সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্মসচিবের কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি সম্পত্তি গ্রাস ও ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্মসচিব রফিকুল মোহামেদসহ তিন জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদ- দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।
রফিকুল মোহামেদকে ৫ বছরের কারাদ-ের পাশাপাশি ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে তাকে। অন্য দুই আসামি হলেন, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী মোড়ল কফিল উদ্দিন এবং অবসরপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল খন্দকার। তাদের ৩ বছরের কারাদ- এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস কারাভোগ করতে হবে।
এদিন তিন আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়। এরপর আদালত তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৫ সালের ৮ মার্চ আসামি আবুল হাসেম মোল্লা একটি মামলার রেফারেন্স দিয়ে একটি ওয়ার্ড সার্টিফিকেট তৈরি করেন। মিরপুরে পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় প্লট পেয়েছেন মর্মে একটি ভুয়া ও জাল বরাদ্দপত্র তৈরি করে তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ঢাকা বরাবর একটি আবেদন করেন।
ওই আবেদন পত্রে দাবি করা জাল বরাদ্দপত্রে তার নাম ও পিতার নাম ভুল থাকায় সংশোধিত বরাদ্দ পত্র জারির আবেদন করেন। ১৯৯৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি করা আবেদনে প্লট নম্বর, রোড নম্বরের সাথে জাল বরাদ্দ পত্রে উল্লেখিত প্লট নম্বরের সাথে মিল ছিল না। তারপরও দীর্ঘ ১৫ বছর পুরাতন নথিটির বিষয়ে কোনো তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। এ থেকে আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হন।
দুর্নীতি দমন ব্যুরোর তৎকালীন সহকারী পরিদর্শক রইসউদ্দিন আহম্মেদ ২০০৩ সালের ৩০ জুন রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন। ২০০৯ সালের ১৫ মার্চ মামলাটি তদন্তকালে চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোপত্র জমা দেন দুদকের সহকারী পরিদর্শক রেভা হালদার। মামলার বিচারকাজ চলাকালে চার্জশিটভুক্ত ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালত ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ