শুক্রবার ২১ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

নামফলক থেকে নাম মুছে দিলেই মানুষের মন থেকে শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা যাবেনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো : মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আততায়ীদের হাতে নিহত বাংলাদেশে'র প্রথম রাষ্ট্রপতি-জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রাম জিয়া স্মৃতি যাদুঘরের সাইনবোর্ড থেকে জিয়ার নাম মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরাম নামে ছাত্রলীগ কর্তৃক মুছে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি মোঃ সরওয়ার উদ্দীন সেলিম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্যাহ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাঈন উদ্দীন শহীদ, এইচ এম রাসেদ,আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পদক মামুনর রশীদ মামুন, সহ কর্মসুচী প্রনয়ন বিষয়ক সম্পাদক নেছারুল ইসলাম নাজমুল, কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য আজগর আলী, ফজলুল হক সুমন,আলী মোর্তুজা খান,জিয়া উর রহমান জিয়া,জাহিদ বিন রশিদ,আকরাম উদ্দীন পাভেল,মোঃ শেখ রাসেল, আতাউল্যাহ সম্রাট, রেজাউল করিম রনি, আবুল কালাম আজাদ,আলী হায়দার রনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল আবছার জুয়েল,দক্ষিণজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শহীদুল আলম শহীদ, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মণিরুল আলম জনি, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন। তারা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারী দুপুরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্রফোরাম চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ব্যানারে কাজীর দেউড়িস্থ সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন শেষে ছাত্রলীগ কর্মীরা জিয়া স্মৃতি যাদুঘরের সাইনবোর্ড থেকে জিয়ার নাম মুছে দেয়। তারা গেইটে শিক্ষা উপমন্ত্রী ও সাবেক সিটি মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর পুত্র ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেলের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার টাঙ্গিয়ে দিয়েছে। যা একজন সেক্টর কমান্ডারের অপমান নয় স্বাধীন জাতি হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা। আওয়ামীলীগ দল হিসাবে নিজকে মুক্তিযুদ্ধের ফেরীওয়ালা দাবী করলেও বাংলাদেশের মতো একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ইহা লজ্জাজনক ঘটনা। দিনের বেলায় এ ধরনের ঘটনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মদদ ছাড়া ঘটানো সম্ভব নয়। বিএনপি তথা বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করার অংশ প্রশাসনের সহায়তায়। এই ধরনের অন্যায়, অনৈতিক কাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার পরিবর্তন হবে ভোটের মাধ্যমে কিন্তু ৩০ ডিসেম্বর রাতের ভোটের সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত যা বাংলার জনগণ অবগত। মানুষের ভোটে আর কখনো আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসতে পারবে না -এটা জেনেই জিয়ার নাম মুছে ফেলার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ আশা করেন প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্ত করে ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করবে অন্যথায় চট্টলার আপামর ছাত্র জনতা তথাকথিত চেতনাধারীদের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ - চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নিকট আহবান জানান  এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য অন্যথায় আমরা চট্টগ্রামের ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে রাজপথে নামতে বাধ্য হবো। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ছাত্র ফোরাম নামে ছাত্রলীগ কর্তৃক মুছে দেওয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ