সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

আমরা অনেকেই ইতিহাস ভুলে যাই -মোস্তফা

আমরা অনেকেই ইতিহাস ভুলে যাই এবং বর্তমানকে নিয়ে মশগুল থাকতে পছন্দ করি মন্তব্য করেন যুক্তফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।  তিনি বলেন, ইতিহাসে যার যেটুকু ভূমিকা, স্বীকার না করলে একদিন ইতিহাসই মুখ ফিরিয়ে নেবে। ইতিমধ্যে নিতে শুরু করেছে। ১৯৭১ ও ২০১৯-এর মধ্যে ফারাকটি বড় বেশি বেদনাদায়ক। বাংলাদেশ এক ক্রান্তিলগ্ন অতিক্রম করছে। রাজনীতিকেরা ক্ষমতার চশমায় নিজেরা যেমন সবকিছু দেখতে অভ্যস্ত, তেমনি অন্যদেরও দেখতে বাধ্য করেন।  বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬২তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে দলীয় বা রাজনৈতিক সংস্কৃতির সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটে থাকে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় সম্মেলনে এই সংস্কৃতিকে অপরিহার্য অংশ হিসেবে যুক্ত করে না; খুব বেশি হলে অনুষঙ্গ হিসেবে অনুষ্ঠানাদির আয়োজন করে থাকে। ডান-বাম-মধ্যপন্থি কোনো দলই যখন এই বৃত্ত থেকে যখন বেরিয়ে আসতে পারেনি, তখন ভাবতে অবাক লাগে, এই বাংলাদেশেই ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী লীগের সম্মেলন সামনে রেখে একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, কাগমারী সম্মেলন থেকেই মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের মানুষকে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এই সম্মেলনেই মওলানা ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকদের ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানিয়েছিলেন। একটি সম্বোধন মওলানা ভাসানীর ‘আসসালামু আলাইকুম' শব্দটি স্বাধীনতার সমার্থক শব্দ হয়ে দাড়িয়েছিল।  ন্যাপ ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু'র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান হাওলাদার, রেজাউল করিম সোহাগ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ