শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়রের উদ্যোগে রাস্তা প্রশস্তকরণ

আব্দুস সালাম, মুন্সীগঞ্জ : অবশেষে পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের হস্তক্ষেপে মানিকপুরের ৩ ফিট পাখি গলির সরু রাস্তাটি এখন ৬ ফিট প্রশস্ত ও ৪০০ মিটার লম্বায় বাস্তবায়িত হতে চলছে। সোমবার (৭ জানু ১৯) বিকেলে পৌর মেয়র সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অদুরে পশ্চিম মানিকপুর বাসির দীর্ঘদিনের দাবীকৃত রাস্তাটি বাস্তবে রূপ দেন। এতে ওই এলাকার দীর্ঘদিন রাস্তা বঞ্চিত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। এখন এই রাস্তাটি দিয়ে যানবাহান বিপদ আপদে কাজে লাগবে। পৌর পিতার সাফল্যের অন্যতম কাজ এটি।  এলাকাবাসীরা জানান, সাবেক পৌর মেয়রের কাছে দফায় দফায় গিয়েও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছিলো এই এলাকার সাধারণ জনগণ। কতিপয় ব্যক্তি পাশের বাড়ির মালিকের সাথে আলাপ করে টাকা হাসিলের উদ্দেশ্য এই রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়।  পরবর্তীতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার পৌর পিতা হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব রাস্তাটি যাতায়াতের জন্য খুলে দেন। পাখি গলির ডানপাশের বাড়ির মালিক পিছনের সাধারণ মানুষদেরকে যাতায়াতের জন্য তিনফুট রাস্ত ছেড়ে দেয়াল নির্মাণ করেন। রাস্তার বামপাশের মালিকের বাড়িটা এমন পজিশনে তার বাড়ির কোনদিকে রাস্তা ছাড়তে হয়নি তাই সে রাস্তা ছাড়বে না। এলাকাবাসী দফায় দফায় তাকে বুঝাতে অক্ষম হয়েছে যে আপনি যদি রাস্তা না ছাড়েন তাহলে আপনি কার রাস্তা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হবেন এবং আপনার এই ভাংগা দেয়ালে যদি কারো প্রাণ যায় তার দায়-দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে। সে কোন কথা শুনতেই নারাজ।  এলাকাবাসী কোন কুলকিনারা  না পেয়ে বর্তমান পৌর মেয়র ফয়সাল বিপ্লবের  কাছে ছুটে যান। পৌর পিতা তাদেরকে আশ্বস্ত করে বলেন, পৌরসভায় বাড়ি করলে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়তে হবে সে যেই হউক। আপনারা ওই বাড়ির মালিকের কাছে গিয়ে বলেন রাস্তার জন্য জায়গা দিতে বলেছে পৌরসভা, তারপর কি বলে আমাকে জানাবেন। পৌর মেয়রের কথা অনুযায়ী রাস্তাবিহীন ভুক্তভোগী পশ্চিম মানিকপুরবাসী আবার বাড়ির মালিকের কাছে হন্য হয়ে ছুটে যান এবং রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়তে বলেন। তারপরও রাস্তা না ছাড়া ওই বাড়ির মালিক এতকিছুর পরেও সে রাস্তা না ছাড়ার কথা সাফ জানিয়ে দেন।  অত:পর রাস্তা না ছাড়ার কথা পৌর মেয়রকে অবহিত করলে সে পরে দেখবেন বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। পরবর্তীতে সোমবার পৌর মেয়রের উদ্যোগে বিষয়টির সমাধান হয়।  প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের পবিত্র রোজার ঈদের দিনে পাখি গলি দিয়ে এক কোমলমতি শিশু হেটে যাবার কিছুক্ষন আগে ভাঙ্গা দেয়ালের খন্ড অংশ নিচে পড়ে, অল্পের জন্য রক্ষা পায়। তখন আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ