বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নানা সমস্যায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে

খুলনা অফিস : খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত। ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার পর ২৫ জন ডাক্তারের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে ৭ জন ডাক্তার নিয়ে হাসপাতালটি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এনেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় কোনো ধরনের অপারেশন করা সম্ভব হয় না। ৯ জনের স্থলে ৩ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্ভবপর হয় না। এক্স-রে মেশিন নষ্ট থাকায় গরিব রোগীদের বাইরে থেকে বেশি টাকায় এক্স-রে করতে হচ্ছে। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ অপারেটরের অভাবে জেনারেটর মেশিনটি অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।

কুকুরে কামড়ানো রোগীদের জন্য এন্টি ভ্যাকসিন ওষুধের কোনো সাপ্লাই নেই। প্রতিদিন বহির্বিভাগে দেড়শ থেকে ২শ রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে এক তৃতীয়াংশ অভয়নগর ও ডুমুরিয়া উপজেলার রোগী। হাসপাতাল থেকে সরকারিভাবে আনুমানিক ৩৩ প্রকার ওষুধ প্রদান করার কথা থাকলেও প্রতিদিন প্রায় ১০/১২ প্রকার ওষুধের ঘাটতি থাকে। উপজেলায় ৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও বর্তমানে গাড়াখোলা সুন্নতিপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকে সি.এইচ.সি.পি না থাকায় এলাকার সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্লাড নেবুলাইজার মেশিনটি নষ্ট, রয়েছে রোগীদের থাকার বেডের সমস্যা। 

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান জানান, বর্তমানে এ হাসপাতালে ১৯ লাখ টাকার কাজ চলমান তবে ঠিকাদারদের কাজে ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা থাকায় কাজগুলো কর্তৃপক্ষের বুঝে নেয়া প্রয়োজন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ