বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সাপাহারে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা : নওগাঁর সাপাহারে রাস্তায় গাছ ফেলে প্রাইভেটকার সহ একাধিক গাড়ী আটকিয়ে দু:সাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১১টার দিকে সাপাহার- পোরশা পাকা সড়কের তুলশীপাড়া ও বাশুল ডাংাঙ্গা গ্রামের মধ্যেবর্তি স্থানে অবস্থিত একটি ছোট ব্রীজের উপর ঘটনাটি ঘটেছে।

ওই ডাকাতির কবলে পড়া উপজেলার নিশ্চিন্তপুর থ্রী-ষ্টার ফিলিং স্টেশনের মালিক মিলন হোসেন জানান ওই রাতে তিনি সহ তার পরিবারের লোকজন রাজশাহী থেকে চিকিৎসা শেষে তাদের প্রাইভেট কার ঢাক মেট্রো-গ-২০৪২৪৭ যোগে বাসায় ফিরছিলেন। আসার পথে তাদের বহনকারী কারটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পূর্ব থেকে এক দল ডাকাত রাস্তায় গাছ ফেলে রেখে তাদের প্রাইভেটকারটিকে আটক করে। এবং কিছুক্ষণের মধ্যে রাস্তায় আরোও বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস, ট্রাক আটকা পড়লে ডাকাত দলের সদস্যরা প্রত্যেক গাড়িতে মারপিট ও ভাংচুর শুরু করে। ডাকাত দল প্রথমে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর মোড়ে অবস্থিত থ্রী-ষ্টার ফিলিং স্টেশনের মালিক মিলন ও তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম কে মারপিট করতে থাকলে এরই ফাঁকে মিলন ডাকাত দলের অজান্তে গোপনে স্থানীয় থানায় ফোনে সংবাদ দেয়। এর পর তাৎক্ষণিক থানার এস আই শাহরিয়ার পারভেজ, নাদিম আলী সহ পুলিশের একটি দল ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয় কিন্তু ততক্ষণে ডাকাত দলের সদস্যরা মিলনের নিকট থেকে কুড়ি হাজার টাকা, তার ভাবির কানের ও গলার স্বর্ণালঙ্কার এবং তিনটি মোবাইল ফোন সেট সহ আনুমানিক প্রায় ৭৫ হাজার টাকা সম্পদ ছিনতাই করে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইচার্জ (ওসি) শামসুল আলম শাহ এর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি আদালতে স্বাক্ষী দেয়ার কাজে যাওয়ায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া এস আই শাহরিয়ার পারভেজ ও নাদিম আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য যে ওই একই স্থানসহ সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন সড়কে রাতের বেলায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে ওই এলাকায় একাধিক রোড ওভারীর ঘটনা সংঘটিত হয়েেেছ। বর্তমানে রাস্তায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলাবাসী রাতের বেলা রাস্তায় চলাচলে চরম আতংকাবস্থায় রয়েছে। উপজেলার সচেতন মহল রাতের বেলা সকল সড়কে পুলিশি টহল জোরদার করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ