সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

শীতের সাথে চলে গেছে পোশাক ব্যবসায়ীদের মুখের হাসি

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা রিপোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এর উদ্যোগে অসহায় দুস্থ শীতার্ত প্রবীণ নারী পুরুষের মধ্যে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়

তমিজউদ্দিন আহমদ (নারায়ণগঞ্জ) থেকে: মাঘ মাসের শীতে নাকি বাঘও কাঁপে। কিন্তু এবার তার উল্টোটা হয়েছে। মাঘ মাসেও বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে হচ্ছে। মাঝ মাঘে দিনের বেলা ভ্যাপসা গরম অনুভব হচ্ছে। এবার শীত আসার আগেই চলে গেছে। নতুন করে শীত পড়ার সময়ও নেই। শীত আবার দেখা দেবে আগামী বছরে। এই বছর হাড় কাপানো শীতের দেখা মেলেনি শহরে।
প্রকৃতির এই বিরূপ চেহারার প্রভাব পড়েছে শীতের পোশাকের মার্কেটগুলোতে। শীতকে কেন্দ্র করে যেসব গরম কাপড় দোকানে তুলেছিল ব্যবসায়ীরা তার অধিকাংশই অবিক্রিত রয়ে গেছে।
রবিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিপনী বিতানগুলোতে দেখা যায়, গরম কাপড়ের স্তুপ থাকলেও ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। সকাল হতে সারাদিন ক্রেতাদের অপেক্ষায় থাকলেও ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। অলস সময় পার করছেন তারা। এবার তেমন শীত না পড়ায় শীতের পোশকগুলোর তেমন বিক্রি হয়নি বলে জানায় বিক্রেতারা। অবিক্রিত শীতের পোশাক আগামীবার বিক্রির জন্য রেখে দিচ্ছেন তারা।
নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন হাবীব টাওয়ারের এক দোকান মালিক আজিজুল ইসলাম বলেন, পৌষের শুরুতে যেইভাবে শীত পড়েছিল আমরা আশায় ছিলাম যে এবার কেনা-বেচা ভাল হবে। এবং সেই হিসেবে মালামাল আমরা আনি। কিন্তু শীত আসার আগেই চলে গেছে। ক্ষতি তো হয়েছে। কি আর করার। কপালে যা আছে তাই হবে। এই কাপড়গুলো রেখে দেবো আগামী বছর দেখি কি করা যায়।
তবে আরেক দোকান মালিক আলী হোসেন শীতের পোশাক কম বিক্রি হওয়ার জন্য দায়ী করেছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে। তার মতে, এ বছর শীত এইভাবে চলে যাবে বুঝতে পারি নাই। আর কেনা বেচা কম হবার আরেকটি কারন নির্বাচন। নারায়ণগঞ্জের বেশীর ভাগ মানুষ এখানের স্থানীয় না। তাই নির্বাচনের জন্য সবাই যার যার গ্রামে চলে গেছে। এবং ফিরে এসে তেমন শীত অনুভব না হওয়ায় গরম কাপড়ের কেনার কোন প্রয়োজন পরে নাই। চাষাড়ায় অবস্থিত মার্ক টাওয়ারের দোকান মালিক রিয়াদ বলেন, ক্রেতা আসে ২-১ টা। আমরা মূলত শীতের পাশাপাশি পোশাকের ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করেও শীতের পোশাক আনি। আমাদের শীতকে কেন্দ্র করে আনা পোশাকগুলো বিক্রি হলেও অনেকটা বাকি আছে। এখন যেহেতু কিনে ফেলেছি এগুলো তো আর ফেলে দিতে পারি না। তাই চিন্তা করছি আমরা এগুলো কিছু রেখে দেবো এবং বাকিগুলো হকারের কাছে বিক্রি করে দিবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ