শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ঝালকাঠিতে আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

ঝালকাঠি সংবাদদাতা, ৯ জানুয়ারি : ঝালকাঠিতে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফসল কাটা ও মারাই করতে কৃষকরা একন ব্যস্তসময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলছে কৃষক। তাইতো  তাদের মুখে এখন হাসি ফুটেছে। আমন ধান চাষ করে এবার লাভবান হবে কৃষকরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে,‘ ঝালকাঠি জেলা এ বছর ৪৯ হাজার ৯৪১ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। বীজ রোপন থেকে শুরু করে ধান কর্তন পর্যন্ত কোন রকম বৈরি আবহাওয়া না থাকায় ফলন ভাল হয়েছে। বিগত বছরে অসময়ের বৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রকৃতিক বিপর্যয় থাকায় আমনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এতে কয়েক হাজার হেক্টর জমির আধাপাকা ধান পচে গিয়ে ফলনের বিপর্যয় হয়। কৃষক বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল। এ বছর চিত্র ভিন্ন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ত জানিয়েছে, এ বছর আমন ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ হাজার ১৬৯ মে. টন। এখন পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ফসল কাটা হয়েছে। এ বছর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল প্রায় এক লক্ষ মে. টন চাল। ফলনও হয়েছে বিগত ১০ বছরের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ। এই অভুতপূর্ব ফলন দেখে কৃষকরা আশায় বুক বেঁধেছে। তবে কৃষকদের দাবি ভাল ফলনের পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত ফসলের যেন ন্যায্য মূলে নিশ্চিত করে সরকার। তাহলে কৃষককূল আগ্রহ নিয়ে চাষাবাদ করবে, অর্থনৈতিকভাবে মুক্ত হবে তারা। আমন ধানের মণ ( ৪০) কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নলছিটি উপজেলার প্রতাপ গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন বলেন,‘ এবছর আমন ধানের ফলন ভাল হয়েছে। তবে ধানের ন্যায্য মূল্য যেন আমরা পাই সে ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। একই এলাকার কৃষক আব্দুল বারেক খান বলেন,‘ বর্তমানে শ্রমিকের পারিশ্রমিক অনেক বেশি। ফলস রোপন থেকে শুরু কর্তন পর্যন্ত অনেক টাকা খরচ হয়। ধানের দাম বেশি হলে আমরা বাঁচতে পারি আর কম হলে আমাদের বাঁচার কোন পথ থাকে না। ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন,‘ কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এখানকার কৃষকদের বিভিন্ন রকমের পরামর্শ আমরা দিয়েছি। পাশাপাশি আবহাওয়া ভাল থাকায় এ বছর ফলন ভাল হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ