শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

উল্লাপাড়ায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থীর ভর্তি নিয়ে শংকা ॥ প্রতিটি স্কুলে আসন সংখ্যা পূর্ণ

উল্লাপাড়ায় ভর্তি জটিলতায় পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী। পৌর শহরের স্কুলগুলোতে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এবং শিক্ষক সংকটের কারণে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এ বছর ষষ্ঠ শ্রেণির আসন সংখ্যা সীমিত করা হয়েছে। ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। আর এতে উদ্বিঘ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। পৌর শহরের মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল, উল্লাপাড়া মার্চেন্টস পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উল্লাপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও উল্লাপাড়া সানফ্লাওয়ার স্কুলে এ বছর দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ১১শ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে। পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়া অবশিষ্ট ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছে। অথচ গত বছর এসব প্রতিষ্ঠানে সব মিলিয়ে সাড়ে ১৪শ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল। এদিকে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে উল্লাপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা সমপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি। ফলে সংকটে পড়েছে ভর্তিবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। উল্লাপাড়া মার্চেন্টস পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর আব্দুল হান্নান জানান, এ বছর স্কুলটি সরকারি হওয়ায় সরকারি নিয়ম অনুসারে ১২০ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করতে হয়েছে। স্কুলটি সরকারি হওয়ায় এই মুহূর্তে বিদ্যালয় তহবিল থেকে মাস্টার রোলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কোনো নিন্দেশনা তিনি মন্ত্রণালয় থেকে পাননি। ফলে তার পক্ষে আর বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা সম্ভব নয়। উল্লাপাড়া এইচ টি ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম জানান, গত বছর বেশি শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করায় শ্রেণিকক্ষে গাদাগাদি করে ছাত্রীদের বসতে হয়েছে। এতে পাঠগ্রহণ বিঘিœত হওয়ায় আশানুরূপ ফল তারা পাননি। আর এ কারণে নিরুপায় হয়ে এ বছর ১০০ শিক্ষার্থী কম ভর্তি করেছেন। পৌরসভা এলাকার অন্য স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকদের বক্তব্যও একই রকম। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো শফিকুল ইসলাম এ বছর ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি জটিলতার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম, ইউএনও মো আরিফুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলে ভর্তিবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। দুসপ্তাহের মধ্যে ভর্তি সমস্যা সমাধান হবে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ