বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

শাহজাদপুরের প্রায় ১০টি ব্রিজের সংযোগ সড়ক নেই ॥ চলাচল ব্যাহত

এম,এ, জাফর লিটন, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে : সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত প্রায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ  ব্রিজের সংযোগ সড়ক নেই দীর্ঘদিন ধরে। ফলে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।  লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও তা এখন আর কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। সরে জমিনে ঘুরে, উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চিনাধুকরিয়া-চক হরিপুর সংযোগ ব্রিজ, বেলতৈল ইউনিয়নের চরবেলতৈল ব্রিজ, গালা ইউনিয়নের ভেড়াকোলা ব্রিজ, হাটবায়ড়া ব্রিজ, জালালপুর ইউনিয়নের চেংটারচর ব্রিজ, মুলকান্দী ব্রিজ, হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের রতনকান্দী বটতলা ব্রিজ, একই ইউনিয়নের ইসলামপুর ডায়া টোপপাড়া ও মাঠপাড়া এবং নরিনা ইউনিয়নের চর বাতিয়া ব্রীজের সংযোগ সড়ক নেই। শাহজাদপুর উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও স্থানীয়রা কোনটি দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে কোনটি ২ যুগের বেশি সময় ধরে সংযোগ রাস্তার অভাবে যাতায়াত করতে পারছে না ৩০টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে এই ব্রিজগুলোর সাথে রাস্তার কোন সম্পর্ক নেই। তারা বলেন, দেখেন রাস্তা কোথায় আর ব্রিজ কোথায়?  প্রতি বছর সামান্য বর্ষা হলেই ব্রিজের দুই পার্শ্বেই রাস্তা ভেঙ্গে যায়। ফলে ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে পারে না এসব অঞ্চলের মানুষ। বিগত বন্যায় হুরাসাগর নদীর ক্যানেলে নির্মিত ডায়া টোপপাড়া ও মাঠপাড়া ব্রিজের দুই মাথায় রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণের পরেই উদ্বোধনের আগেই রাস্তার এ বেহাল দশা সৃষ্টি হয়। ফলে কোন কাজেই আসেনি ব্রিজটি। বর্তমানেও মেরামতের অভাবে ব্রিজটি ব্যবহার করতে পারছে না স্থানীয় এলাকাবাসী। 

আগামী বর্ষায় পূর্বেই যদি এই ব্রিজগুলির সংযোগ রাস্তাটি মেরামত করা না হয় তাহলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে এলাকাবাসীকে। এ ব্যাপারে উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, নি¤œাঞ্চল হওয়ায় প্রতি বছর গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প দিয়ে সংস্কার করা হয়। কিন্ত বন্যার পানিতে তা আবার ভেঙ্গে যায়।  বড় প্রকল্প না থাকায় প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় মেরামত করা সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষের কাছে চলাচলে অনুপযোগী ব্রিজ/কালভার্টগুলির উভয় পার্শ্বে দ্রুত রাস্তা মেরামতের দাবি জানিয়েছেন চরম দূর্ভোগে থাকা চরাঞ্চলে বসবাসকারী স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ