শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

উপকূলের চরে শুঁটকি উৎপাদন করে বছরে ৪০০ কোটি টাকার রফতানি সম্ভব

মুহাম্মদ নূরে আলম: বাংলাদেশের সমুদ্র তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। সমুদ্র-নদী থেকে আহরিত মৎস্য সম্পদে জীবিকা চলে লাখো মানুষের। লবণ চাষ, শুঁটকি উৎপাদন, কাঁকড়া চাষ, চিংড়ি চাষ করে বহু মানুষ বেঁচে আছে। কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে শুঁটকি উৎপাদন শুরু হয়েছে। এবার দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার শুঁটকি মাছ রফতানির আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। সূত্র বলেছে, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৬২৩ মেট্রিক টন শুঁটকি বিদেশে রপ্তানি করা হয় (২০১৭-১৮ অর্থবছরে হিসাব) দেশে ৮-১০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ বাণিজ্যিকভাবে শুঁটকি করা হয়। সমুদ্র উপকূলের নিকটবর্তী দ্বীপের পলি মাটিতে কৃষি আবাদ বহু মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। সয়াবিনের মতো অর্থকরী ফসল উৎপাদনেও বিপ্লব ঘটেছে উপকূলে। সমুদ্র সৈকতের খনিজ বালু এই জনপদের আরেক সম্ভাবনা। পর্যটন খাতেও উপকূল জুড়ে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। উপকূলজুড়ে শুঁটকি উৎপাদনের বিরাট সম্ভাবনা থাকলেও পদে পদে রয়েছে বাধা। সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব আর বাজারজাতকরণে বহুমূখী সমস্যার কথা জানালেন সংশ্লিষ্টরা। তারা মনে করেন, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই শিল্প থেকে আরও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এ শিল্পে জীবিকা নির্বাহ হতে পারে লাখো লাখো মানুষের। এক কেজি শুঁটকি মাছ তৈরিতে প্রজাতি ভেদে প্রায় ৩-৫ কেজি কাঁচা মাছ প্রয়োজন। উপকূলীয় জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন শুঁটকির জন্য সমুদ্র থেকে মাছ সংগ্রহ করে। অধিকাংশ এলাকায় প্রচলিত নিয়মে সূর্যের আলো ব্যবহার করে শুঁটকি শুকানো হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণের জন্য শুঁটকির প্রক্রিয়াজাতকরণকালে বিভিন্ন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ক্ষতির দিক বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত শুঁটকি উৎপাদনের বেশকিছু বেসরকারি উদ্যোগ চোখে পড়ছে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জলিলুর রহমান উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তির ড্রায়ারটির নাম ‘বিএফআরআই ফিশ ড্রায়ার’। এই ড্রায়ারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত ও উন্নত গুণগতমানসম্পন্ন শুঁটকি মাছ তৈরি করা সম্ভব। বেসরকারি সংস্থা কোস্ট ট্রাস্টের মৎস্য উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শফিউদ্দিন মশারির জালে ঢাকা ট্যানেল এবং হলুদ-মরিচ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। এই প্রযুক্তির ট্যানেল তৈরিতে ব্যয় অন্য প্রযুক্তিগুলির তুলনায় অত্যন্ত কম ও ব্যবহার পদ্ধতি খুবই সহজ এবং উৎপাদনকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য। প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পাশাপাশি শুঁটকিখাতের অন্যান্য সংকটেরও সমাধান করতে হবে। সে কথাই বললেন কক্সবাজারের নাজিরারটেক শুঁটকি ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতি, কক্সবাজার মৎস্য ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদসহ শুঁটকি উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিমত, নাজিরেরটেক শুঁটকি মহাল থেকে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় হলেও, বহু লোকের কর্মসংস্থান হলেও এর সম্ভাবনা বিকাশে সরকারের বিশেষ নজর নেই। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে, জেলেদের দাদন মুক্ত করা গেলে এবং শুঁটকি বাজারজাতকরণের সমস্যাসমূহ দূর করতে পারলে উপকূলের শুঁটকি বিরাট সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
কক্সবাজার পৌরসভার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা নাজিরারটেক, ফদনারডেইল, কুতুবদিয়াপাড়া ও সমিতিপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, সাগরতীরে বিশাল এলাকাজুড়ে গড়ে ওঠা নাজিরারটেক শুঁটকি মহালে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। এদের মধ্যে কেউ ট্রলার থেকে তাজা মাছ কাঁধে করে মহালে নিয়ে আসছেন, অনেকে কাটা-বাছার পর সেই মাছ মাচায় রোদে শুকাচ্ছেন। অনেকে বস্তায় ভরছেন শুঁটকি মাছ। এসময় কথা হয় নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আতিক উল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশের এ বৃহৎ শুঁটকি মহালে দিন দিন উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার অর্ধশত শুঁটকি ব্যবসায়ী বেড়েছে। বেড়েছে শ্রমিকের সংখ্যাও। গত বছর প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক থাকলেও এবারে তা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। মগচরের জেলে হামিদুল ইসলাম জানান, শুঁটকি উপযোগী মাছ ধরার জন্য ছোট ইঞ্জিনের ট্রলার রয়েছে পাঁচ শতাধিক। প্রতিদিন এসব ট্রলারে ১০-৩০ লাখ টাকার মাছ ধরা পড়ছে।
ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক বলেন, চলতি মৌসুমের নতুন শুঁটকি হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। নতুন করে উৎপাদন শুরুর পর গত তিনদিনে ১০ মণ লইট্যা ও ছুরি শুঁটকি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে সরবরাহ করেছেন তিনি। শুঁটকি মহালের মালিক কামাল উদ্দিন জানান, তার একটি মহালে এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ লাখ টাকার শুঁটকি উৎপাদন হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এ চরের আরো ২৯টি মহালে শুঁটকি উৎপাদনের ধুম পড়বে।
বর্তমানে জেলার প্রায় ছয় হাজার ট্রলার সাগরে গিয়ে ইলিশ, কোরাল, লাক্ষ্যা, চাপা, কামিলা, হাঙর, রূপচাঁদা, পোপা, রাঙাচকি, মাইট্যা, কালো চাঁদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ উপকূলে শুঁটকি করা হচ্ছে। এসব তথ্য জানান কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান। এদিকে শুঁটকির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি রূপচাঁদা ১২০০-২৫০০ টাকা, মাইট্যা ৮০০-১৫০০, কোরাল ১০০০-১৬০০, পোপা ৪০০-১২০০, চিংড়ি ১০০০-১৫০০, লইট্যা ৪৫০-৯০০, ছুরি ৭০০-১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বরগুনার লালদিয়া, আশারচর, সোনাকাটা, জয়ালভাঙ্গা চরের, শুঁটকি পল্লীতে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত ৬ মাস ধরে চলে শুঁটকি পক্রিয়াজাতকরনের কাজ। শুঁটকিকে কেন্দ্র করে উপকূলীয় হাজার হাজার জেলে ও মৎস্যজীবীদের আনাগোনায় মূখরিত থাকে এসব চরগুলো। সরেজমিনে দেখা যায়, গভীর সাগর থেকে জেলেরা মাছ নিয়ে দেশের বৃহত্তম মৎস অবতরন কেন্দ্র পাথরঘাটা (বিএফডিসি) ঘাটে ভিড়ছেন।
ব্যবসায়ীরা সেই মাছ কিনে পল্লীতে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপর ধুয়েমুছে কাটা-বাছার পর শুঁটকির জন্য বাঁশের তৈরি মাচায় রোদে শুকাচ্ছেন। আবার কেউ বস্তায় ভরছেন শুঁটকি মাছ। প্রচলিত পদ্ধতিতে শুকানো এই শুঁটকি নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। এখানের উৎপাদিত শুঁটকি দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি হচ্ছে। এ সময় প্রায় ২৫ প্রজাতির মাছের শুঁটকি দেখা যায়। আহরিত মাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো লইট্যা, ছুরি, ফাইস্যা, রইস্যা, পোয়া, কোরাল, ফাত্রা, মাইট্যা, রূপচাঁদা, ইলিশ, লাক্ষা, চিংড়ি, রাঙ্গাচকি, হাঙ্গর, রিটা, ফুটকা, কাঁকড়া, লবষ্টার, সামুদ্রিক শসা, হাঙ্গরের বাচ্চা ও বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। বর্তমানে প্রতি কেজি ছুরি শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, রূপচান্দা ৮০০ থেকে ১ হাজার, মাইট্যা ৫০০ থেকে এক হাজার, লইট্যা ৪০০ থেকে ৮০০, কোরাল ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০, পোপা ৪০০ থেকে ৮০০, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা এবং অন্যান্য ছোট মাছ ২০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও এখানকার শুঁটকি পল্লীর মাছের গুড়ি সারাদেশে পোল্ট্রি ফার্ম ও ফিস ফিডের জন্য সরবরাহ হয়ে থাকে।
এশিল্পের মাধ্যমে অনেকের কর্মস্থান হলেও রয়েছে নানা সমস্যা। খোলা মাঠে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ধূলা-বালিতে শুঁটকি উৎপাদন করা। শুঁটকি সংরক্ষণে মাছের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ মিশ্রণ। এমনকি বিষ মিশ্রিত করে শুঁটকি সংরক্ষণ করা। খাবার অনুপোযোগি পচা মাছ রোদে শুকিয়ে শুঁটকিতে রূপান্তিত করা। পুরো এলাকা জুরে মশা মাছির উৎপাতও বৃদ্ধি। আবার অন্যদিকে শুঁটকি উৎপাদনকারীরাও নানা সমস্যায় জর্জরিত। পুঁজির অভাব, দাদনদারের শোষণ, সরকারি সুযোগ সুবিধার অভাব, মাছের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া। বর্ষার কয়েকমাস ছাড়া বছরের বাকি সময়ে এখানে শুঁটকি উৎপাদন করা হয়। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি শুঁটকি তৈরি হয় শীতে। আর এ শুঁটকি মহালে কাজ করে জীবিকা পরিচালনা করেন এখানকার শ্রমিকরা। যদিও শ্রম ও বেতন নিয়ে রয়েছে তাদের নানা অভিযোগ। এছাড়া কিটনাশক ঔষধ ব্যবহার বন্ধ, স্বাস্থ্য সম্মত শুঁটকি তৈরি, বর্ষা মৌসুমে শুঁটকি তৈরির প্রযুক্তি সরবরাহ এবং এখাতে ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা গেলে শুঁটকি রপ্তানিতে অনায়াসে শত কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে।
শুঁটকি উৎপাদন মৌসুমের আগ মুহূর্তে খুলনার পাইকগাছার কপোতাক্ষ তীরের বোয়ালিয়া হিতামপুরের জেলেপল্লী ঘুরে চোখে পড়ে প্রস্তুতি পর্বের ব্যস্ততা। আরও মাসখানেক আগে থেকে এই ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। কেউ জাল কিনে সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য প্রস্তুত করছেন, কেউ নৌকা মেরামত করছেন, নৌকায় আলকাতরা দিচ্ছেন। এই পল্লীর ১২০টি পরিবারের মধ্যে ১০০ পরিবার সুন্দরবন থেকে বাইরে দুবলার চরে শুঁটকি মৌসুমে মাছ ধরতে যায়। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে উপকূলের বিভিন্ন স্থান থেকে জেলেরা দুবলার চরে যেতে শুরু করে। জীবিকার তাগিদ থাকলেও সেখানে তাদের সমস্যার অন্তনেই, জানালেন জেলেরা।
তাদের একজন তাপস বিশ্বাস। বয়স ৩৫ পেরিয়েছে। ছোটবেলা থেকে বড়দের সঙ্গে শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চরে যান। এক সময় নৌকার হাল ধরেছেন। এখন তিনি মাঝি, শুঁটকি মৌসুমের পাঁচ মাস দুবলার চরে থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সঙ্গে রয়েছেন তার সহযোগীরা। তাপস জানালেন, শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চরে জেলেরা হাজারো সমস্যায় পড়েন। কিনারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জোরদার টহল থাকলেও গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে জলদস্যু হানা দেয়। মুক্তিপণের দাবি পূরণ করতে গিয়ে লোকসানে পড়তে হয়।
কুয়াকাটায় শুঁটকি উৎপাদনের এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে সৈকতের পশ্চিম দিকে মাঝিবাড়ি, খাজুরা, খালগোড়া, গঙ্গামতি, কাউয়ার চর ও ধুলাসার। প্রতিটি স্থানে ৭ থেকে ১২জন ব্যবসায়ী মৌসুমের শুরুতেই এ ব্যবসা শুরু করেন। শুঁটকি মৌসুমে সমুদ্র থেকে আহরিত লইট্টা, ফাহা, ফালিসা, চাবল, কোরাল, হাঙ্গর, ছুরি, পোমা, চান্দাকাটা, চিংড়ি, লাক্ষ্মা, নোনা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের শুঁটকি করা হয় কুয়াকাটায়। আলাপ হলো এখানকার শুঁটকি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে। তারা জানালেন, নাজিরের টেক শুঁটকির বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এখানে মৌসুমে প্রায় অর্ধ লক্ষ শ্রমিক কাজ করেন। সমুদ্র থেকে আহরিত মাছের যোগান অনুযায়ী এখানে উৎপাদিত হয় প্রায় ২৫ প্রজাতির মাছের শুঁটকি। এর মধ্যে রূপচাঁদা, ছুরি, লইট্যা, কোরাল, সুরমা, পোপা উল্লেখযোগ্য। মধ্য-উপকূল এবং পশ্চিম-উপকূলের বাসিন্দাদের মধ্যে শুঁটকি খাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কম থাকলেও পূর্ব-উপকূলের মানুষজনের কাছে শুঁটকি অত্যন্ত প্রিয়।
মৎস্য বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এ. কে. এম. নওশাদ আলম বিষ ও লবণমুক্ত শুঁটকি উৎপাদনের জন্য রিং ও বক্স ট্যানেল উদ্ভাবন করেন, যা কম খরচে অল্প পরিমাণে শুঁটকি উৎপাদন করা সম্ভব। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনষ্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সস এন্ড ফিশারিজ এর সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন বিষমুক্ত ও নিরাপদ শুঁটকি তৈরির নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ