বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আমাদের ভাষার দরজাটা খোলা  পশ্চিমবঙ্গেরটা বন্ধ : আল মাহমুদ

সরদার আবদুর রহমান : (গত সংখ্যার পর)

নাজিব ওয়াদুদ : তারপর, আমাদের গ্রামে তো একটা, আমি বলবো যে, একটা নতুন আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, এখনকার গ্রামগুলো আর আগের গ্রাম নেই। এখনকার গ্রামে রাজনীতি ঢুকছে....

আল মাহমুদ : হ্যাঁ, পুঁজি ঢুকেছে, পুঁজির সাথে সাথে সংগ্রাম ঢুকেছে, শোষণ ঢুকেছে, প্রতিবাদ ঢুকেছে।

নাজিব ওয়াদুদ : গ্রামে পরিবর্তন আসছে। খুব ব্যাপক পরিবর্তন না হলেও, অনেকখানি পরিবর্তন হয়ে গেছে। নতুন এই যে পরিবর্তন, যারা গ্রাম নিয়ে গল্প লিখেছেন, তাতে কিছু নাই, সেই ৪০-৫০ বছর আগের প্রেক্ষাপট।

আল মাহমুদ : হ্যাঁ, আমি এর ঘোর বিরোধী। আমি কবি জসিম উদ্দীনের কবিতা পরীক্ষা করে দেখেছি। জসিম উদ্দীন যে সব কবিতা, যেমন নকশী কাঁথার মাঠ লিখেছেন, রাধিকা, রাধা-কৃষ্ণের প্রেম-এর আদলে। কিন্তু যেহেতু তিনি চরের মানুষ এবং মুসলমান, চাষী পরিবার থেকে এসেছেন, হঠাৎ উনি কবিতা লিখলেন, গল্পের মতো- ‘রাত থমথম, স্তব্ধ নিঃঝুম, ঘন ঘোর আঁধিয়ার, নিঃশ^াস ফেলি তাও শোনা যায়, নাই কেউ সাড়া দেবার। এই যে মুসলিম চাষী পরিবারের পরিবেশ কিংবা... ওরে মুখ পোড়া কোথায় গিয়েছিলি তুই এমনি একাই...। এটা কিন্তু বাঙালী মুসলমানের অবস্থার বর্ণনা। ‘ভাল করে দাও আল্লা রাসুল, ভাল করে দাও পীর;- এই চিত্র প্রথম জসিম উদ্দীনই নিয়ে এসেছেন এর আগে অন্য কোথাও এটা পাওয়া যাবে না।

সরদার আবদুর রহমান : যেমন, ‘আমার দাদীর তরেতে যেন গো ভেস্ত নসিব হয়’। বেহেস্তের কথা এসেছে।

আল মাহমুদ : হ্যাঁ, এগুলোকে জসিম উদ্দীন খুবই সচেতনভাবে ব্যবহার করেছেন। অনেকেই বলে থাকেন জসিম উদ্দীন এগুলো অচেতনভাবে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু না, তিনি এগুলো সচেতনভাবেই ব্যবহার করেছেন। আমি চিরকাল জানি যে, আমার প্রিয়ার মুখটা কেমন? চাঁদের মতো হবে। চিরকাল এটা আমরা বলে এসেছি। এটা কাদের উপমা? আর্য ভারতের হিন্দুদের উপমা। হিন্দুরা সব সময় আর্য নারীর মুখের তুলনা চাঁদের সঙ্গে দিয়েছে। কিন্তু জসিম উদ্দীন যে মুসলমান এবং নদী চরের লোক। সেজন্য চরটাকেই বড় করে দেখিয়েছেন। জসিম উদ্দীন বলছেন ‘সে আসিবে কাল মুখখানি তাঁর নতুন চরের মতো।’ এটা অসাধারণ কাজ না?

নাজিব ওয়াদুদ : এখন তরুণ যারা গল্প লিখছে, তাদের কারো কারো গল্প তো পড়েছেন, হয়তো সবার লেখা পড়া সম্ভব হয় না। এদের মধ্যে নতুন কোনদিক দেখেছেন কি?

আল মাহমুদ : এদের লেখা আমি পড়ি। আমার ধারণা যে, এদের ভাষাটা আছে.. কিন্তু দিক-দৃষ্টি নেই। গল্পটা কোথায় গিয়ে শেষ করতে হবে এটা জানে না। এমনি মোটামুটি অনেকেই লিখছেন। আপনাদের লেখা মাঝে মাঝে পড়ি। কিন্তু একটা পূর্ণ গল্প, গল্পের মধ্যে যে একটা দেশকে দেখা যায়, এমন একটা গল্প পড়িনি। ঐ ৪০ বছর আগের চিত্র, সমাজ বাস্তবতা, ঘুরে ফিরে দেখা যায়। এই প্রেক্ষিত নেই সারা পৃথিবীতে। গল্পের মধ্যে এলিয়েনেশন ঢুকেছে। ম্যাজিক রিয়েলিজম ঢুকেছে। একটা ছেলে একটা মেয়ের কথা কল্পনা করছে, মেয়েটি দেয়াল ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে তার সাথে শুয়ে আছে। তারপর গল্প শুরু হচ্ছে। এই যে যাদু বাস্তবতা, পৃথিবীতে আগে ছিল না তা না, মুসলমানরা আগে যেমন এ্যরাবিয়্যান নাইটস্-এ, তারা যাদু বাস্তবতা নিয়ে কাজ করেছে; জেলে জাল ফেলেছে, কলসী উঠেছে, সেই কলসীর মুখ থেকে দৈত্য বেরিয়ে আসে। দৈত্যরা বলছে, বলেন প্রভু, আপনি কী চান? আমি সব করে দিতে পারি। বলছে, আমাকে দালান কোঠা দাও। একটি সুন্দরী বউ, মেয়েছেলে চাই। তাও দিল। সে সামাজিক অবস্থার কথা বললো, কিন্তু রাজনৈতিক অবস্থাকে বদলাবার কাজ সে করছে না। এখানেই আটকে আছে গল্পগুলো।

নাজিব ওয়াদুদ : হ্যাঁ, আপাত সুবিধাগুলো সে চাইলো। কিন্তু স্থায়ী সমাধান......

আল মাহমুদ : সে বলতে পারতো, এই আব্বাসীয় খলিফা অত্যাচারী, তাকে হটিয়ে দিয়ে অন্য কাউকে এনে দাও। আমি মনে করি যে, এটা এক ধরনের যাদু বাস্তবতা। যাদু বাস্তবতাও সমসাময়িক রাজনীতির কাছে মার খায়- এখানে আটকে থাকার ফলে সেটা বোঝা যাচ্ছে।

সরদার আবদুর রহমান : একটা ব্যাপার, রাজকীয় আনুকূল্য লাভের প্রচেষ্টা দেখা যায় কোন কোন সময়। এক্ষেত্রে বলা হয় যে, রাজকীয় আনুকূল্য পেলে সাহিত্যের অঙ্গন হয়তো শক্তিশালী হয়। আবার উল্টো দিকে বলা হয় যে, এতে রাজার পক্ষে লোখালেখি করা যায়।

আল মাহমুদ : এটা ঠিক নয়। এটা অবশ্য অনেকেই বলে। কিন্তু আমি সব সময় দাবী করি যে, সমসাময়িক সাহিত্য গণতান্ত্রিক দেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাবে। না হলে এটা দাঁড়াতে পারবে না। এটা হলো সামগ্রিক অর্থে। এমন দু’এক জন লেখক থাকবেনই, যারা রাষ্ট্রের আনুগত্যের মধ্যে থেকেও সরকারের সমালোচনা করবে।

নাজিব ওয়াদুদ : আবার এমনও কিছু থাকবে যারা শুধু আনুগত্য নিয়েই থাকবে। সমালোচনা করবে না।

সরদার আবদুর রহমান : আরেকটা জিনিস যে, গল্পকার, কবি তৈরী করা যায় কিনা। যেটা বামপন্থীরা করে থাকে।

আল মাহমুদ : বুঝলাম, কিন্তু আমি মনে করি যে, এটা একটু মুশকিল। আমি মনে করি যারা লেখক তারা এসে একসাথে জোট বাঁধে, কোত্থেকে যেন আসে।

নাজিব ওয়াদুদ : একজন লেখকের ‘প্রস্তুতি গ্রহণ’ করার কথা প্রায়ই বলা হয়।

আল মাহমুদ : আমি তো প্রত্যেক দিন পড়ি, পড়তে পড়তে মনে হলো যে, এরকম অভিজ্ঞতা আমারও আছে। আমি লিখতে শুরু করলাম। এই হলো কথা এবং আমি যে পড়তে পড়তে আসছি, তাই যারা লেখক ঘুরে ফিরে তাদের ভেতরে ঢুকে পড়ি।

সরদার আবদুর রহমান : মানে কাকে কাক চেনে।

আল মাহমুদ : যেমন শামসুর রাহমান, হাসান হাফিজুর রহমান, ফজল শাহাবুদ্দীন এদের সঙ্গে  নিয়ে কোথাও ঢুকে পড়লাম। ভাঙনটা তো পরে এসেছে। এক সময় তো দীর্ঘকাল আমরা একসাথে ছিলাম। যার যখন প্রতিপত্তি হয়েছে, গ্রুপও সৃষ্টি হয়েছে।

নাজিব ওয়াদুদ : এক ধরনের প্রফেশনাল জেলাসি।

সরদার আবদুর রহমান : এই যে উপমার ব্যবহার, উপমার জন্য কি লেখককে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে, নাকি কল্পনার সাহায্যে... ।

আল মাহমুদ : লেখকের প্যটার্নটা যদি বোঝা যায়, তার যে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে এটা থেকেই সেটা বোঝা যায়। একজন বলেছেন যে, পাখির নীড়ের মতো চোখ, পাখির নীড়ের মতো চোখ হলে আমি যদি বাস্তবসম্মত লেখক হই, বোদ্ধা হই বা আলোচক হই তাহলে পাখির নীড়ের মতো চোখ হলে খুব অসুবিধা হয়। কিন্তু আমরা এটা করি, মায়ামমতা দিয়ে বিচার করি, হ্যাঁ, এই যে বৈশিষ্ট্যটা তার পাখির নীড়ের মত চোখ, এটা দিয়ে বৈশিষ্ট্য সনাক্ত করা যায়। এরকমই অনেক সময় অনেক লেখকের তীক্ষèধী, দেখার ক্ষমতা, প্রতিতূলনা করার ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় এবং তিনি লেখক হয়ে উঠেন। একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে চলে যায়। ‘উপমা’ সাহিত্যে একটা বড় ব্যাপার। খুব বড় ব্যাপার, তা গদ্যে হোক, পদ্যে হোক।

সরদার আবদুর রহমান : জিনিসটা আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলা যায়, আপনি একজন উঠতি কিশোরীর শারীরিক দৃশ্য বর্ণনা করেছেন, এতে তো আপনার অভিজ্ঞতা নেই।

আল মাহমুদ : কথা হলো যে, অভিজ্ঞতা যেটা নাই সেটা বর্ণনা না করাই উত্তম। খানিকটা অভিজ্ঞতা থাকলেই হয়। যে ব্যাপারে আমার কোন জ্ঞান নাই আমি এ ধরনের লেখা লিখেছি হয়তো, আগে খুবই আগে। কিন্তু আমি খুব কম লিখেছি। যে ব্যাপারে আমার কোন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নাই, এ বিষয় নিয়ে আমি গল্পও ফাঁদিনি, কবিতাও লিখিনি।

নাজিব ওয়াদুদ : কালো নৌকা?

আল মাহমুদ : ওতো আমার দেখা ঘটনা। 

নাজিব ওয়াদুদ : আমি তো পশ্চিমবঙ্গের অনেকের মুখে শুনেছি যে, বাংলা সাহিত্যের কয়েকটা শ্রেষ্ঠ গল্পের ভেতরে কালো নৌকার নাম আসবে। কিন্তু কালো নৌকা নিয়ে অনেকের জিজ্ঞাসা....।

আল মাহমুদ : মানে এটা কী? এটা হলো একটা মাওয়ালী পরিবারের ঘটনা। আমি যখন চিটাগাং এ থাকতাম খানিকটা প্রত্যক্ষভাবে দেখেছি, পুরো ঘটনাটা মনে নেই। শুনেছিও।

সরদার আবদুর রহমান : এই সঙ্গে ‘জলবেশ্যার কথাও এসে যায়।

আল মাহমুদ : তবে আমি যে সময় এগুলো লিখেছি তখন তো ইসলাম নিয়ে লেখক ছিলাম না।

নাজিব ওয়াদুদ : না, আমি সে দিক দিয়ে বলছি না।

আল মাহমুদ : আমি যৌক্তিকতার বিষয় উপস্থাপন করি কিনা?

নাজিব ওয়াদুদ : হ্যাঁ, সেটাই....। 

আল মাহমুদ : গল্পটার অনেকেই উচ্ছসিত প্রশংসা করেছেন। আমি খুব ভয়ে ভয়ে ছিলাম। গল্পটা ছাপা হলে আমাকে মারবে লোকে। কিন্তু প্রথম দিকে যারা প্রশংসা করে তারা খুবই রক্ষণশীল লোক। যেমন আহসান হাবীব। তিনি বললেন, তুমি কি গল্প লিখেছো? খুবই ভালো লেখা। তখন আমি যদি ‘কারণ’ দিয়ে ব্যাখ্যা করতাম; তখন যদি ইসলাম আমার ভেতরে প্রবিষ্ট হতো তাহলে লিখতাম হয়তো, তবে এইভাবে লিখতাম না। এর শেষটা হতো অন্য রকম।

আশরাফ উদ্দীন আহমদ : আচ্ছা, কাথা সাহিত্যিক হিসেবে আপনি হাসান আজিজুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন? 

আল মাহমুদ : কথা হলো যে, আমি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসকে একজন লেখক মনে করি। কিন্তু তার প্রস্তুতিকালে তিনি অবসিত হলেন। তার খুব বড় কাজ কিছু হয়নি। একজন বড় লেখক বড় কাজ না করে চলে গেলেন। এটা আমার মনে হয়েছে। আমরা কিন্তু খুবই বন্ধু, আমি বই উৎসর্গ করেছি। পানকৌড়ির রক্ত দু’জনের নামে উৎসর্গ করা। আখতারুজামান ও হাসান আজিজুল হক। আমার বন্ধু তো ছিল এক সময়। এটা হলো, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কথা হলো যে, তার লেখা আসাধারণ ক্ষমতাশালী, কঠিন। কিন্তু এ ধরনের লেখকেরা খুব বেশী দূর অগ্রসর হতে পারে না বলে মনে হয়। আখতারুজ্জামান অসুস্থ হয়ে পড়লো। আমার মনে হয়, যদি তিনি জীবিত থাকতেন, তিনি ঐসব মার্কসীয় মতবাদের মধ্যে থাকতেন না। থাকা সম্ভব ছিলনা তার পক্ষে। আমার দৃঢ় ধারণা হয়েছিল যে, তিনি আধ্যাত্মিক আদর্শের মধ্যে চলে আসতেন। 

নাজিব ওয়াদুদ : তাঁর যে শেষ লেখাটা, খোয়াব নামা...। এতে তো একরকম একটা ই্্ঙ্িগত আছে বলে মনে হয়। আহমদ ছফার একটা লেখাতে দেখলাম যে, বাংলা ভাষা একটা স্বতন্ত্র ভাষা হিসেবে একটা স্বতন্ত্র ঐতিহ্যের উপর দাঁড়াচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ভাষা থেকে যা আলাদা। খোয়াব নামাতে উনি তা দেখাতে চেয়েছেন, নতুন একটা ভাষা নির্মাণ করার কথা বলেছেন, আসলে আমাদের ভাষাটা কি আলাদা? সত্যি আলাদা?

আল মাহমুদ : আলাদা মানে, আমরা যেটা বলি, আমাদের প্রতিষ্ঠিত যে ভাষা, সেটা রবীন্দ্রনাথের প্রতিষ্ঠিত এটা স্বীকার করতে হবে। এই কাঠামোর মধ্যেই আঞ্চলিক শব্দ, আঞ্চলিক বাগভঙ্গি, Vocabulary, এসব মিলিয়ে ঢাকায় একটা নতুন ‘ভাষাচক্র’ তৈরি হচ্ছে। মানে এটা একটা Turning point, ঢাকায় এখন এটা একটা সম্পূর্ণ Shape গ্রহণ করেছে। কোলকাতার ভাষা যেমন একটা স্থিতিশীল...জব চার্নকের কোলকাতায় যেমন ব্রিটিশ ও বাবু কালচার মিশে একটা ভাষা তৈরি হয়েছে এবং এটা ছিল খুবই সাম্প্রদায়িক, মুসলমানদের শব্দ বাদ দেবার জন্য এটা করেছে। রামরাম বসু পর্যন্ত চেষ্টাটা ছিল না, পরে এই চেষ্টাটা হয়েছে। সাম্প্রদায়িকতার কারণে বাংলা ভাষা এক জায়গায়  দাঁড়িয়ে থেকেছে। এটা এখন পশ্চিমবঙ্গের ভাষা হয়ে গেছে। কিন্তু ঢাকায় কি তা হয়েছে? ঢাকায় কিন্তু আমিও লিখছি, জোর লিখছি, অবলীলায় লিখেছি, কিন্তু আমার মধ্যে কোন সাম্প্রদায়িকতা নেই। এখানেই হলো আমাদের ভাষার জোরটা। তাছাড়া, ওদের দরজা বন্ধ সব দিক থেকে। আমাদের দরজা খোলা। সারা ইউরোপ খোলা, আমেরিকা খোলা। তাছাড়া ইসলামী দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের যে আত্মীয়-ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে, সে রকম একটা ব্যাপার, নতুন নতুন ব্যাপার নিয়ে আসছে। অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছে। আমাদের ছেলেরা সেখানে চাকরি করছে। সারা পৃথিবীর যেখানেই যাবেন, দেখবেন বাঙালীরা আছে। এরা প্রত্যেক দিন কিছু না কিছু দেশে নিয়ে আসছে। শুধু টাকা নিয়ে আসছে তা নয়, নতুন নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছে। সাহিত্যিক মিথ নিয়ে আসছে। পছন্দ অপছন্দের বিষয় নিয়ে আসছে। এটা কোলকাতার জন্য সম্ভব না। কোলকাতার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। (চলবে)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ