শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
Online Edition

নারায়ণগঞ্জে চিকিৎসকদের অবহেলায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা: নগরীর খানপুরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় মেরাজ (১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুটির পরিবারের লোকজন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে শিশুটিকে বিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে দাবি করে মৃত্যুর জন্য পরিবারের লোকজনকেই দায়ী করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। শুক্রবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় শিশুটিকে বমি প্রতিরোধক ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষনের মধ্যেই মেরাজের মৃত্যু হয়। নিহত মেরাজ সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকার রমজান আলীর ছেলে।

মেরাজের বাবা রমজান আলী বলেন, বৃহস্পতিবার বন্ধুদের সঙ্গে বারুদের বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে পাঁয়ে ব্যথা পায় মেরাজ। এরপর রাত ১০টার দিকে আমরা তাকে খানপুরে অবস্থিত ৩’শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা ব্যান্ডেজ করে দেন।

শুক্রবার দুপুরে মেরাজের বমি শুরু হলে বিকেলে আবারও হাসপাতালে নিয়ে আসি। এসময় অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও চিকিৎসকদের কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে চিকিৎসক এসে মেরাজকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে একটা ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার ২ মিনিট পরেই মেরাজের মৃত্যু হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ৩শ’ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অমিত রায় বলেন, ছেলেটি আসার পরেই আমরা বুঝেছি তার অবস্থা গুরুতর। তার ক্ষতস্থান থেকে ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাই দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছি। কিন্তু তারা ঢাকায় না নিয়ে বারবার আমাদের কাছে অনুরোধ করছিল। আমাদের ধারণা অনুযায়ী ছেলেটা হয়তো পথিমধ্যেই মৃত্যুবরণ করতো, কিন্তু সেটি তো আর রোগীর পরিবারের সামনে বলা যায় না। সর্বশেষে তারা স্যালাইন দেওয়ার অনুরোধ করলে আমরা তার বমি ঠেকাতে একটি ইনজেকশন ও স্যালাইন দেই। তারপরেই ছেলেটি মৃত্যুবরণ করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ