বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

ডুমুরিয়ায় আওয়ামী লীগের ৫ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৭ নেতা দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে

খুলনা অফিস : জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ডুমুরিয়ায় চলছে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা। দলীয় মনোনয়ন আর তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থন প্রত্যাশায় ক্ষমতাসীন দলের ১৭ নেতা নেমেছেন মাঠে। এর মধ্যে ৫ জন রয়েছেন নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান। আর এই নিয়েই উপজেলা জুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে নীরব ভুমিকায় রয়েছে বিএনপি।  

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের রূপরেখা অনুযায়ী আগামী মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী হেসেবে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান, সাবেক সরকারি কর্মকতা-শিল্পপতিসহ প্রবীণ ও তরুণ নেতাদের নাম উঠে এসেছে। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় ওই সকল নেতৃবৃন্দ তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ে রাখছেন সার্বক্ষনিক যোগাযোগ। মনোনয়ন দৌড়ে ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে থেকে মাঠে নেমেছেন গুটুদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান দৈনিক প্রবর্তন সম্পাদক মোস্তফা সরোয়ার, রুদাঘরা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল খোকন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ুন কবির বুলু, আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রতাপ কুমার রায় ও শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত কুমার বৈদ্য। এছাড়াও রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) সরদার ইলিয়াস আলী, শিল্পপতি নির্মল চন্দ্র বৈরাগী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুরুদ্দিন আল মাসুদ, সহ-সভাপতি শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়ার্দার, জেলা পরিষদ সদস্য সরদার আবু সালেহ, এবিএম শফিকুল ইসলাম, সরদার আব্দুল গণি ও শেখ নাজিবুর রহমান নাজু। আর তরুণ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন যুবলীগ নেতা কাজী আলমগীর হোসেন, মানবিক ঢাকার সাধারণ সম্পাদক, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম বাদশা ও গাজী এজাজ আহমেদ। এ ছাড়া ওয়ার্কাস পার্টির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম আক্তার স্বপনের নামও শোনা যাচ্ছে। তবে কে পাচ্ছেন ‘দলীয় টিকেট’ এই নিয়েই উপজেলার সর্বত্রই চলছে আলোচনা। আর প্রত্যাশীরাও বসে নেই। তারা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের বাজার-ঘাট, চায়ের দোকানসহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে নিজের ইমেজ তুলে ধরে চলেছেন।  এদিকে বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি খান আলী মুনসুর বলেন, আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দল চাইলে ও নির্বাচনে এলে প্রার্থী হবো। তবে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোন দিকনির্দেশনা পাইনি কেন্দ্র থেকে।

এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি জানান, উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেকেই প্রচার-প্রচারণায় নেমেছেন। কিন্তু মনোনয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে কেন্দ্র থেকে এখনো পর্যন্ত কোন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। এখানে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এ ব্যাপারে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ জানান, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আওয়ামী লীগের জয় হয়েছে এবং নৌকার পক্ষে গণজোয়ার চলছে। আর কিছুদিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তাই দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মাঠে নামাটা স্বাভাবিক। ডুমুরিয়া উপজেলাও নির্বাচনী আমেজ চলছে। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এখানে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ডিরেকশান সবাইকে মানতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ