শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ভোলাহাটে প্রেমের ফাঁদে ফেলে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা

ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা (১৮ জানুয়ারি) : চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের গোহালবাড়ী গ্রামের হারুন আলীর সহজ-সরল ১৯ বছর বয়সের মেয়ে ছদ্দ নাম রুনা। এক প্রতারক চক্র নিজেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট পশু হাসপাতালের পাশে নিশ্চিন্তাপুর গ্রামের আশরাফুল মাষ্টারের ছেলে পিয়াস(২২) মিথ্যা ঠিকানার পরিচয় দিয়ে তার ০১৭৯৭-৩৩৯৯৮৭ নম্বর মোবাইলে ৪ মাস পূর্বে প্রেমের ফাঁদ পাতে রুনার সাথে। সহজ-সরল ১৯ বছরের মেয়ে রুনা এ প্রতারকের মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে পা বাড়ায়। প্রতারক রুনার সাথে প্রেমের অভিনয় করে তার মন জয় করে। এক পর্যায়ে তার(রুনার) মন দুর্বল হয়ে পড়লে প্রতারক কথিত পিয়াস তার ব্যবহারকৃত  ০১৭৯৭-৩৩৯৯৮৭ এই মোবাইল নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে দফায় দফায় ১লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় রুনার কাছ থেকে। টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর রুনা কথিত পিয়াসকে ফোন করলে সে আর ফোন রিসিভ করে না। ফলে প্রতারিত এ মেয়ে হঠাৎ ব্রেনস্টোক করে। এ অবস্থায় ভোলাহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হলে তেমন উন্নতি না হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করেন। চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে রুনা এখন মানসিক রুগী বলে তার অভিভাবককে জানায়। বর্তমানে রুনাকে সুস্থ করতে চিকিৎসা অব্যহত রেখেছে। তার পারিবারিক সূত্র জানায়, কথিত পিয়াস নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং সে একজন প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান এমন কি বিভিন্ন ধরণের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার স্বর্ণের গয়না বিক্রয় করে ও গোচ্ছিত ৫০ হাজার টাকা এবং এক আত্মীয়র ১ লাখ টাকা চুরি করে পিয়াসের বিকাশ নম্বরে দফায় দফায় দিয়েছিল। বর্তমানে মানসিক অবস্থায় পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিপদে রয়েছেন বলে জানান স্বজনেরা। এ ঘটনায় ভুক্তভূগী রুনা প্রতিকার চেয়ে নিজে বাদি হয়ে ১০ জানুয়ারি ভোলাহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন । অভিযোগ নং-৬৭/১৯। এ ব্যাপারে ভুক্তভূগী ও তার পরিবার সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী বিভিাগের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ