শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

বিভিন্নস্থানে হামলা ভাংচুর অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছেই

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল : পাবনার চাটমোহরে বিএনপি এক নেতার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাতে উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের বাঙ্গালা গ্রামে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত মোতাহার হোসেন ডিবিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ওই গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন সরকারের ছেলে। অগ্নিকান্ডে তার বসত ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র, জমির দলিলপত্রসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। স্থানীয়রা বলছে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটাতে পারে।
সূত্র মতে, একতরফা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই এরকম ঘটনা ঘটছে। অনেকেই ভয়ে বলছেও না। অনেকের ধারণা ছিল, সংসদ নির্বাচনের আগে যেভাবে বিরোধী নেতাকর্মীদের উপর এবং তাদের বাসা বাড়িতে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছিল তা এবার বন্ধ হবে। কিন্তু নির্বাচনের এক সপ্তাহ পরও দেশের বিভিন্নস্থানে হামলা ভাংচুর ও অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছে।
জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার পাবনার যে বিএনপি নেতার বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছিল তিনি সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের ধানের শীষের প্রতীকের পক্ষে কাজ করছিলেন। ভিকটিম বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেন বলেন, অন্যান্য দিনের মত সোমবার রাতের খাবার খেয়ে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। ভোর রাতের আগে ঘরের ভেতরে আগুনের উত্তাপে সজাগ হয়ে দেখি সমস্ত ঘরে আগুন জ্বলছে। কোন মতে স্ত্রী সন্তানসহ ঘর থেকে বের হয়ে প্রাণে রক্ষা পাই। আমাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসে এবং আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় ১ ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর গ্রামবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ইতিমধ্যে ঘরে থাকা সমস্ত আসবাবপত্র কাপড়-চোপর, জমির দলিল পত্রাদি, গহনাপত্রসহ সব কিছু পুড়ে যায়। তবে তিনি ভয়ে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি বলেন নি। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষই এ ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ব্যাপারে চাটমোহর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিএনপি জানায়, ৩০ শে ডিসেম্বর নির্বাচনের পর দেশ আরও একধাপ তমাসাচ্ছন্ন বর্বর যুগে প্রবেশ করলো। নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর রসিকতা করে এখন জনপদের পর জনপদে ধানের শীষের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপর চলছে পৈশাচিক বর্বরতা। মূর্খের অহংকারে আক্রমণ করে ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে নিরীহ মানুষের বাড়ি-ঘর-দোকানপাট-বাজার। সেগুলো অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের ঘর ছাড়া, এলাকা ছাড়া, গ্রেফতার করা রীতিমতো হিড়িক শুরু হয়েছে। নানা হয়রানিসহ শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। আক্রমণে অনেকে নিহত হয়েছেন। ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান-কৃষি খামার-সহায়সম্পদের উপর বেপরোয়া হানা দেয়া হচ্ছে অবিরাম।
সবচেয়ে মর্মস্পর্শি শ্বাসরোধী ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীতে এক সিএনজি চালকের স্ত্রীকে বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের মাধ্যমে শ্লীলতাহানি করা। আওয়ামী লীগের ১০/১২ জনের এক দল কর্মী নোয়াখালীর সুবর্ণচর এলাকার মধ্যব্যাগারে ৪ সন্তানের মা সিএনজি চালকের স্ত্রীকে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বলে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে মহিলাটি সবার সামনে ধানের শীষে সিল দেয়। এরপর রাত ১০ টার দিকে সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূটির হাত-পা ও মুখ বেঁেধ রাতভর নির্যাতন করে ঘরের পাশে ফেলে যায়। সে এখন নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকেই পৈশাচিক নির্যাতনে শ্লীলতাহানি নয় এটি জনগণের ভোটাধিকারকেই শ্লীলতাহানি করা হলো। সিএনজি চালকের স্ত্রীর ক্রন্দনবিধুর অন্তহীণ আর্তি বিশ্ব বিবেককে কাঁদিয়েছে। বাংলাদেশে মানবতা এখন কাঁদছে। বিশ্ব মানবতা এই ঘটনায় স্তম্ভিত-শিহরিত ও বিমুঢ়। কালো টাকার প্রাচুর্য্য প্রয়োগে বেড়ে ওঠা এই আওয়ামী নির্যাতন কারীরা জালজালিয়াতি ভোটের মহাযজ্ঞের পর এখন কান্ড জ্ঞানহীন নিষ্ঠুর বেপরোয়া। এরা ভোট ডাকাতির মহাসাফল্যে সহজাত বিচার-বুদ্ধি হারিয়ে ফেলেছে। এরা মনুষ্যত্ব বির্সজন দিয়ে এখন নারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে জনগণের ভোটাধিকারকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে ঘনায়মান হতাশা আর বিরোধীদের গুম-খুনের শিকার হওয়ার পরিমাণ যে কতো বাড়রে তা নিয়ে অনাগত দিনের দুশ্চিন্তা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা জণগণের চোখে বিভৎস রূপ নিয়ে ফুটে উঠেছে। ১০ বছরতো আওয়ামী লীগই ক্ষমতায়, তাহলে মিথ্যা জয়োল্লাসের বহিঃ প্রকাশে এতো হিংসার ছবি কেন? এরা ধারাবাহিকভাবে অশান্তি জিইয়ে রেখে মানুষের জাগরণকে ঠেকানোর চেষ্টা করবে। সেই জন্য তারা দর্শন হিসেবে বেছে নিয়েছে সন্ত্রাসবাদ। তবে তাদের মনে রাখতে হবে পতন কিন্তু দিন-ক্ষন-তারিখ-মাস ঘোষণা দিয়ে আসে না।
দেশের বিভিন্নস্থানে সরকারি দলের হামলা-ভাংচুর প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন পূর্বাপর ব্যাপক সহিংসতা, রক্তপাত, ধানের শীষের প্রার্থীদের ওপর গুলী ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করা, ধানের শীষের নেতাকর্মী-সমর্থকদের ওপর নির্বিচারে আক্রমণ করে রক্তাক্ত করাসহ ধানের শীষের প্রার্থীসহ নেতাকর্মীদেরকে পাইকারী হারে গ্রেফতারের যে তীব্রতা ছিল সেটি এখনো বিদ্যমান আছে। প্রতিদিন বিএনপি ও বিরোধী নেতাকর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। তাদের গ্রেফতার চলছেই। জোর করে ক্ষমতায় এসেও যেন আওয়ামী লীগ প্রতিপক্ষকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারছেনা। তিনি বলন, এদেশের ইতিহাস বিদেশী প্রভু ও স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে রক্তঝরা সংগ্রামের ইতিহাস। সুতরাং বর্তমান মহাজালিয়াতি, বিরামহীন ভোট ডাকাতির নির্বাচনে তৈরী নিষ্ঠুর কর্তৃত্ববাদী শাসন, গণতন্ত্র হরণ, বিরোধী দল ও মত নিধনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রবল আন্দোলনের খর¯্রােত ধেয়ে আসছে। এটি সরকার মোকাবেলা করতে পারবেনা।
জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি মামলায় হাজিরা দিতে গেলে কক্সবাজার নিম্ন আদালত কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জালাল আহমদসহ ১৪ জনের জামিন নামমঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। পরের দিন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জি কে গউছকে প্রধান আসামী করে ১২০০ জনের বিরুদ্ধে আবারও ৪টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
৪ জুন রমনাথানাধীন ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মোতালেব রুবেল প্রেসক্লাবে মানব বন্ধনে অংশগ্রহণের পর বাসায় ফেরার সময় মালিবাগ থেকে গ্রেফতার করে রামপুরা থানায় নিয়ে যায়। জামিন পাওয়ার পর গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পূণরায় জেলগেট থেকে আটক করে রমনা থানায় নিয়ে যায়। তাকে চোখে কাপড় বেঁধে প্রচুর মারধোর করে এবং পুনরায় রিমান্ড মঞ্জুর করে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়নকে পূণরায় ২দিনের রিমান্ডে এনে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করছে। তার মাগুরার বাড়িতে বাবা-মা, দাদা-দাদী, ভাই-বোন, সবাইকে বাড়িছাড়া-এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। এক অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে নয়নের পরিবার দিন যাপন করছে। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখওয়াত হোসেন জীবন আদালতে জামিন নিতে আসলে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। মিথ্যা মামলায় জামিন নিতে গিয়ে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আকবর আলী খানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।
নির্বাচনের পর দাউদকান্দিতে আ.লীগের ব্যাপক সহিংসতা ভাংচুর-লুটপাট, মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লা-১ আসনের দাউদকান্দি পৌর সদরসহ বিভিন্ন গ্রাম, দাউদকান্দি উপজেলার দাউদকান্দি (উত্তর), গোয়ালমারী, সুন্দলপুর, বিটেশ^র, মারুকা, দৌলতপুর ও ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও বাজারে বিএনপি নেতা কর্মী ও সমর্থদের বাড়ি ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নির্বাচনোত্তর ব্যাপক সন্ত্রাসী হামলা, লুটপাট, মারধর, চাঁদাবাজি ও প্রকাশ্যে হুমকি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ৩০ ডিসেম্বর রাত থেকে এই পর্যন্ত আওয়ামী লীগ, যুব লীগ ও ছাত্র লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা দাউদকান্দি পৌর এলাকার তুজারভাঙ্গা গ্রামে কাউন্সিলর মোস্তাক মিয়া এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আলমের বাসভবনসহ মাইজপাড়া, দোনারচর, উত্তর নছরুদ্দি গ্রামে নোয়াব ও বাবুলের বাড়িতে গ্রামে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালাচ্ছে। তারা দাউদকান্দি বাজারে পৌর বিএনপি সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিয়াজি ও শামীমের দোকান বন্ধ করে দেয়। পৌর এলাকার ইট ব্যবসায়ী মনু মিয়া ব্যাপারীর ইটের ভাটা থেকে দুই ট্রাক ইট লুট করে নিয়ে যায়। সুন্দলপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ও বিডিআর নুরুল ইসলাম মিয়াজী সহ ২ জন এবং বড় গোয়ালী গ্রামের ইব্রাহিমকে পিটিয়ে আহত করে, একই গ্রামের হাফেজ আবদুল করিম সহ ১৫ জনের বাড়ী ভাংচুর করে, এছাড়া বড় গোয়ালী বাজারের ৩টি দোকান ও চকমখোলা গ্রামের কামাল হোসেন সহ ৩জনের বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর চালায় এবং ২ জনকে আহত করে। দাউদকান্দি উত্তর ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের কামাল ও কাওসারের বাড়ি সহ নন্দলপুর ও গোলাপেরচর গ্রামের ১০টি গ্রামে যুবলীগের ক্যাডাররা বাড়ি-ঘর ভাংচুর করে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বারপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়নের বাসরা গ্রামে প্রায় ২৫টি বাড়িতে হামলা করে, এতে ৪ জন জখম হয়। সশস্ত্র ক্যাডাররা ইলিয়টগঞ্জ বাজারে ৫ টি দোকান বন্ধ করে দেয়। ক্যাডাররা দৌলতেরকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম এবং গোয়ালমারী ইউনিয়নের দৌলতেরকান্দি গ্রামের ৩০/৩৫টি বাড়িতে নারকীয় তান্ডব চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক তান্ডব চালাচ্ছে। যা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। এছাড়া নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রায় ৭টি মামলা করা হয়েছে যেখানে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ সহ শত শত নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। অথচ এ সকল সহিংস ঘটনার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে দাউদকান্দি থানা মামলা নিচ্ছে না।
গত ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে এলডিপি’র চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অবঃ) অলি আহমেদ বীর বিক্রম এর নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রামে চন্দনাইশ ও আংশিক সাতকনিয়ার ৬টি ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের দ্বারা ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলীতে এলডিপি’র কর্মী শফিকুল ইসলাম, মোঃ জিসান ও মাহবুব আলমসহ ১৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়। আওয়ামী সমর্থকরা ১২টি মোটর সাইকেল ও ৪টি মাইক্রোবাস নিয়ে অলি আহমেদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুকের ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালালে তিনি গুরুতর আহত হন, তার মৃত্যু হয়েছে বলে হামলাকারীরা নিশ্চিত হলে রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। অধ্যাপক ওমর ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসী আমিন, আবুল ও আবু সলেহ। এমন অভিযোগ এলডিপির।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ