মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

ডিসেম্বর মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [আট]
নওগাঁর পোরশা পুলিশ নিতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গণি ও আঙ্গুরিয়া গ্রামের আবুল হোসেনকে আটক করে। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থেকে পুলিশ উপজেলা বিএনপির অফিস সম্পাদক মঈনুল হক বকুল, ছাত্রদল সাবেক উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল মুহিত বাবলু, ইব্রাহিম লেলিছ, যুবদল নেতা আলাল মিয়া ও তারা মিয়াকে আটক করে। কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে বিএনপি উপজেলা সহ-সভাপতি তোফায়েল সিকদারকে আটক করে পুলিশ। কুষ্টিয়া-১ আসনের প্রার্থী বিএনপি নেতা রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাকে পুলিশ আটক করে। টাঙ্গাইলের সখীপুর পুলিশ বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম সরকার ও যুবদল নেতা ফজলুল হক বাচ্চুসহ ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
২০ ডিসেম্বর গাজীপুর জয়দেবপুর থানার এক মামলায় বিএনপির ১২ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়। বগুড়ার শেরপুর পুলিশ বিএনপির ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। সিলেটের গোলাপগঞ্জে বাদেপাশা ইউপি থেকে পুলিশ বিএনপি নেতা ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান নোমান উদ্দিন মুরাদকে আটক করে। নওগাঁর আত্রাই থেকে নবারেরতাম্বু গ্রামের বিএনপি নেতা মুনসুর রহমান মন্টু, শাহাগোলা গ্রামের কৃষক দল নেতা জাহিদুল ইসলাম ডালিম ও মিরাপুর গ্রামের বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামকে আটক করে। ঝালকাঠি সদর থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নূপুরকে পুলিশ আটক করে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া পুলিশ লালুয়া ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ও শ্রমিক দল নেতা নাছিরকে আটক করে। ফরিদপুর সদরে অম্বিকা ইউনিয়ন বিএনপির ২ নেতাকে আটক করে পুলিশ। নওগাঁর সাপাহার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহীমকে পুলিশ আটক করে। বগুড়ার আদমদীঘি পুলিশ নশরতপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও ইউপি মেম্বার শহীদুল ইসলামকে আটক করে। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী মমিনুল হক অভিযোগ করেন তাদের ৭৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
২১ ডিসেম্বর বগুড়ার সোনাতলা থেকে বিএনপির ২০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে পুলিশ বিএনপির ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপি নেতা ইয়াসিন, কেশারপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম, যুবদল সভাপতি সোহেল, কাবিলপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোজাম্মেল হোসেন ও কাবিলপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দল নেতা সোহাগকে আটক করে। যশোরের শার্শা থানা পুলিশ বিএনপি নেতা রিপন হোসেন, নয়ন কবীর, ডাঃ ইউনুছ আলী, রায়হান শেখ, জাবির হোসেন, নজরুল ইসলাম, আশিকুজ্জামান ও আশানুজ্জামানকে আটক করে। গাজীপুরের শ্রীপুর পুলিশ বিএনপি নেতা শাহজান ফকির, মশিউর রহমান ও পারভেজ হাসানকে আটক করে। ঝালকাঠি-২ আসন থেকে পুলিশ বিএনপির ৬ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
২২ ডিসেম্বর যশোর সদর থেকে পুলিশ বিএনপির ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে। পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে বিএনপির ২ নেতাকে আটক করে পুলিশ। নোয়াখালীর বসুরহাট পুলিশ পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল  চৌধুরীকে আটক করে। কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী পুলিশ উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ বিএনপি নেতা-কর্মীকে আটক করে। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পুলিশ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক রবিউল হকসহ ৪ নেতা-কর্মীকে আটক করে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে বিএনপির মাসুম খান, মিলন মৃধা, হাসান আকন, আব্দুল কাদের খান ও মোকছেদ হাওলাদারকে পুলিশ আটক করে। চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মুনির  চৌধুরীকে চিত্রলেখার মোড় থেকে আটক করে পুলিশ। ফরিদপুর সদরে অম্বিকা ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাংচুর করে আওয়ামী লীগ এবং পুলিশ বিএনপির ৩ নেতাকে আটক করে। বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ থেকে পুলিশ বিএনপির ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদরে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ মেড্ডা এলাকা থেকে আটক করে। বগুড়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীকে আটক করে। জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিএনপির উপজেলা সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লানজুকে গুণারিতলা গ্রাম থেকে আটক করে পুলিশ। এ সময় বিএনপির হামলায় ৪ পুলিশ আহত হয়।
২৩ ডিসেম্বর বান্দরবনের আলীকদমে বিএনপি নেতা দোলোয়ার হোসেনকে পুলিশ আটক করে। লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মাতাব্বরহাট এলাকা থেকে বিএনপির চরজগবন্ধু গ্রামের আব্দুল বাসেত ও দক্ষিণ ফলকন গ্রামের হানিফকে আটক করে পুলিশ। নওগাঁর রাণীনগরে কাশিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেনকে পুলিশ আটক করে। সুনামগঞ্জে দিরাই পুলিশ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানকে আটক করে। নোয়াখালীর চাটখিলে পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ মোহাম্মদ হোসেন পিন্টুকে পুলিশ আটক করে। নওগাঁর নিয়ামতপুর পুলিশ বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেনকে আটক করে। ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপির ১৬ নেতা-কর্মী আটক। আটককৃতরা হলো- জহিরুল ইসলাম রুজবেল, লুৎফর রহমান সানি, আবু রায়হান, রতন, মনু ফকির, আনিস, বেলায়েত, আবু তালেব, জুলহাস, উজ্জ্বল, শামীম আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান, রেজাউল, নাজমুল হোসেন ও শফিকুল ইসলাম। নরসিংদীর মধাবদী থেকে পুলিশ পাইকার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মাইনুল হোসেনকে আটক করে। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর দীর্ঘ ৬৩ দিন কারাগারে থাকলেও কারাগারে যাওয়ার ১২ দিন পর ২ নভেম্বর চাদগাঁও থানার নাশকতার মামলায় তিনি আসামী হন। পরে আদালতের বিচারক আবু সালেম মোহাম্মদ নোমান কারণ জানতে চাইলে চাদগাঁও থানার এসআই অসীম দাস ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
২৪ ডিসেম্বর পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে পুলিশ বিএনপির উপজেলা সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান খোকন, সহ-সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম আকন, পৌর বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেন সগীর, পৌর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মল্লিক, বড়মাছুয়া ইউনিয়ন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক দাওলাদার, ফারুক খান, আব্বাস খান ও লিটন শরীফকে আটক করে। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর হাসাদহ এলাকা থেকে পুলিশ মনোহরপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আলী হোসেন, উপজেলা যুবদল নেতা ইঞ্জিয়ার উদ্দিন, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম ও হাসাদহ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম বুলুকে আটক করে। জামালপুরের ইসলামপুর থেকে বিএনপির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল, ছাত্রদল উপজেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি এস.এম রুহুল আমীন মামুন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল যুগ্ম-আহবায়ক আকরাম হোসেন সরকার ও ছাত্রদল নেতা রেজাউল করীমকে আটক করে পুলিশ। চাঁদপুর জেলা বিএনপি যুগ্ম-আহ্বায়ক এ্যাডঃ সেলিম উল্লাহকে আটক করলে বিএনপি নেতা শেখ ফদির আহমেদ তাকে ছাড়াতে গেলে পুলিশ শেখ ফরিদকেও আটক করে। নওগাঁর রাণীনগর আতাইকুলা গ্রামের বিএনপির ফজলে হোসেন ও আমিনুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি মহিউদ্দিন সিকদার সোহেল ও মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মমিনকে পুলিশ আটক করে। টাঙ্গাইলের বাসাইল থেকে পুলিশ কলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনকে আটক করে। ঠাকুরগাঁও হরিপুর পুলিশ বিএনপি নেতা আহসান হাবিব চৌধুরীকে আটক করে। যশোর শহরে মনিহার সিনেমা হল এলাকা থেকে বিএনপির শফিউল আলম উপলকে সাদা পোষাকের পুলিশ আটক করে। পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপির ১১ নেতা-কর্মীকে আটক করে। নোয়াখালী জেলা বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ নোয়াখালী বিএনপির শহর সাধারণ সম্পাদক শাহ জাফর উল্লাহ রাসেল, নোয়াখালী কলেজ ছাত্রদল সহ-সভাপতি শাহজাহান, শহর ছাত্রদল যুগ্ম-আহবায়ক উজ্জ্বল, জেলা শ্রমিক দল সভাপতি হেলাল উদ্দিন, যুবদল কর্মী ফারুক, মোহন, সোনাইমুড়ি থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোখলেসুর রহমান, ছাত্রদল থানা সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ মিলন, যুবদল নেতা রনি, চৌমুহনী যুবদল কর্মী রুবেল, বেগমগঞ্জে আলাইপুর বিএনপি নেতা আব্দুর রহীম, ছয়ানী ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, কবিরহাট শ্রমিক দল সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ফকির, ছাত্রদল নেতা মোতালেব হোসেন ও মইন উদ্দিনকে আটক করে। এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জে ২, সেনবাগে ৫, চাটখিলে ৪ হাতিয়ায় ৩ জনকে আটক করে। গাজীপুর মহানগরী বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান মধুকে আটক করে পুলিশ।
২৫ ডিসেম্বর শেরপুর পুলিশ বিএনপির নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট হাতেম আলীসহ ১২ জনকে আটক করে। যশোর শহর থেকে পুলিশ বিএনপির জেলা সহ-সভাপতি গোলাম রেজা দুুলু, সদর উপজেলা সভাপতি নূর-উন-নবী ও যুবদল ফতেহপুর ইউনিয়ন সভাপতি কামাল হোসেন বাবুকে আটক করে। পটুয়াখালীর দশমিনা থেকে সাবেক উপজেলা যুবদল সভাপতি আব্দুল মোমেন তালুকদার, বেতাগীর সানকিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মহিবুল আলম, যুবদল নেতা হাবিব, ডাঃ মোস্তফা ও মাহবুব হোসেনকে আটক করে। নওগাঁর রাণীনগর থেকে পুলিশ শুকুর আলী, শাহজাহান আলী ও আজাদ হোসেনকে আটক করে। ঝিনাইদাহের কালীগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হাসান, যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াছ রহমান মিঠু, নলডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল, ঘোড়াশাল ইউনিয়ন সহ-সভাপতি ইছাহাক আলী, যুবদল নেতা মনিরুল ইসলাম, শামসুর রহমান মনা ও রিন্টু মিয়াকে আটক করে। পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপির ৮ নেতা-কর্মীকে আটক করে। নোয়াখালীর সেনবাগ পুলিশ কাবিলপুর ইউনিয়ন থেকে বিএনপির মিঠু, কিরণ, উজ্জ্বল, রুবেল, সাইফুল ও শান্তকে আটক করে। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থেকে বিএনপির উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোদাব্বির আহমেদকে আটক করে পুলিশ। ঠাকুরগাঁও পুলিশ বিএনপির সদর উপজেলা নেতা সরোয়ার হোসেন ও আফাজ উদ্দিন ভূঁইয়াকে আটক করে। ঢাকার আশুলিয়া পুলিশ বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। রাজশাহীর তানোরে পাঁচন্দর চিনাশো গ্রামের আবু বক্কর ও কৃষ্ণপুর গ্রামের গফ্ফার আলীকে আটক করে পুলিশ। নওগাঁর রাণীনগরে বিএনপির প্রার্থীর গাড়িবহরে আওয়ামী লীগ হামলায় চালায়। হামলায় আহতরা হলো- বিএনপির মাষ্টার নজরুল ইসলাম, মঞ্জুর রশীদ, সুইট, জিন্নাহ, সোহাগ হোসেন, শিমুল ও বেলালসহ ১০ জন। রাজশাহীর গোদাগাড়ি থেকে পুলিশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম সাওয়াল, পৌর সভাপতি মজিবর রহমান ও আনোয়ারুল হক চৌধূরীকে আটক করে। কুমিল্লা বুড়িচং থেকে বিএনপির কবির হোসেন, হারুন-অর-রশীদ, মনিরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ ও লিটন খানকে আটক করে পুলিশ।
২৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে পুলিশ বিএনপির ২৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে সাবেক ছাত্রদল সহ-সভাপতি আব্দুর রশীদ টিটু ও নূরুল ইসলামসহ ৬ জনকে আটক করে। চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে বিএনপির ১২ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। জামালপুরের মেলন্দহ ও ইসলামপুর থেকে বিএনপির ২০ জনকে পুলিশ আটক করে। কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির উলিপুর হাতিয়া ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, পৌর যুবদল সহ-সভাপতি জাকির সরকার, এরশাদুল হক, সদরের হলোখানা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সায়েদুল ও ভুরুঙ্গামারীর জয়মনিরহাট ইউনিয়ন সভাপতিকে আটক করে পুলিশ। কুষ্টিয়ার দৌলতপুর মরিচা ইউপি থেকে পুলিশ বিএনপির ২১ নেতা-কর্মীকে আটক করে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শুকুর মাহমুদ ও দশমিকয়া ইউনিয়ন সভাপতি একাব্বার হোসেনকে আটক করে পুলিশ। বগুড়ার শেরপুর থেকে পুলিশ বিএনপির উপজেলা যুগ্ম-আহবায়ক আফতাব হোসেন তালুকদার, খামারকন্দি ইউপি নেতা আব্দুল, আব্দুল হামিদ, জাহাঙ্গীর, নজরুল ইসলাম ও যুবদল নেতা কামরুল ইসলামকে আটক করে। নোয়াখালীর সুধারাম পুলিশ বিএনপির নির্বাচনী চিঠি বিলি করার সময় ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে। এ সময় আওয়ামী লীগ ছাত্রদল নেতা রাসেল মাহমুদ রাজুকে মারধর করে পুলিশে দেয়। বরিশাল মহানগর পুলিশ বিএনপির ৩৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে পুলিশ বিএনপির শিব্বির আহমেদ বুলু, শ্রমিক দল পৌর আহবায়ক সৌমিক হাসান সোহাগ, বিএনপির মফিজুল, সাইজ উদ্দিন, মাহফুজ ও মাজহারুলকে আটক করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে বিএনপির ৫১ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। বগুড়ার ধুনট থেকে পুলিশ বিএনপির এক নেতাকে আটক করে। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থেকে পুলিশ বিএনপি নেতা তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপসহ ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করে। গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে পুলিশ বিএনপির ২২ নেতা-কর্মীকে আটক করে। ভোলা-১ আসন থেকে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। সিলেটের গোলাপগঞ্জ থেকে বিএনপির ১৫ জনকে আটক করে পুলিশ। রাজবাড়ী সদর থেকে পুলিশ বিএনপির লোকমান হাফেজ ও আবুল কাশেমকে আটক করে। খুলনা মহানগর ও জেলা থেকে পুলিশ বিগত দু’দিনে ১২৩ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
২৭ ডিসেম্বর সিলেট মহানগরীর হাউজিং এলাকা থেকে পুলিশ বিএনপির ৭ নেতা-কর্মীকে আটক করে। বরিশাল শহরের বিশ্বাসের হাট এলাকা থেকে বিএনপির ১ কর্মীকে আটক করে পুলিশ। জামালপুর সদরের রশিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাহার আলী, সদর যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম, তিতপাল্লা ইউপি বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, ইসলামপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতা লুৎফর রহমান কাজল, শাকিল আহমেদ পাপন ও বিএনপি নেতা ডাঃ ফারুকসহ ২৩ জনকে পুলিশ আটক করে। রাজশাহীর বাগমারায় বিএনপি নেতা অধ্যাপক আনিসুর রহমান, তাহেরপুর পৌর যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম ও বড়বিহানালী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে পুলিশ বিএনপির বেলাল হোসেন, জিয়া উদ্দিন, মামুনুর রশীদ ও আনোয়ার হোসেনকে আটক করে। পটুয়াখালীর গলাচিপায় চর হরিদেবপুর এলাকা থেকে বিএনপির আব্দুল হাকিম চৌকিদার, মিজানুর রহমান, ইস্রাফিল মোল্লা, মজিবর রহমান, আব্দুর রব ও রাকিব মোল্লাকে পুলিশ আটক করে। বগুড়ার কাহালু থেকে পুলিশ বিএনপির বিউটি বেগম, এম.আর ইসলাম স্বাধীন, দেলোয়ার হোসেন, পরাশী হিরু, আলী ইমরান রনি, আব্দুল জলিল খন্দকার, ইউনুস আলী ও আনিসুর রহমানসহ ৪২ জনকে আটক করে পুলিশ। মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান থেকে বিএনপির ১৪ কর্মীকে ডিবি পুলিশ আটক করে। ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে পুলিশ বিএনপির হাদী শেখ, লুৎফর রহমান, মোস্তফা, রফিকুল ইসলাম, মতিউর রহমান, এনামুল হক, গোলাম কুদ্দুস শেখ, আরিফ শেখ, মোস্তফা মাহমুদ পরাগ, ইছাহাক মোল্লা ও হাবিব মিস্ত্রীকে আটক করে।  চট্টগ্রামের খুলশী পুলিশ বিএনপি নেতা জাভেদ ও রুহুল আমীনকে আটক করে। কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ বিএনপি ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করে। টাঙ্গাইলের সখিপুর থেকে বিএনপির শামীম আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন, নজরুল ইসলাম, সোহেল রানা, নাছির উদ্দিন, জিয়ার উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম শাফী, আব্বাস উদ্দিন, শফিকুল ইসলাম বিটু, আসলাম সিকদার নোবেল, নাছির উদ্দিন ও আশরাফ আলীকে আটক করে পুলিশ। পটুয়াখালী সদর থেকে বিএনপি নেতা মোঃ তারেক আলী খান, সুলতান হাওলাদার, দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল মান্নান, জব্বার মীর, রফিক সরদার, যুবদল নেতা রেজাউল ও ফরিদ মালসহ ১১ জন এবং মির্জাগঞ্জ থেকে পুলিশ মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, মাসুম, আনোয়ার হোসেন, যুবদল নেতা আবুল খায়ের খোকন, বিএনপি নেতা ফারুক, আবুল কালাম, ইব্রাহিম ও জাফর মৃধাসহ ৮ জনকে আটক করে। বরিশালের আগৈলঝাড়ার রাজিহার গ্রামের বিএনপি নেতা শাহীন উদ্দিন মিয়াকে আটক করে পুলিশ। সিলেট সদরের নলকট গ্রামের বিএনপি সমর্থকদের হাতে আওয়ামী লীগ সমর্থক কায়সার আহমেদ খুন হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ