বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মহেশখালীতে মিলছে শীতকালীন ফসল ও শাক সবজি

সরওয়ার কামাল মহেশখালী : মহেশখালী ৮ টি ইউনিয়ন ১ টি পৌরসভা নিয়ে মহেশখালী উপজেলা গঠিত। উপজেলার  বিভিন্ন ইউনিয়নে উঁচু নিচু জমিতে রবি মৌসুমে শীতকালীন শাক সবজি ও বিভিন্ন জাতীয় ফসল ব্যাপক হারে উৎপন্ন হয়েছে। বাজারে আসছে প্রচুর তরি-তরকারি। চাষিদের  কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জাতের শীতকালীন শাক সবজি ক্রয় করছে। মহেশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়ন যথাক্রমে- শাপলাপুর,ছোট মহেশখালী, বড় মহেশখালী, কুতুবজোম, হোয়ানকে  সবচেয়ে বেশি শীতকালীন ফসল, শাকসবজির চাষাবাদ হয়ে থাকে। অন্য ফসলের চেয়ে সবজি চাষের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে কৃষকরা। সবজির মধ্যে আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, শসা, বেগুন, টমেটো, শিম, ইত্যাদি হাট বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে। শাপলাপুরের চাষি নুরুল আবছার  জানান, টমেটোর এখানেও প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। প্রতি কেজি ৪০ টাকা হারে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর কৃষকরা সফলতা পেয়েছে। কুতুবজোম ইউনিয়ন যুবলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এম রবিউল আলম শুভ জানান, কৃষকরা বিভিন্ন জাতের শাকসবজি উৎপন্ন করে বাজারে বিক্রি করছে। প্রতিটি কৃষক পরিবার বার মাস সবজি চাষাবাদ করে সংসারের ভরণ পোষণ চালিয়ে যাচ্ছে। মহেশখালীর কৃষি অফিসার শামসুল আলম জানান, মহেশখালীতে প্রচুর পরিমাণ সবজি চাষাবাদ হয়ে থাকে। কৃষকরা আগাম চাষ করে ব্যাপক সবজি উৎপাদন করে। রবি মৌসুমে আলুসহ ধনিয়া, মরিচ, পিয়াজ, আদা হলুদ জমিতে চাষাবাদ হয়। মহেশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিটি গ্রামে শীতকালীন ফসল,শাক সবজির চাষ হচ্ছে। কৃষকেরা মহা খুশি। বাজারে শীতকালীন ফসল ও শাক সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী বাজারে দামও পাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ