বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

তাড়াশে সরকারি জায়গা ও নদী দখলের হিড়িক চলছে

শাহজাহান (তাড়াশ) সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে সরকারি খাস ভূমি ও নদ-নদী দখলের হিড়িক চলছে। ওয়াপদা বাঁধের দু’পার্শের মান্নাননগর হতে রানীরহাট তাড়াশ বাজার থেকে নওগাঁহাট, প্রতিটি সরকারি রাস্তার জায়গা এখন দখলভুক্ত হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি নির্মাণসহ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারি খাস ভূমিগুলো এখন অনেক প্রভাবশালীরা পেশীশক্তি ও বিভিন্নদলের ছত্রছায়ায় জবর দখলে নিয়েছে। বাড়ি থেকে স্ব-স্ব জমিতে যেতে ব্রিটিশ সরকারের আমলে নির্মিত সেটেলমেন্টের হালটও দখলভুক্ত হয়ে গেছে। এখন জমিতে যাতায়াতের আর কোনো রাস্তা নেই। এক পা আইল দিয়ে চলাচল করতে হয়। হাটিকুমরুল বনপাড়া মহাসড়কের কোটি কোটি টাকার সরকারি জায়গা প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। জায়গা দখলে নিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে চুক্তি ভিত্তিক ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ফায়দা লুটছে বলে অভিযোগ উঠেছে । সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে স্থাপনা গড়ার পর কর্তৃ পক্ষ জবর দখলকারীদের উচ্ছেদের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন বলে কর্তৃ পক্ষ দাবি করেছেন। তবে অভিযোগ উঠেছে যে কতিপয় ভূমি দস্যুদের সাথে সরকারি এক শ্রেণির কর্মকর্তার সাথে সখ্যতা থাকায় সমস্যার প্রতিকার পাওয়া যাচেছনা। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার খালকুলা বাজারে সরকারি জায়গা প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে বাসা-বাড়ি ও বিল্ডিং নির্মান করেছে। এলাকা বাসিরা জানান হাটিকুমরুল বন পাড়া মহাসড়কের খালকুলা বাজারে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলায় জায়গা সংকীর্ণ হওয়ায় গাড়ি পার্কিং এর সময় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে । সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল বনপাড়া মহাসড়কের রোড গোল চত্বর ,হরিণচড়া, দবিরগঞ্জ, খালকুলাবাজার ,মহিষলুটি , মান্নান নগরে কোটি কোটি টাকার সরকারী জায়গা দখল ও অবৈধ স্থাপনা বাসা বাড়ী বিল্ডিং এবং দোকান পাট নির্মানকরেছে । খালকুলা বাজারে আলহাজ মোহাম্মাদ আ: আজিজ, হাজী ওমর আলী হাজী আবু তালিব ,মাদারী হাজী খাল কুলা বাজার সংলঘœ সমবয় তেল পাম্প ও মান্নান নগর সমবয় মেসার্স ফিলিং  ট্রেশনতেল পেট্রোল পাম্প প্রতিষ্ঠাসহ অনেক প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গ সরকারী জায়গা দখল করেভোগ করছেন। কোটি কোটি টাকার এ সম্পাদ গুলো এখন সিন্টিকেট ভুমি দস্যু চক্রের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে । সুবিধা হাসিলের জন্য ভুমি দস্যুরা যে সরকার ক্ষমতায় আসে সেই সরকারের লোক হয়ে যায় । তাই প্রশাসন যতই প্রতিহতের চেষ্টা করুক জবর দখল কারী দের কিছুই করতে পারেনা বরং প্রতিবাদ কারী কর্মকতা রা ভুমি দস্যু সিন্টিকেটের কবলে পড়ে নানা হয়রানীর স্বীকার হন বলে এলাকা বাসীরা জানিয়েছেন । কোটি টাকার জায়গা বেদখল হলেও প্রশাসন অসহায় ও নির্বিকার । কতিপয় ভুমি দস্যুরা  খুবই শক্তিশালী তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস তারা পাচ্ছে না । সচেতন  মহল ভুমি দস্যু কবল থেকে সরকারী জায়গা  মুক্ত করে জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ