বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১
Online Edition

চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধটির ধসে যাওয়া অংশে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে

আব্দুস ছামাদ খান, বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ): সিরাজগঞ্জের চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধটির ধসে যাওয়া অংশে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। শুস্ক মওসুমে যমুনায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়ায় চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধের ১৩০ মিটার ধসে গেছে। বাঁধ ধসের ১৭ দিনেও মেরামত কাজ শুরু হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ভাঙন আতংক বিরাজ করছে। এজন্য পাউবোর গাফলতিকে দূষছেন স্থানীয়রা। 

পাউবো ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলাকে যমুনার করালগ্রাস থেকে রক্ষায় এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। ফলে চৌহালী ও নাগরপুরের বিশাল এলাকা যমুনার ভাঙনের আশঙ্কা মুক্ত ছিলো। কিন্তু শুস্ক মওসুমে যমুনা নদীতে ভয়াবহ ভাঙনের ফলে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরের দিকে বাঁধের উত্তরে আটাপাড়া নামক স্থানে ১৩০ মিটার বাঁধ ধসে যায়। এখন পর্যন্ত বাঁধটির নির্মাণ কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়

সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় থেকে ৫শ’ সিএনজি বেলকুচি-এনায়েতপুর রোডে চলাচল করে। রাত ৮টার পর থেকেই ৪০ টাকার ভাড়া গুনতে হয় ১০০ টাকা। কড্ডার মোড় থেকে এনায়েতপুর নির্ধারিত ৪০ টাকা ভাড়া ও কড্ডার মোড় থেকে বেলকুচি ৩০ টাকা ভাড়া, যাত্রীরা স্বাভাবিক মনে করে সিএনজিতে চলাচল করেন। কিন্তু রাত ৮টা বাজলেই শুরু হয়ে যায় সিএনজি চালকদের বাহানা। এই সময় কড্ডার মোড় থেকে বেলকুচির ভাড়া হয় ৬০ টাকা। আর এনায়েতপুরের ভাড়া ১০০ টাকা। নির্ধারিত ভাড়া থেকে ভাড়া বেশি হওয়া সত্তে¦ও যাত্রীরা উঠছে সিএনজিতে। কারণ তাদের গন্তব্যস্থলে যেতেই হবে। সিএনজির চালকরা বলছেন, আমরা রাত ৮ টার পর যাত্রীদের কাছ থেকে যে কারণে ভাড়া বেশি নিচ্ছি, তা হলো ফেরার পথে গভীর রাতে কোনো যাএী পাওয়া যায়না, খালি গাড়ি নিয়ে ঝুঁকি অবস্থা নিয়ে ফিরে আসতে হয়। তবে যাত্রীরা বলছে, দেখার কেউ নেই বিধায় রাত ৮ টার পর ৪০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বিষয়টির ওপর নজর দিলে সাধারণ যাত্রীরা এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ