শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

কবিতা

কতিপয় ঢেউ

নয়ন আহমেদ

 

কতিপয় ঢেউ আছে

সংসারী;

প্রেমের রুমালে মুখ মোছে।

কিছু শুভ্র স্তুতি

তাদের সৌজন্যে ছড়াই।

পাঠাই আমার প্রিয় চুমো;

আরও প্রেমনিষ্ঠ হবে।

 

কাইয়ূমের প্রচ্ছদে ভোরের পুষ্ট শান্ত আলো।

পাখি বসে আছে

চিরকাল।

 

এই দৃশ্যে মুগ্ধ আমি।

একটি সবুজ খামে জামদানির মতো রাত্রি পাঠাই।

 

বেহিসাবি মানুষ

রুদ্র সাহাদাৎ

 

মানুষ কেনো মরে গেলেই কিংবদন্তি হয়ে উঠে

আমাদের তৃতীয় চোখও কেনো অন্ধ...

পরিবারে সমাজে সহস্র দ্বন্দ্ব

ঘরে- বাহিরে এতো কথা কানের ভিতর বাজে

স্কুলে যেমন ঢং ঢং ঢং বাজে ঘন্টা..

 

বেপরোয়া চালক বেহিসাবি মানুষ

দৌড়াচ্ছে কেবল ডান-বাম।

কেনো মানুষ আজীবন দৌড়ায়

কোনো প্রশ্নোত্তর মেলেনি আজও

সাড়ে তিন হাত মাটির ঘর কিন্তু শেষ ঠিকানা।

 

 

কবিতার কাঠগড়ায় কবি 

শাহিদ উল ইসলাম

 

আকাশের বিজলীর ন্যায় হঠাৎ নড়েচড়ে উঠে

অসাধারণ কিছু পঙতি;

অথচ থাকে না আবাদের জমি সে সময়!

 

অদ্ভুত পঙতির গোড় হয় যখন, কবি

ভাবেন লিখবে তাকে।

কাগজ আসে কলম আসে আসেনা কবিতা

কেঁচো হয়ে সে হারায় গভীর মৃতিকা গর্ভে

কিংবা কবির প্রথমা প্রেম হয়ে

হররোজ ভাবায়!

হরবোলা কাব্য দুঃখ জাগিয়ে পাড়ি জমায়

হাওয়ায় ভাসা জাহাজের মত হৃদয় আকাশ কেটে

দূর অজানায়।

হঠাৎ আসা কবির অসময়ের

কবিতা, উটের জকি হওয়া বালকের মতো 

প্রাণ হারায় এই মাঝ এশিয়া থেকে

আর কবি কাব্য'র কাঠগড়ায় দাঁড়ায় মাথা নুয়ে।

 

বাংলা 

নুশরাত রুমু

 

বাংলা, একটি ভাষা!

বাঙালিই সেই জাতি

মিছিলে যার স্লোগান বাংলা।

আমাদের শিরায় রক্তের স্রোতের মূল অভিধান।

বাংলা মানে কৃষ্ণচূড়ার ঝিকিমিকি হাতছানি।

বাংলা শিখিয়েছে বাংলায় লেখা ভালোবাসি। 

বাংলা মানে তীব্র প্রতিবাদে মায়ের ভাষা ফিরিয়ে আনি।

বাংলার জন্য ফাগুনের আগুনে সমস্বরে গর্জে ওঠা,

বাংলাকে পেতে প্রথম নিষেধের দেয়াল ভাঙা,

রাজপথে উত্তাল মিছিল- রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই।

বাংলা পেলাম অবশেষে রক্তগঙ্গা উজাড় করে ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ