রবিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন

দেশে দুধের উৎপাদন বাড়ানো ও এই খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সমন্বিত পদক্ষেপের উপর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। শনিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রাণ ডেইরি কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তরা এ তাগিদ দেন। 

এসময় তারা বলেন, এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্পৃক্ত করে বাস্তবমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা স¤ভব। 

‘প্রাণ ডেইরি হাব ও সম্ভাবনাময় দুগ্ধ শিল্প’ বিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে প্রাণ ডেইরি লিমিটেড। দেশের বিভিন্ন স্থানের ভোক্তাদের প্রাণ এর দুধ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম দেখাতে আয়োজন করা হয় দুইদিন ব্যাপী ‘প্রাণ মিল্ক জার্নি’ কর্মসূচী। এ কর্মসূচীতে অংশ নেয়া ৬০ জন ভোক্তার পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিউটের কর্মকতারা, খামারি, এনজিও কর্মীরা গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন।  অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, শত প্রতিকূলতার মাঝে ও দেশের দুগ্ধ শিল্প খাত এগিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ২০০৫ সালে দুধের উৎপাদন ছিল ১২ লাখ টন, সেখানে ২০১৮ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৪ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। দুধের দাম না বাড়িয়ে উৎপাদন খরচ কমানোর উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্যে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে কৃষকরা কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। 

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিউটের মহাপরিচালক ড. নাথুরাম সরকার বলেন, দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে খামারি পর্যায়ে নজর দিতে হবে এবং তারা যাতে লাভ করতে পারে সেজন্য দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ কমানোর উপর জোর দেন তিনি।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডীন ড. মাহবুব-ই-এলাহী বলেন, দুধ মিনারেল, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার। এ বিষয়টি মানুষের মাঝে বেশি করে তুলে ধরতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভার্ড মিল্ক জনপ্রিয় করে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ