বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং-এর ছত্রিশ বছরের অগ্রযাত্রায় সৃষ্ট সমস্যা এবং উত্তরণের উপায়

-এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম প্রধান, এমএম (ডাবল হাদীস, তাফসীর), বিএসএস (সম্মান) এমএসএস (রাষ্ট্র বিজ্ঞান), এলএলবি
[চার]
অর্থলিপ্সা মানুষের সহজাত প্রবৃতি বা অভ্যাস। একমাত্র ধর্মের প্রতি আনুগত্যশীলতাই পারে মানুষকে অর্থলিপ্সা থেকে দূরে রাখতে। একইভাবে ইসলামী ব্যাংক সমূহের পরিচালক মন্ডলী, এমডি বা উর্দ্ধতন ব্যবস্থাপনা কর্র্তৃপক্ষের ইসলামী জ্ঞানে পরিপূর্ন জ্ঞানী এবং বাস্তব জীবনে প্রকৃতপক্ষে ধর্মনুসারী হওয়া উচিৎ। তাদের মানসিকতা এবং আচরণ ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং এর জন্য নিবেদিত হওয়া উচিৎ। শেয়ার হোল্ডারগণ ইসলামী ব্যাংকের সাথে ব্যবসা করবে, কিন্তু তাদেরকে ঢালাওভাবে পরিচালক ম-লী নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া উচিৎ নয়। বিশেষতঃ ইসলামী ব্যাংকে এ ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হলে সাধারন শেয়ার হোল্ডারগণ কখনই ইসলামী ব্যাংক পরিচালনার যোগ্য পরিচালক নিয়োগ দিতে সমর্থ হবে না। এক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব পরিচালক ম-লী নিয়োগের জন্য আলাদা আইন থাকা প্রয়োজন। নতুবা ইসলামী অর্থনীতি বা ব্যাংকিং এর জন্য নিবেদিত নন বা বিশ্বাসী নন এমন ব্যক্তিরা ব্যাংকের পরিচালক নিযুক্ত হয়ে ইসলামী ব্যাংকে একটি সুদভিত্তিক ব্যাংকের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। এখন পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সে ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় নি। বাংলাদেশ সরকার, অর্থমন্ত্রী এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর বর্তমান বোর্ড অব ডাইরেক্টর এবং বোর্ড অব ডাইরেক্টর এর চেয়ারম্যান শরীয়াহ প্রতিপালনের বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থায় সুদযুক্ত বিনিয়োগ বা সুদী লেনদেনের সম্ভাবনা : এই লেখার শুরুতে আমি ধারনা দিয়েছি যে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সহ ইসলামী ব্যাংক সমূহ ২৯ ধরনের বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকের আয় বৃদ্ধি করে আমানতদার ও শেয়ার হোল্ডারদের প্রতিবছর লভ্যাংশ প্রদান করে আসছে। আমানতকারী এবং ধর্মপ্রাণ শেয়ার হোল্ডারগণ স্বস্তিতে আছেন যে ইসলামী ব্যাংকের মধ্যেমে তাদের আয় রোজগারে সুদ বা হারাম বলে কিছু নেই। পবিত্র আল কোরআনের সুরা আল ইমরানের ১৩০ নং আয়াতে আলাহ বলেন ‘‘হে মুমিনগণ তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেয় না তাহলে নিশ্চয়ই তোমরা সফলকাম হতে পারবে।’’ সুরা আল বাকারার ২৭৫-২৭৮ নং আয়াতে আলাহ ঘোষণা করেন ‘‘যারা সুদ খায় তারা সে ব্যক্তির মতো হাসরের ময়দানে দাঁড়াবে যাকে শয়তান (জ্বীন) স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দিয়েছে। আর তা এ জন্য যে, তারা বলে বেচাকেনা তো সুদের মতোই অথচ আলাহ তায়ালা বেচাকেনা বা ব্যবসাকে বৈধ ঘোষণা করেছেন এবং সুদকে করেছেন অবৈধ যার নিকট তার প্রতিপালকের উপদেশ এসেছে এবং বিরত হয়েছে (সুদ গ্রহণ থেকে) তবে অতীতে যা হয়েছে তা তারই এবং তার ব্যাপারটি আল্লাহর এখতিয়ারে। আর যারা পুনরায় আরম্ভ করবে তারাই হবে জাহান্নামী। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান সদকাকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোন অকৃতজ্ঞ পাপীকে ভালবাসেন না। হে মুমিনগণ তোমরা আলাহকে ভয় কর এবং সুদের যা বকেয়া (পাওনা) আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা মুমিন হও। যতি তোমরা তা না করো তবে জেনে রাখ যে সেটি হবে তোমাদের আল্লাহ ও রসুলের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা। কিন্তু যদি তোমরা তওবা করো তবে তোমাদের মুলধন তোমাদেরই তোমরা অত্যাচার করবে না অত্যাচারিত হবে না।’’ হযরত জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রসুলুল্লাহ (দঃ) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের হিসাব রক্ষক এবং তার সাক্ষীদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন। তারা সকলেই সমান অপরাধী। হাদিসটি ইমাম বাইহাকি এর সুত্রে মিশকাত শরীফে উদ্ধৃত হয়েছে। আর একটি হাদিসে রসুলুলাহ (দঃ) বলেন ‘‘সুদের ৭০ ধরনের গুনাহ রয়েছে। যার সর্বনি¤œ পর্যায়ের গুনাহ হলো নিজের মায়ের সাথে যৌন কাজে মিলিত হওয়ার ন্যায় গুনাহ।’’ (আন নিহায়াফি গারিবিল হাদিস ইবনুল আসির ২য় খণ্ড পৃষ্ঠা নং ২১৬) সুদের ন্যায় জঘন্য পাপ বা গুনাহ থেকে মুসলিম জাতির সকল সদস্যকে মুক্ত রাখার উদ্দেশ্যেই যাত্রা শুরু হয়েছিল ইসলামী ব্যাংকিং এর। ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থায় ব্যবসায়ীদের লাভকে সুদমুক্ত করার প্রয়াস ছিল অন্যতম লক্ষ্য। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থা অগ্রযাত্রাপথে অনিচ্ছায় বা অবলীলায় অনেক সুদী লেনদেন ধুঁকে পড়েছে বলে অনেকেই আশংকা করছেন। এ মুহূর্তেই যদি ইসলামী ব্যাংকিং এর কোন ফাঁক ফোঁকড়ের দ্বারা ধুঁকে পড়া সুদী লেনদেনকে মুক্ত করা না যায় তাহলে হতে পারে যে, আগামী দিনে ইসলামী ব্যাংক শুধু নামেই ইসলামী ব্যাংক হিসেবে পরিচিত হতে থাকবে। যার ভিতরে ইসলামী অর্থনীতির বা শরীয়ার কোন প্রাণশক্তি থাকবে না। বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ভিতর দিয়ে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গা নদীর পানি দুষিত হয়েছে এবং সে দূষন অনেকদিন যাবত স্থায়ী হওয়ায় বর্তমান সময়ে শতচেষ্টার পরও বুড়িগঙ্গার পানি বিশুদ্ধ করা যাচ্ছে না। একদিন সে রকমেই হতে পারে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা। একটি পরিষ্কার পানি বয়ে নিয়ে চলা খালের পার্শে যদি অসংখ্য কলকারখানার বর্জ্য প্রতিদিন ঐ পানিতে মিশ্রিত হতে থাকে তবে ঐ নালার পরিষ্কার পানির রং, গন্ধ এবং গুনাগুন অবশ্যই পরিবর্তিত হতে বাধ্য। অবস্থাটি সেরকমই হতে পারে।
ইসলামী ব্যাংকের চলমান ইনভেস্টমেন্ট মোড বা বিনিয়োগ পদ্ধতিতে যেসব ক্ষেত্রে সুদের ভাইরাস ঢুকে পড়েছে বলে মনে হয় তা নিম্নরূপ :
১। বাই মুরাবাহা : ইসলামী ব্যাংকিং এ এই পদ্ধতিটিকে সুদী ব্যাংক পদ্ধতিতে পেজ বলা হত। সাধারনত ব্যাংকের পুঁজী ও বিনিয়োগ গ্রহীতা পুঁজির সমন্বয়ে কোন পণ্য ক্রয় করে ব্যাংক ও বিনিয়োগ গ্রহীতার যৌথ উদ্যোগে কোন ভাড়া করা গোডাউনে বিনিয়োগ গ্রহীতার নিজস্ব গোডাউনে ক্রয়কৃত পণ্য গুদামজাত করা হয়। গুদামের চাবী বিনিয়োগ দাতা ব্যাংক সংরক্ষণ করে। বিনিয়োগ গ্রহীতা ব্যাংকের পণ্যের মুল্যের অংশ লাভসহ পরিশোধ করে বিনিয়োগ গ্রহীতা গুদামজাত পণ্য ছাড় করে বাজারে বিক্রয় করে। আগে কড়াকড়িভাবে বিনিয়োগ দাতা ব্যাংক এই পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয় গুদামজাত করণ ও পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা নিত।
ফলে পদ্ধতিটি ছিল একেবারেই সুদমুক্ত।  বর্তমানে পর্যাপ্ত জনবলের অভাব এবং পারিপার্শ্বিক কারনে ব্যবস্থাটিতে শরীয়াহ পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়টি শিথিল হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। ফলে মুরাবাহা পদ্ধতির বিনিয়োগে ক্রয়যোগ্য মালামাল ক্রয়ের যাবতীয় দায়িত্ব বিনিয়োগ গ্রহীতার হাতে সমর্পণ করা হয়েছে। ইসলামী শরীয়াহ প্রতিপালনে গ্রাহকদের কোন প্রকার জ্ঞান এবং আন্তরিকতা না থাকায় এই খাতে সুদী লেনদেনের ধারা চালু হয়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। এখন এ ব্যবস্থাকে শুধুমাত্র কাগজে কলমে শরীয়াহ ভিত্তিক আছে বলে বলা হচ্ছে। গোডাউন থেকে পণ্য ছাড় করণের নানারূপ কাগজপত্র ভাউচার পার্চেজ শিডিউল অব গুডস এর এক ফিরিস্তি কাগজ তৈরির মধ্যেই সুদমুক্ত লেনদেন হচ্ছে মর্মে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। বিনিয়োগ গ্রাহককে ব্যাংকের বিক্রয় প্রতিনিধি মনোনয়ন একটি সুদমুক্ত লেনদেনের ক্ষেত্রে ফাঁকিবাজি ব্যবস্থা। বাস্তবে এ সমস্ত বিক্রয় প্রতিনিধিরা বিভিন্ন স্থান থেকে ভাউচার সংগ্রহ করে দায়মুক্ত হচ্ছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভাউচার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছেন। মালামল প্রকৃত পক্ষেই ক্রয় করা হয়েছে কিনা এবং তাতে ব্যাংকে দখল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কিনা তা আর ব্যাংকের ধর্তব্যের মধ্যে নেই।
২। বাই মুয়াজ্জাল : অর্থাৎ বাকীতে পণ্য বিক্রয়। বিনিয়োগ গ্রাহকের চাহিদা মতে পণ্য কিনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মুনাফাসহ পণ্য মূল্য পরিশোধের শর্তে গ্রাহককে যে পণ্য সরবরাহ করা হয় তাকে বাই মুয়াজ্জাল বিনিয়োগ বলা হয়।  ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রচলনের সূচনা লগ্নেই এ ধরনের মালামাল ক্রয়ে ব্যাংকের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল। এখন ব্যাংকের জনবলের অভাব বা বিনিয়োগ গ্রাহক যাতে বিরক্ত না হন সে দৃষ্টিকোণ থেকে বা গ্রাহক যাতে অন্য ব্যাংকে চলে না যান সেই ভয়ে বিনিয়োগ গ্রাহককে সরাসরি মালামাল সরবরাহ না করে বিনিয়োগ গ্রাহককেই বিনিয়োগ প্রদানের জন্য নির্ধারিত মালামাল ক্রয়ের জন্য ক্রয় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয়। বিনিয়োগ গ্রাহক বিভিন্ন পণ্য সরবরাহকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিকট হইতে পণ্য ক্রয় করেছেন মর্মে ভাউচার এনে বিনিয়োগ দাতা ব্যাংকে জমা দেয় এবং ব্যাংক পার্চেজ সিডিউল অব গুডস নামক হালালী করণ পত্রটিতে বিনিয়োগ গ্রাহকের সাক্ষর গ্রহণ করে সুদ মুক্ত ব্যাংকিং করার বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকছে। ফলে এ ধরনের একটি হালাল বিনিয়োগ পদ্ধতিতে সুদের ভাইরাস ঢুকে সুদী ব্যাংকিং ও হালাল ব্যাংকিং একাকার হয়ে গেছে।
৩। মুশারাকা বিনিয়োগ পদ্ধতি : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড  প্রথমত মুশারাকা পদ্ধতির বিনিয়োগে উৎসাহিত ছিল না। বর্তমান সময়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে মুশারাকা বিনিয়োগে যুক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের মুসলমানদের এমনকি এদেশের আলেম সম্প্রদায়ের মধ্যেও এখতিসাদিয়াতুল ইসলামীয়া বা ইসলামী অর্থনীতির জ্ঞান খুবই সীমিত। সাধারণ ব্যবসায়ীদের কথাতো বলাই বাহুল্য। সাধারণত শিল্প কলকারখানার মালিক বা বড় বড় ব্যবসায়ীরা অতিমাত্রায় মুনাফা লোভী। যেহেতু ইসলামী ব্যাংক হালাল পদ্ধতি ব্যতিত অন্য কোন পদ্ধতিতে ব্যবসা করতে পারে না। সেজন্য এ ধরনের মুনাফা লোভীদের হাতে অর্থ তুলে দিয়ে নির্ধারিত পরিমাণ লাভ গ্রহণ করলে তা মুনাফা না হয়ে সুদ হিসাবে গণ্য হতে বাধ্য। কেননা যে কারবারটিতে ইসলামী ব্যাংক মুলধন দিয়ে শরীক হবে সেখানে যেহেতু ব্যাংকের কোন জনবল কোন কাজ করবে না ব্যাংকের শরীক বিনিয়োগ গ্রাহক তার নিজস্ব লোকবল দিয়ে আয় ব্যয়ের ব্যালান্সসীট প্রস্তুত করে এবং লাভের পরিমান নির্ধারন করে যে লাভ ব্যাংক বরাবর প্রদান করবে তাই বিশ্বাস করে ব্যাংককে গ্রহণ করতে হবে। সত্যিকারের মুশারাকা বা পার্টনারশীপ ব্যবসার বৈশিষ্ট্য ব্যাংক ধরে রাখতে পারবে না। ফলে মুশারাকা পদ্ধতির বিনিয়োগে টাকার উপর টাকা লাভ গ্রহণ পর্যায়ে পরে যাবে। যা প্রকারন্তরে সুদী ব্যবস্থারই নামান্তর অথবা এ পরিস্থতিও হতে পারে যে, মুশারাকা পদ্ধতিতে শরীক বিনিয়োগ গ্রহীতা প্রতি বছরই তার প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় লোকসান দেখায়ে ব্যাংককে  ক্ষতির মুখে ফেলে দিতে পারে। তবে ইসলামী ব্যাংক কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা প্রতিষ্ঠায় মুলধন দিয়ে শরীক হতে পারে। তবে শর্ত থাকবে যে, ঐ শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানার বিনিয়োগ উত্তোলনে হায়ার পার্চেজ সিস্টেমের মতো কিস্তি পরিশোধের সিস্টেম থাকবে না। স্বাভাবিকভাবে কারখানাটি উৎপাদনে যাওয়ার পর কয়েক বছর ব্যাংক এবং শরীক পার্টনার উৎপাদিত পণ্যে যে লাভ করবে তা চুক্তি মোতাবেক বঞ্চিত হতে থাকবে।
পরে যদি ব্যাংক মনে করে যে, কারখানাটিতে তাদের মালিকানার অংশ বিশেষ বা অংশের সম্পূর্ন হস্তান্তর করবে সে ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যাংকের মালিকানার অংশ মুল্য গ্রহণে বা কিস্তিতে বিক্রয় করতে পারবে। কেবলমাত্র সেক্ষেত্রেই এই পদ্ধতিটির কার্যকর রাখা যেতে পারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ