বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবির ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৩০ ॥ গ্রেপ্তার ২২ 

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর কবির হোসাইন ও সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্নার সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টা থেকে নিতাইগঞ্জ নলুয়া পাড়া এলাকায় থেমে থেমে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এ ঘটনায় পুলিশ বর্তমান কাউন্সিলর কবির হোসাইন ও সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্নাসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান, এদিকে মুন্না গ্রুপের হামলায় কাউন্সিলর কবির হোসাইনসহ কমপক্ষে ১০ জন মারাত্মক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় দক্ষিন নলুয়া জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে কাউন্সিলর কবির হোসাইন ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার মাঝে বিরোধ চলছিল। রবিবার কাউন্সিলর কবির হোসাইনের ভাগিনা টিটু বর্তমান কমিটির কাছে হিসাব চাওয়ায় তাকে মারধর করে মসজিদ থেকে বের করে দেয় মুন্নাপন্থীরা। এনিয়ে রবিবার রাতে এক পক্ষ সদর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ এলাকায় পৌছাতে না পৌছাতেই উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার লোকজন প্রথমে কাউন্সিলর কবির এর উপর হামলা করে। এসময় মুন্নার পক্ষের কয়েক যুবক ফাঁকা গুলি বর্ষন করলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে কবিরের লোকজন খবর পেয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসলে সংঘর্ষ চরম আকার ধারণ করে। সংঘর্ষে কাউন্সিলর কবির, নেয়ামত উল্লাহ, সুজন, সত্যজিৎ ও দূর্জয় সহ ১০ জন রক্তাক্ত অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর কবির হোসাইন ও সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্নাসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টায় তাদের গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ভোর ৪টায় কাউন্সিলর কবির ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নাসহ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে নিতাইগঞ্জ নলুয়া পাড়া এলাকায় থেমে থেমে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এদিকে মুন্না গ্রুপের হামলায় কাউন্সিলর কবির হোসাইনসহ কমপক্ষে ১০জন মারাত্মক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় দক্ষিন নলুয়া জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে কাউন্সিলর কবির হোসাইন ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার মাঝে বিরোধ চলছিল। রবিবার কাউন্সিলর কবির হোসাইনের ভাগিনা টিটু বর্তমান কমিটির কাছে হিসাব চাওয়ায় তাকে মারধর করে মসজিদ থেকে বের করে দেয় মুন্নাপন্থীরা। এনিয়ে রবিবার রাতে এক পক্ষ সদর থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ এলাকায় পৌছাতে না পৌছাতেই উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার লোকজন প্রথমে কাউন্সিলর কবির এর উপর হামলা করে। এসময় মুন্নার পক্ষের কয়েক যুবক ফাঁকা গুলি বর্ষন করলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে কবিরের লোকজন খবর পেয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসলে সংঘর্ষ চরম আকার ধারণ করে। সংঘর্ষে কাউন্সিলর কবির, নেয়ামত উল্লাহ, সুজন, সত্যজিৎ ও দূর্জয় সহ ১০ জন রক্তাক্ত অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর কবির ও সাবেক কাউন্সিলর মুন্নার বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ