বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সীমানা প্রাচীরের মধ্যে আসছে খুলনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

খুলনা অফিস : খুলনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সীমানা প্রাচীরের মধ্যে আনার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা কর্মকর্তাদের দপ্তর থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরও এ বিষয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাইওয়ে, বাজার ও যানজটপূর্ণ এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অধীনে ২ হাজার ৬শ’ ৭১টি হাই স্কুল রয়েছে। খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আওতায় ৮ হাজার ১৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সীমানা প্রাচীরের ছিল না। যার কারণে শিক্ষার্থীদের সাথে বহিরাগতরা অবাধে মেলামেশা করতে পারতো। মাঝে মধ্যে ছাত্রদের সাথে ঝগড়া আর ছাত্রীদের ইভটিজিংয়ের মতো ঘটনাও কম ঘটেনি। এবার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে খুলনা শিক্ষা বিভাগ। চলতি মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে তথ্য প্রেরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানগুলোর জমি ও সীমানা নিয়ে বেশ ঝামেলা সৃষ্টি হতো। এছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন বহিরাগতরাও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতো। বিদ্যালয় চলাকালীন সময়েও স্কুল মাঠে চলতো নানা ধরনের কার্যক্রমও। এই ধরনের কার্যক্রমের প্রভাবও পড়তো শিক্ষার্থীদের ওপর।

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ এস এম সিরাজুরদ্দোহা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট সীমানা প্রাচীরের মধ্যে আনার জন্য অনেক আগে থেকে পরিকল্পনা ছিল। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সবগুলো প্রতিষ্ঠানে প্রাচীর নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। তবে যে সকল প্রতিষ্ঠান হাইওয়ে, বাজার ও যানজটপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত সেগুলো আগে নির্মাণ করা হবে। এগুলো নির্মাণের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর জমির সীমানা নিয়ে আর তেমন কোনো সমস্যা থাকবে না। আবার বিদ্যালয়ের পরিবেশও অনেক ভালো হবে। 

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর শেখ হারুনর রশীদ বলেন, এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হয়েছে। সীমানা প্রাচীর নির্ধারিত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়ালেখা ও খেলাধুলার এক নতুন পরিবেশ সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা যাবে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ