শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

পর্নোগ্রাফির কারণসমূহ : ক্ষতি এবং তার প্রতিকার

-মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান
[দুই]
(১)-(২), [ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথা প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দন্ড: ৫৭ (১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ। (২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।] আইনসমূহের কিছু ধারা দিয়ে পর্ণোগ্রাফীর উৎপাদন ও বিপণনকে পরোক্ষভাবে মোকাবিলা করা যায়, যা এ ধরনের একটি সামাজিক বিপদকে প্রতিরোধ করার জন্য খুবই অপর্যাপ্ত। ফলে পর্ণোগ্রাফীর বিরুদ্ধে এতোদিন সুনির্দিষ্ট আইন না থাকার কারণে আইনগত যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া যায়নি। বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি বা যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের জন্য প্রতিরোধমূলক বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে হাইকোর্টের নির্দেশনা জরুরী বিবেচিত হয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে যৌন হয়রানিমূলক সকল প্রকার নির্যাতন প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের দিক নির্দেশনা চেয়ে জনস্বার্থে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে ১৪ মে, ২০০৯ হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দীকি সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ একটি দিক নির্দেশনামূলক নীতিমালা প্রদান করেন। মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যতদিন পর্যন্ত এ বিষয়ে উপযুক্ত আইন প্রণয়ন না হবে ততদিন পর্যন্ত সকল সরকারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে এই নীতিমালা অনুসরণ এবং পালন করা হবে। নীতিমালার ৪ ধারায় যৌন হয়রানির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে- “যৌন হয়রানি বলতে বুঝায় (ক) অনাকাঙ্খিত যৌন আবেদনমূলক আচরণ (সরাসরি কিংবা ইঙ্গিতে) যেমন- শারীরিক স্পর্শ বা এ ধরনের প্রচেষ্টা; (খ) প্রাতিষ্ঠানিক এবং পেশাগত ক্ষমতা ব্যবহার করে কারো সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা; (গ) যৌন হয়রানি বা নিপীড়নমূলক উক্তি; (ঘ) যৌন সুযোগ লাভের জন্য অবৈধ আবেদন; (ঙ) পর্ণোগ্রাফী দেখানো; (চ) যৌন আবেদনমূলক মন্তব্য বা ভঙ্গী; (ছ) অশালীন ভঙ্গী, অশালীন ভাষা বা মন্তব্যের মাধ্যমে উত্যক্ত করা, কাউকে অনুসরণ করা বা অশালীন উদ্দেশ্য পূরণে কোন ব্যক্তির অলক্ষ্যে তার নিকটবর্তী হওয়া বা অনুসরণ করা, যৌন ইঙ্গিতমূলক ভাষা ব্যবহার করে ঠাট্টা বা উপহাস করা; (জ) চিঠি, টেলিফোন মোবাইল, এসএমএস, ছবি, নোটিশ, কার্টুন, বেঞ্চম, চেয়ার-টেবিল, নোটিশ বোর্ড, অফিস, ফ্যাক্টরী, শ্রেণীকক্ষ, বাথরুমের দেয়ালে যৌন ইঙ্গিতমূলক অপমানজনক কোন কিছু লেখা; (ঝ) ব্লাকমেইল অথচা চরিত্র লঙ্গণের উদ্দেশ্যে স্থির বা ভিডিও চিত্র ধারণ করা; (ঞ) যৌন হয়রানির কারণে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং শিক্ষাগত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হওয়া; (ট) প্রেম নিবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হয়ে হুমকি দেয়া বা চাপ প্রয়োগ করা; (ঠা) ভয় দেখিয়ে বা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন বা স্থাপনে চেষ্টা করা। “যৌন হয়রানিমুক্ত শিক্ষা ও কর্মপরিবেশ তৈরীতে মহামান্য হাইকোর্ট প্রদত্ত নীতিমালা, ধারা-৪ (১)
উক্ত নীতিমালার মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফিকেও নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। অবশেষে ২ মে, ২০১১১ মন্ত্রীসভার এক নিয়মিত বৈঠকে পর্ণোগ্রাফী তৈরী ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করে ‘পর্ণোগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১’ শিরোনামে একটি আইনের খসড়া প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় এবং নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়। ‘‘প্রথম আলো, পর্ণোগ্রাফীর সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদন্ড, ২ জানুয়ারি-২০১২’’। পরবর্তীতে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত প্রাপ্তির পর জাতীয় সংসদের স্পীকারের অনুমতিক্রমে ২৯ জানুয়ারি ২০১২ সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়। “প্রথম আলো, পর্ণোগ্রাফি বিল উত্থাপন, সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদন্ড, ২৯ জানুয়ারি-২০১২’’। নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধকল্পে বিলটি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। আইন প্রণয়নের কারণ হিসেবে বিলের শুরুতে বলা হয়েছে, পর্ণোগ্রাফি প্রদর্শনের ফলে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে এবং বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এবং সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে এবং বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এবং সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নৈতিক ও সামাজিক মুল্যবেধের অবক্ষায় রোধ করতেই বিলটি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়, “বর্তমান চলচ্চিত্র, স্যাটেলাইট, ওয়েবসাইট ও মোবাইলের মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফি সংক্রামক ব্যাধির মত দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। পর্ণোগ্রাফি যুব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর শিকার হয়ে অনেক নারী পুরুষ ও শিশুকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হতে হচ্ছে। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্র্দিষ্ট কোন আইন না থাকায় অপরাধ রোধ ও অপরাধীদের বিচার করা সম্ভব হচ্ছে না। বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।’’ পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। অবশেষে ২৮ ফেব্রুয়ারি-২০১২ বিলটি ‘পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২, আইন হিসেবে মহান জাতীয় সংসদে গৃহিত হয়। ‘‘দৈনিক কালের কন্ঠ, ছোটন মাহমুদ, মতামত : পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১২ সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১২; দৈনিক কালের কন্ঠ, নিজস্ব প্রতিবেদক, পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ বিল সংসদে পাসে; সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদন্ড, ২৯ ফেব্রুয়ারি-২০১২’’। নিম্নে আইনটির উপর একটি সারনির্যাস তুলে ধরা হলো।
পর্ণোগ্রাফির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গী, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজুয়াল চিত্র, স্থিরচিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোজন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই; যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কার্টুন বা লিফলেট এবং উল্লেখিত বিষয়াদির নেগেটিভ ও সফট ভার্সন পর্ণোগ্রাফি হিসেবে গণ্য হবে। ‘‘পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২ (২০১২ সনের ৯ নং আইন), ধারা-২।
আইনে বর্ণিত অপরাধ ও তার পরিধি : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে যৌনোদ্দীপনা সৃষ্টি, ব্যক্তির ইমেজ বা মর্যাদা বিনষ্ট করার লক্ষ্যে বা অন্যায় লাভ বা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত অশ্লীল সংলাপ, প্রকাশনা, পুরুষ বা নারীর নৃত্য, নগ্ন, অর্ধনগ্ন, চলচ্চিত্র বা ডিভিওচিত্র তৈরী এ আইনের আওতায় পড়বে। এসব পর্ণো সিডি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, বহন, আমদানি-রফতানি, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয়, প্রদর্শন অপরাধ। আইনের চতুর্থ ধারায় বলা হয়েছে, পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন করা যাবে না। “প্রাগুক্ত, ধারা-৪।’’
গ্রেফতার, পরোয়ানা ও তদন্ত : বিলে বলা হয়েছে, পর্ণো সিডি তৈরীর দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেফতার ও তার আস্তানায় তল্লাশী চালিয়ে আলামত জব্দ করতে পারবে। এ আইনে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলে আদালত একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেবে। হাজির না হলে তার অনুপস্থিতিতে বিচার হবে। পর্ণোগ্রাফির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বা তার সম-মর্যাদার কর্মকর্তাকে দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে আরো ১৫ দিন এবং আদালতের অনুমোদন পাওয়া গেলে আরো ৩০ দিন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা যাবে। ‘‘প্রাগুক্ত, ধারা-৫’’।
অভিযুক্তের আইনগত নিরাপত্তা ঃ এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য হবে। “প্রাগুক্ত, ধারা-১০’’ কেউ এ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে। “প্রাগুক্ত, ধারা-১২’’ এছাড়া আইনে মিথ্যা অভিযোগ দায়েরকারীর জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। “প্রাগুক্ত, ধারা-১৩’’
বিচার ও শাস্তি : পর্ণোগ্রাফির অপরাধের আইন দ্রুত বিচার আইন-২০০২ এর ধারা-৪ সংজ্ঞানুযায়ী গঠিত ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হবে। বিচার প্রক্রিযায় সাক্ষ্য হিসেবে তল্লাশিকালে জব্দকৃত সফট কপি, রূপান্তরিত হার্ডকপি, সিডি, ভিসিডি, ডিভিডি, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইস, এক্সেসরিজ, মোবাইল ফোনের সিম, যন্ত্রাংশ, অপরাধ কাজে ব্যবহৃত অন্য কোনো যন্ত্র বা যন্ত্রাংশ, সরঞ্জাম বা বস্তা আদালতে উপস্থাপন করতে হবে। “প্রাগুক্ত, ধারা-৬’’ কোন ব্যক্তি পর্ণোগ্রাফ উৎপাদন বা এ উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র তৈরী করলে অথবা কোন নারী, পুরুষ  বা শিশুকে প্রলোভন দিয়ে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে।
কোন ব্যক্তি পর্ণোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করলে বা ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্ণোগ্রাফির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করতে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন। কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্ণোগ্রাফি সরবরাহ করবে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন। “প্রাগুক্ত, ধারা-৮ (১), (২) ও (৩)’’ কোন ব্যক্তি পর্ণোগ্রাফি প্রদর্শনের মাধ্যমে গণউপদ্রব সৃষ্টি করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ