জেলার সিনিয়র সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদ খাগড়াছড়ি জেলার নেতা কর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন পিবিসিপির পৌর শাখার নেতা নয়ন, কামরুল, সাওনসহ অসখ্য নেতৃবৃন্দ। অন্যদিকে রাঙ্গামাটি শহরে এই ঘৃণ্য ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যা ৭ টায় মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্রপরিষদ রাঙ্গামাটি জেলার নেতা কর্মীরা। জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপত্ত্বিতে এসময় উপস্থিত ছিলেন পিবিসিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান জেলা সদস্য মোঃ জাবেদ নাগরিক পরিষদের জেলা সদস্য সচিব ছগির আহম্মদ কৃষি ডিপ্লোমা কমিটির সভাপতি আবু নাঈমসহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, এই নিন্দনীয় ঘটনার সাথে জড়িত উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় পার্বত্যবাসী কে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন নেতারা। বিবৃতিতে পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়া এবং পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাহাদাৎ ফরাজি সাকিব  বলেন, ইউপিডিএফ এবং জেএসএস এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠন গুলো সব সময় পার্বত্য এলাকাকে নৈরাজ্যপূর্ণ এলাকায় পরিণত করেছে। তাই এসব সন্ত্রাসী অস্ত্রধারি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করার দাবী জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ