শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবন

নগর পর্যায়ে জেলা ও সেশন জজ হচ্ছে বিচার বিভাগীয় প্রধান। গুরুতর অপরাধের এবং সকল দীউয়ানি মামলার বিচারকার্য জেলা ও সেশন জজের আদালতে সম্পন্ন হয়।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস গ্যাস লিমিটেড এবং তেল কোম্পানিগুলি যথাক্রমে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করে থাকে। এ সকল প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণাধীন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত হাসপাতালসমূহ প্রধানত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও হাসপাতাল রয়েছে। এগুলি সরকারি ও এনজিও প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবার সম্পূরক হিসেবে কাজ করে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লিনিকগুলি ছাড়াও এনজিও পরিচালিত বেশ কিছু ক্লিনিক রয়েছে।
নগরীর শিক্ষা-সুবিধা প্রধানত শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রদান করে থাকে। সিটি কর্পোরেশন,  এনজিও ও বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার অগ্রগতিতে অবদান রাখছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল মহাবিদ্যালয় প্রায় সম্পূর্ণভাবে সরকারি অর্থায়নেই পরিচালিত হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর চট্টগ্রাম নগরীর আওতার মধ্যেই অবস্থিত। এ অবস্থায় বন্দরের যাবতীয় মৌলিক নাগরিক সেবা প্রদান সিটি কর্পোরেশন ও এখানে কর্মরত অন্যান্য সরকারি সংস্থাগুলির দায়িত্ব।
একজন চেয়ারম্যান ও পাঁচ জন সদস্য (স্থায়ী সরকারি কর্মকর্তা বা বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত) সমন্বয়ে গঠিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানত নগরীর উন্নয়নের জন্য মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এলাকা উন্নয়ন (যথা, বাণিজ্যিক এলাকা, আবাসিক এলাকা, বিনোদন এলাকা প্রভৃতি) এবং নগরীর রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য নগরীর অনুমোদিত মহাপরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে থাকে। নগরীর নির্মাণবিধি কার্যকর করাও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নকশার পূর্বানুমোদন ছাড়া নগর এলাকায় কোনো স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা যায় না। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণাধীন। সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে এর সমন্বয় অনেকটা অস্থায়ী ধরনের এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন পর্যায়ের।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রিত ফায়ার ব্রিগেড ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগ নগরীতে অগ্নি নির্বাপণ ও জরুরি উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত। ডাক তার ও টোলফোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ বিভাগ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদান করে থাকে। কিছুসংখ্যক ব্যক্তিমালিকানাধীন টেলিফোন কোম্পানি এখানে সেবা দান করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর  বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর-পূর্বে পর্বতশ্রেণী থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙ্গর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাপঢ় প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ