সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বন্দি

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি বন্দী থাকার প্রেক্ষাপটে শারীরিকভাবে অক্ষমদের মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শারীরিকভাবে অক্ষম বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

গতকাল সচিবালয়ে ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক শৃঙ্খলা নিয়ে এক সভায় অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে বিনা অপরাধে টাঙ্গাইলের জাহালমের তিন বছর কারাগারে থাকা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলার পর অক্ষম বন্দীদের ছেড়ে দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যে যারা অচল হয়ে গিয়েছেন, দীর্ঘদিন জেলখানায় রয়েছে। তাদের কনসিডার করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।“তাদের সনাক্ত করে তাদেরকে রিলিজ দেওয়া যায় কি না, তার একটি ব্যবস্থা করার জন্য কথা আমাদের বলেছেন।”

বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে ৩৬ হাজার ৬১৪ জন বন্দী রাখার ক্ষমতা থাকলেও বন্দীর সংখ্যা প্রায় ৮২ হাজার বলে সম্প্রতি কারা মহাপরিদর্শক জানিয়েছিলেন। এই বন্দীদের বেশিরভাগই বিচারাধীন মামলার আসামী। তাই বন্দীর সংখ্যা কমাতে মামলাজট কমানোসহ নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

জাহালমের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ওখানে (কারাগার) গিয়ে বিনা বিচারে কিংবা বিনা...... কেউ আটকে থাকবে সেটা আমাদের কাম্য নয়।” জাহালমের মতো আর কেউ আটকে থাকলে তা তদন্ত করে বের করা হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জেলখানায় আমাদের একটা সংস্থা আছে। যারা এই ধরনের ( জাহালাম) ভিকটিম থাকে, তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করে থাকে।” জাহলামের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।

সীমান্ত হত্যাকান্ড আগের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিজিবি প্রধানকে বলা হয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য।” একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানমালা নির্বিঘœ করতে আগের মতোই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ