বুধবার ২৫ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

এ ধরনের জঘন্য ঘটনা মানবাধিকারের চরম লংঘন এবং মানবতাবিরোধী

স্টাফ রিপোর্টার : নিউজিল্যান্ডের নূর মসজিদে জু’মআর নামাজের সময় খ্রিস্টান সন্ত্রাসীর নৃশংস ও পৈশাচিক হামলায় অর্ধশত নিহত ও শতাধিক মুসল্লি আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল শনিবার বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ বলেন, এ ন্যক্কারজনক অমুসলিম জঙ্গি হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং ইহা ইসলামের দুশমন ও অমুসলিম জঙ্গিদের সুপরিকল্পিত ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রেরই অংশ।

মসজিদ মিশন : নিউজিল্যান্ডের নূর মসজিদে জু’মআর নামাজের সময় অমুসলিম সন্ত্রাসীর নৃশংস ও পৈশাচিক হামলায় অর্ধশত নিহত ও শতাধিক মুসল্লি আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে মসজিদ মিশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন ও সেক্রেটারি জেনারেল ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, এ ন্যক্কারজনক অমুসলিম জঙ্গি হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং ইহা ইসলামের দুশমন ও অমুসলিম জঙ্গিদের সুপরিকল্পিত ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রেরই অংশ। এ সন্ত্রাসী জঙ্গি হামলার ঘটনায় আমরা বাকরুদ্ধ, গভীরভাবে শোকাহত। নামাজরত মুসল্লিদের ওপর এমন জঘন্য হামলা এবং নিরীহ মানুষ হত্যার ঘটনা নজিরবিহীন। মসজিদে মুসল্লিদের ওপর নারকীয় হামলা বর্বরতার ইতিহাসে আরেকটি নজির। যা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। এ হামলা ইসলাম বিদ্বেষী, নাস্তিক, মুরতাদদের ইসলাম ধ্বংসের চক্রান্তেরই অংশ। বর্তমানে সারা দুনিয়ার মুসলমানরা ইসলামবিদ্বেষী সন্ত্রাসীদের পরিকল্পিত হামলার শিকার। আমরা নামাজরত মুসল্লিদের ওপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলাকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আওতায় আনার জন্য ইন্টাপোল, জাতিসংঘ, ওআইসিসহ সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি জোর অনুরোধ জানাচ্ছি। 

ইসলামী আন্দোলন : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের বন্দুক হামলায় অর্ধশতাধিক মুসল্লী হত্যাকা-ের ঘটনায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ইঙ্গ-মার্কিন গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে টেরোরিস্ট আখ্যা দিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে আসছে। অথচ ইতোপূর্বেও বিভিন্ন ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে বিভিন্ন ধর্মের লোকেরা সন্ত্রাসের সাথে সরাসরি জড়িত। আজকে নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলায় জড়িতদের নাম প্রকাশ হয়েছে। তারাও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। এই হামলায় যে কারণ’ই উল্লেখ করা হোক না কেন, আমরা মনে করি এ হামলা বিশ্ব মুসলিমের উপর হয়েছে। আমাদের ভাইদের শাহাদাতের ঘটনায় আমরা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। তিনি অবিলম্বে এ হামলার আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেন এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

গত শুক্রবার বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের বন্দুক হামলায় অর্ধশতাধিক নামাজরত মুসল্লী হত্যার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূূম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, জান্নাতুল ইসলাম, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ফজলুল হক মৃধা প্রমুখ।

সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, আজকের হামলাকে কেন্দ্র করে নিউজিল্যান্ডের সকল মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হামলার জন্য তো মুসল্লিরা দায়ি নয়, তারপরও মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হলো কেন? অবিলম্বে সকল মসজিদ খুলে দিতে হবে এবং মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়ে পুরানা পল্টন, দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় এসে সমাপ্ত হয়।

চট্টগ্রাম সম্মিলিত ওলামা-মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ: ক্রাইস্টচার্চে আল নুর মসজিদে জু‘মার নামাজে শ্বেতাঙ্গ অষ্ট্রেলীয় নাগরিক ব্রেনটন ট্যারেন্ট কর্তৃক জঙ্গী সন্ত্রাসী ভয়াবহ সশ¯্র হামলায় ৩ জন বাংলাদেশীসহ ৪৯ জন নিহত ও অনেকে আহত হওয়ায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক ও আহতদের প্রতি সমবেদনা এবং সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে সম্মিলিত ওলামা- মাশায়েখ পরিষদ চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন।  

বিবৃতিতে ওলামা-মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধরণের জঘণ্য ঘটনা চরম মানবাধিকার লংঘন এবং মানবতাবিরোধী। আমরা এর নির্মম ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি এ ঘটনা ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষজনিত। আমরা এ মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। আমাদের মনে হয় নিউজিল্যান্ডের পুলিশ প্রশাসন মুসলমানদের জন্য কোন নিরাপ্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আল্লাহর রহমত যে বাংলাদেশী ক্রিকেটাররা প্রাণে বেঁচে গেছেন সে জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার শোকরিয়া আদায় করছি।

ওলামা-মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে আরো বলেন, বিশ্ববাসীর মত আমরাও বিস্মিত। আমরা নিউজিল্যান্ড সরকারের নিকট অবিলম্বে এই হত্যাকা-ের সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের জোর দাবী জানাচ্ছি। 

বিবৃতিদাতা ওলামা-মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ হলেন, ড. অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ আবু নোমান, অধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুবুল হক, অধ্যক্ষ মাওলানা আ.ন.ম.সলিমুল্লাহ্, ড. হেলাল উদ্দিন মুহাম্মদ নোমান, ড. প্রফেসর মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, ড. অধ্যক্ষ এ.টি.এম.তাহের, মাওলানা মুনিরুল মন্নান, মাওলানা মাহমুদুর রহমান, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুফতি মামুনুর রশিদ নুরী, মাওলানা অধ্যাপক লিয়াকত আখতার ছিদ্দিকী, মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, অধ্যক্ষ মাওলানা মিয়া মুহাম্মদ হোসাইন শরীফ ও অধ্যক্ষ নুরশেদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

ইসলামী ঐক্য আন্দোলন: ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মাওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী ও সেক্রেটারি জেনারেল ড. মাওলানা মুহাম্মদ এনামুল হক আজাদ এক বিবৃতিতে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরে দুটি মসজিদে খ্রিস্টান সন্ত্রাসীদের হামলায় অর্ধ-শতাধিক মুসল্লী হত্যাকা-ের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। 

নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকা-ের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমুলক  বিচার দাবি করে বলেন, জুুমার নামাজ আদায়রত অবস্থায় মুসল্লীদের নির্মমভাবে গুলী করে হত্যার ঘটনায় গোটা মুসলিম উম্মাহ বাকরুদ্ধ ও গভীরভাবে শোকাহত। এর নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। এ হামলা শুধু নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদের মুসল্লীদের উপর হয়নি বরং  বিশ্ব মুসলিম উম্মার উপর হয়েছে। এই হত্যাকা- সে দেশের আইন শৃংখলায় নিয়োজিত পুলিশ প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং অভিবাসী মুসলিমদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমরা খুনীর ফাঁসিসহ সহযোগী মূল হোতাদের খুঁজে বের করার এবং আন্তর্জাতিক তদন্ত করার দাবী জানাচ্ছি। তারা বলেন, যেসব পশ্চিমা বুদ্ধিজীবি ও নেতা  এবং প্রচার মাধ্যম বিশ্বব্যাপী ইসলাম ফোবিয়ার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে তারা এই হামলার দায় এড়াতে পারে না। পশ্চিমা বিশ্বসহ সমগ্র বিশ্বে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদী খ্রিষ্টান চক্রের সুদূর প্রসারী ষড়যন্ত্রের এট্ িএকটি অংশ। এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য বিশ্বমুসলিম নেতৃবৃন্দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। নচেত টুইন টাওয়ারে হামলার পর আমেরিকা আফগানিস্তান ও ইরাক দখলের মতো নতুন কোনো চক্রান্তের আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না। নেতৃবৃন্দ দুশমনদের পাতানে ফাঁদে পা দেয়ার ব্যাপারে সতর্কতা প্রদর্শনের জন্য মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানান। 

ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স: নিরীহ মুসলমানদের ওপর হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স এর চেয়ারম্যান আলমগীর মজুমদার ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আমিন আহমেদ ইয়ান এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। 

বিবৃতি নেতৃবৃন্দ এই হত্যাযজ্ঞের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন এবং হত্যাযজ্ঞে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরত ও আহতদের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করেন।

নেতৃদ্বয় বিশ্বের শান্তিকামী মুসলমানদের হত্যাযজ্ঞের উপযুক্ত বিচার এবং ভবিষ্যতে যাতে কোন ইসলাম বিরোধী শক্তি এভাবে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ পরিচালনায় পুনঃসাহস প্রদর্শন না করে তৎবিষয়ে গোটা বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান।

নাগরিক পরিষদ: নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ নগরীর আল নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে হামলায় নিহত নিরীহ মুসলিমদের উপর নারকীয় হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ হামলা দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা গণমাধ্যমের ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী প্রচারণার ফল। পশ্চিমা গণমাধ্যম তাদের লোভী ও সর্বগ্রাসী কর্পোরেট স্বার্থে ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া এবং ইয়েমেনকে ধ্বংসের নীল নকশা বাস্তবায়নে ক্রমাগত ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী মিথ্যা অপপ্রচার করে অন্যায় যুদ্ধ এবং লুটপাটের পক্ষে সাফাই চালাচ্ছে। এতে ভিন্ন ধর্মবিশ্বাসী মানুষ শান্তির ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে ভুল বার্তা পাচ্ছে। ফলে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবর্তে ইসলাম ও মুসলিম সম্পর্কে ভীতি ছড়াচ্ছে। যার জঘন্য নজির শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে নারকীয় হত্যা।

তিনি বলেন, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুম্মার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রার্থনার জন্য উপস্থিত হয়েছেন। খুনি ব্যান্টন ট্যারেন্ট লাইভ ভিডিও ধারণ করে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হত্যাকান্ড চালায়। এ হত্যাকান্ড বিশ্বের সমগ্র মুসলিম এবং শান্তিপ্রিয় মানুষকে মর্মাহত করেছে। সমগ্র বিশ্ববাসী এ নারকীয়তায় ক্ষুব্ধ। আমরা নাগরিক পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানাই এবং আমাদের ক্রিকেটারদের সুস্থ্যভাবে ফিরে আসায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট শুকরিয়া প্রকাশ করছি।

তিনি হত্যাকারীর মৃত্যুদন্ড দাবী করেন এবং নামাজের আদায়ের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রার্থনার জন্য উপস্থিত মুসলিমদের শহীদি মৃত্যু ও জান্নাতের প্রার্থনা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ