বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নামে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় কেসিসির কর্মচারীসহ দুইজন রিমান্ডে

খুলনা অফিস : সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় গ্রেফতারকৃত খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) পূর্ত বিভাগের কার্য সহকারী এস এম আজমল হোসেন (৫০)সহ দু’জনকে দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। অপরজন হলো মোসলেম উদ্দীন (৪৮)। পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা সদর থানার এসআই সুজিত মিস্ত্রী। তিনি বলেন, ৫ মার্চ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। দু’দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হস্তান্তর করা হবে। গত ২ মার্চ রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নামে করে ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে নয়ন দাশ নামের এক ব্যক্তি মামলা দায়ের করেছেন (নং-০৬/১৪৫, তাং-০৩/০৩/১৯ইং, ধারা-৪০৬/১২০)। জিজ্ঞাসাবাদে এ ব্যাপারে আসামিরা তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেননি। আজমল কয়রা উপজেলার বাবরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মৃত এস এম আনোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি নগরীর বাগমারায় বসবাস করেন। আর মোসলেম উদ্দীন চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার নারিশ্চা নতুনপাড়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে। এ দু’জন ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এ ঘটনা ঘটেছে। বাদী রাঙ্গুনিয়া কলেজের ডিগ্রিতে পড়াশুনা করে। সে সুবাদে আসামি মোসলেম উদ্দীনের সাথে পরিচয় হয়। গত ১৫ অক্টোবর আসামি বাদীকে জানায়, সেনাবাহিনীতে খেলোয়াড় সৈনিক পদে কিছু লোক নিয়োগ হবে। বাদী তখন সৈনিক পদে ভর্তি হতে ইচ্ছা পোষণ করেন। বাদীসহ তার কয়েকজন বন্ধু চাকরির জন্য যোগাযোগ করে। আসামিরা বলে, প্রার্থী প্রতি তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা লাগবে। বাদীসহ ৮ জন আসামিদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করে। পরে আসামিরা তাদের মেডিকেল পরীক্ষা করানোর জন্য খুলনায় আসতে বলে। সে মতে তারা খুলনায় আসে। চক্রটি তাদের খুলনা হোটেলে রেখে মেডিকেল পরীক্ষা বাবদ জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকা করে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা নেয়। চক্রটির কিছু কার্যক্রম সন্দেহ হলে বিষয়টি খবর নিয়ে জানা যায়, চক্রটি সেনাবাহিনীর কোনো লোক নয়। তারা প্রতারক। এ সময় সদর থানার পুলিশের সহায়তার ওই দু’প্রতারককে গ্রেফতার করে। বাকীরা পালিয়ে যায়। আজমলকে বিগত দিনে একই ধরনের অভিযোগে ঢাকার খিলগাঁও থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। কেসিসির সচিব মো. আজমুল হক বলেন, পূর্ত বিভাগ থেকে তার অনুপস্থিতির বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তবে আজ বিষয়টি খোঁজ খবর নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ