শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মাদক নিয়ন্ত্রণে আসবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার : টানা দ্বিতীয় মেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিন দপ্তরে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেছেন, “মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, আশা করি আমরা সামনের দিনগুলোতে মাদককে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।”
আওয়ামী লীগের টানা তৃতীয় মেয়াদের সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, তাতে আগের সরকারের ‘অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ’ অনেকে বাদ পড়লেও টিকে গেছেন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাতে তার উপরই আস্থা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধ’ গত দেড় যুগ ধরেই বাংলাদেশে পরিচিত দুটি শব্দ, যা আসলে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’ বলে সরকারের সমালোচনা করে আসছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
গত বছর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো। এরপর প্রায় প্রতিদিনই  কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন মাদক চোরাকারবারিদের হতাহতের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। এই অভিযানে কতজন নিহত হয়েছে, সেই পরিসংখ্যান পুলিশের কাছে পাওয়া যায়নি। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে এই সংখ্যা চারশর বেশি।
মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসা পেলেও যেভাবে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে দেশী বিদেশী বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা। তবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও চলমান অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা এসেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দ্বিতীয় মেয়াদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সচিবালয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, “এটা আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সের কথা বলেছিলাম। আমরা সবগুলোই কিছুটা কন্ট্রোল করেছি।” মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এ দেশের ‘ মেধা ও স্বপ্ন’ হারিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল। তাই তারা রাজনীতিতে থাকতে পারে। তবে নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এদেশের মানুষ পছন্দ করে না। এর আগেও তারা এ ধরনের আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছে।”
বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে উন্নয়নের ধারা চলছে, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে তা হারিয়ে যাবে মন্তব্য করে ‘ যে কোনো মূল্যে’ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন কামাল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ